বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমী
নানা আয়োজনে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীতে স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমী’র নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকাল ৯ টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সকলকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সম্মেলিত টি-শার্ট বিতরণ করা হয়। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমী’র সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রবিউল আলম, অতিরিক্ত জেলা জজ শেখ সামিদুল হক, ফারজানা আকতার, অতিরিক্ত দায়রা জজ জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ ফরিদা ইয়াসমিন।
এতে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম জেলা জজ বেগম আইরিন পারভীন, আবু সালেহ মোহাম্মদ নোমান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহমেদ খন্দকার, নাজমুন নাহার বেগম, বেগম জিহান সানজিদা, আওলাদ হোসেন জুনায়েদ,আব্দুল্লাহ খাঁন, মাহমুদুল হক, ফারহানা ইয়াসমিন, ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও নাজির মোহাম্মদ আবু তাহের, রেকর্ড কীপার তাসলিমা হেলেন, বেঞ্চ সহকারী মোঃ জয়নুল আবেদীন, নাজিম উদ্দীন, শহীদুল আলম, ফারুক আহমেদ, মাঈন উদ্দিন, ক্যাশিয়ার শফিকুল ইসলাম, স্টেনো টাইপিস্ট আতা ই এলাহি, ড্রাইভার বিধান ঘোষ, সাখাওয়াত ইমাম শরীফ, প্রসেস সার্ভার রাজীব উদ্দিন, এম এ হাসান, সেলিম উদ্দিন ইমাম হোসেন ইমন,বোরহান উদ্দিন, আমির হোসেন, মোঃ ইয়াছিন, ছোটন বড়ুয়া, সঞ্জু দাশ প্রমূখ।
এসময় সভাপতি’র বক্তব্যে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমী বলেন, তিনি কখনও নিজের স্বার্থের কথা ভাবেননি, ভেবেছেন দেশের মানুষের কথা। ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আজীবন সোচ্চার এই অবিসংবাদিত নেতাকে রাজনৈতিক জীবনে বহুবার কারাবরণ করতে হয়। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ও পরবর্তীতে ১১ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এবং বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ করেন। তাঁর সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাঙালি জাতি মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে। বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। যা ইউনেস্কোর ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রার এ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
এন-কে


আপনার মতামত লিখুন