বন্দর থানা আ’লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপন
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বন্দর থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কেক কাটা কর্মসূচী, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় সংগঠন কার্যালয়ে মোঃ কামাল ইছাকী’র সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ ইলিয়াছের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব জহুর আহমদ।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ৩৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক মোঃ ইস্কান্দার মিয়া, ৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ জানে আলম, আবদুর রহমান মিয়া, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজ কল্যান সম্পাদক মোরশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক সাহেদ বশর, এস এম আবু তাহের, মোঃ রফিক, সরওয়ার জাহান চৌধুরী, নুর হোসেন, মোঃ ইউছুপ, টিসু মল্লিক, ইঞ্জিনিয়ার আরফাত জামাল বিপ্লব, আবদুল মান্নান চৌধুরী, মোঃ নাছির, দেলোয়ার হোসেন ভান্ডারী, সাইফুল ইসলাম সোহেল, আবু ছিদ্দিক, সিরাজুল ইসলাম বাটু, মোঃ এসকান্দর, আনোয়ারুল হক রাজু, তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, মোস্তফা পলিন, মোঃ সাদ্দাম হোসেন, মোঃ শরিফ প্রমূখ।
সভায় বক্তাগণ বলেন বঙ্গবন্ধুর জীবনের লক্ষ্য ছিলো বাঙ্গালি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি। আর সে অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যই সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন তিনি। আর তাই বাঙালির অধিকার আদায়ের কথা বলতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে বঙ্গবন্ধুকে। বঙ্গবন্ধুর মতো এতো ত্যাগী রাজনীতিবিদ সেজন্য সারা বিশ্বে বিরল। আর বঙ্গবন্ধুর দৃঢ়চেতা মনোভাবের কারণেই বাঙালি মাত্র নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে একটি স্বাধীন দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। বিপরীত দিকে পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে পাকিস্তানি ও তাদের দোসররা পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে উঠে বঙ্গবন্ধুর উপর। তারা ছলে বলে কৌশলে বিভিন্ন ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে থাকে। অবশেষে তারা তাদের কুটকৌশলে সফল হয়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট অত্যন্ত নির্মমভাবে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর আদর্শকে কোনদিনও হত্যা করতে পারেনি ষড়যন্ত্রকারীরা। সেজন্য সবাইকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও জীবনাচরণ মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তাগণ।
আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে বঙ্গবন্ধুর ১০২তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়। পরে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন