খুঁজুন
, ,

আইভরি কোস্টকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে নরওয়ে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 8:00 am
আইভরি কোস্টকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে নরওয়ে

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে নরওয়ের রূপকথা শেষ ৩২ এ ফুরিয়ে যায়নি। ডালাস স্টেডিয়ামে তারা আইভরি কোস্টকে হারিয়েছে। আর্লিং হালান্ডের গোলে ২-১ ব্যবধানে শেষ ষোলোর টিকিট কেটেছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি। কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে ব্রাজিলের সামনে তাদের কঠিন পরীক্ষা।

প্রথমার্ধে আর্লিং হালান্ডের কপাল খারাপই বলতে হয়। তৃতীয় মিনিটে বক্সের সেন্টার থেকে তার একটি হেড ব্লকড। বিরতির তিন মিনিট আগে পা বাড়িয়ে দিয়ে তার নিশ্চিত গোল ঠেকালেন আইভরি কোস্টের এক ডিফেন্ডার। মাঝে তার একটি ট্রেডমার্ক হেড সেভ করেন প্রতিপক্ষ গোলকিপার।

নরওয়ের গোলমেশিন গোল না পেলেও শেষ ৩২ এর ম্যাচে আইভরি কোস্ট পেছনে পড়েছে। মার্টিন ওডেগার্ডের অ্যাসিস্টে ৩৯ মিনিটে আন্তোনিও নুসা বক্সের বাম দিকে বল পেয়ে পায়ের কাজ দেখিয়ে কিছু জায়গা বের করেন। তারপর ডান পায়ের কোণাকুনি শটে ফোফানাকে পরাস্ত করে বিশ্বকাপে নরওয়ের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হলেন তিনি। নুসার একমাত্র গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফেরা দলটি।

আর ওডেগার্ড বিশ্বকাপ ইতিহাসের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে নিজের প্রথম তিন ম্যাচেই অ্যাসিস্টের কীর্তি গড়লেন। তার আগে ১৯৮৬ ও ২০০২ সালে যথাক্রমে এই রেকর্ড গড়েন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইগোর বেলানোভ ও জার্মানির মাইকেল বালাক।

আইভরি কোস্টও নরওয়ের বক্সে আক্রমণ করেছিল। কিন্তু লক্ষ্যে ছিল না বল। ২১ মিনিটে ঘিসলাইন কোনানের ডানপায়ের শট কাছের পোস্ট দিয়ে বাইরের জালে জড়ায়। সাত মিনিট পর নিকোলাস পেপের ডান পায়ের শট বাঁ দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৩৫ মিনিটে এমানুয়েল আগবাদুর বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট রুখে দেন নরওয়েজিয়ান কিপার ওরহান নাইলান্ড। শেষ মুহূর্তে তার একটি হেড অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়।

৫৫তম মিনিটে পেপে বক্সের মাঝখান থেকে বাম পায়ে শট নেন। নাইলান্ড সেটি ডানদিকের নিচু কোণা দিয়ে চমৎকারভাবে বাঁচিয়ে দেন। আইভরি কোস্টের এটিই ছিল ততক্ষণ পর্যন্ত ম্যাচের সেরা সুযোগ। নরওয়ের বক্সে হেগেম একটি শট ব্লক করার পর বলটি ফাঁকায় পেপের কাছে চলে আসে, কিন্তু নাইলান্ড কাছের পোস্টে দুর্দান্তভাবে বলটি আটকে দেন।

দুই মিনিট পর ফ্রাঙ্ক কেসির বক্সের মাঝখান থেকে নেওয়া ডান পায়ের শট নাইলান্ড ডানদিকের নিচু কোণায় রুখে দেন। এই শটটিতে অ্যাসিস্ট করেছিলেন পেপে।

৬৭তম মিনিটে একেবারে গোলমুখ থেকে নরওয়ের সুযোগ ফিরে আসে। হেগেমের বক্সের মাঝখান থেকে নেওয়া ডান পায়ের শটটি প্রতিহত হয়। গোলটা না হওয়া ছিল বিস্ময়কর। কর্নার থেকে সরলথ বলটি ফ্লিক করে হেগেমের দিকে বাড়িয়ে দেন এবং হেগেম মাত্র চার গজ দূর থেকে একটি নিচু ভলি মারেন। কিন্তু গোল লাইনের ওপর থাকা আমাদ দিয়ালো বলটি আটকে দেন এবং শেষ মুহূর্তে বিপদমুক্ত করে আইভরি কোস্ট।

৭৪তম মিনিটে নরওয়েকে ধাক্কা দেয় আফ্রিকানরা। দিয়ালো ডানপ্রান্ত থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পেপের সাথে ওয়ান-টু খেলে বক্সে ঢোকেন। কিছুক্ষণ আগে গোললাইনে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত গোল বাঁচানো ম্যানইউ তারকা একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কোণাকুণি শটে গোলরক্ষক নাইলান্ডকে পরাস্ত করে ম্যাচে সমতা ফেরান।

তবে সমতা বেশিক্ষণ থাকেনি। ৮৬তম মিনিটে হালান্ড ঠিক সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় হাজির হয়ে যান। অস্কার ববের ডিফেন্স-চেরা পাসের পর প্যাট্রিক বার্গের কাট-ব্যাক থেকে একদম কাছ থেকে আলতো টোকায় বল জালে জড়ান তিনি। নরওয়ের হয়ে এটি তার ৫৩ ম্যাচে ৬০তম গোল এবং এই বিশ্বকাপের পঞ্চম গোল।

একেবারে শেষ মুহূর্তে নরওয়ের রক্ষাকর্তা হন নাইলান্ড। ৯৬তম মিনিটে দিয়ালো ফ্রি কিকে বক্সের বাইরে থেকে বাম পায়ে শট নেন। ডানদিকে দুই কদম সরে উড়ে গিয়ে বাম হাতে বল বাম কোণার ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দিয়ালোর নেওয়া শটে বল নিশ্চিতভাবেই উঁচু কোণা দিয়ে জালে জড়াতো। কিন্তু নাইলান্ড ত্রাতা হয়ে এসে রুখে দিলেন।

নরওয়ে জিতলেও আইভরি কোস্ট মোট শট নিয়েছিল ১৪টি, বিপরীতে প্রতিপক্ষের শট ছিল ৯টি। মূলত গোলকিপার নাইলান্ড চার সেভে দ্য এলিফ্যান্টদের রুখে দিয়েছেন। আগামী ৬ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে ইউরোপিয়ান দেশটি।

এর আগে নিজেদের শেষ বিশ্বকাপেও শেষ ষোলোতে উঠেছিল নরওয়ে। ১৯৯৮ সালে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে শেষ ষোলোতে তারা ইতালির কাছে ১-০ গোলে হেরে যায়। ওই আসরেই ব্রাজিলকে গ্রুপ ম্যাচে পরাজিত করেছিল তারা।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।