খুঁজুন
, ,

উত্তর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ফটিকছড়ির তৈয়ব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 26 November, 2019, 10:16 pm
উত্তর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ফটিকছড়ির তৈয়ব

এম.জুনায়েদ: চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন আগামী ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন কারণে এবারের সম্মেলন বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই জোর আলোচনা চলছে সর্বোচ্চ পদ সভাপতি-সম্পাদক পদে কারা প্রার্থী হচ্ছেন।

এখন পর্যন্ত সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম. এ সালাম আলোচনায় রয়েছেন।

কিন্তু সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় এ পদটিতে কে আসছে তা নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। উত্তর জেলার আওতাধীন সাত উপজেলা থেকে অন্তত অর্ধ ডজন নেতা এ পদে প্রার্থী হতে নানাভাবে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতির উর্বর ভূমি হিসেবে পরিচিত ফটিকছড়ি উপজেলা থেকে এখন পর্যন্ত সভাপতি পদে কারো নাম শোনা না গেলেও সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান কমিটির সদস্য, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম ও ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সাবেক ছাত্রনেতা হোসাইন মুহাম্মদ আবু তৈয়বের নাম বেশ আলোচিত হচ্ছে।

এর মধ্যে আবু তৈয়ব ৮০ দশকে চট্টগ্রামের রাজনীতির মাঠে আলোচিত ছাত্রনেতা। সে সময় জামাত-শিবির অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে খ্যাত ফটিকছড়িসহ সমগ্র চট্টগ্রামে আওয়ামী রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে বেশ কয়েকবার জামাত-শিবিরের হাতে মৃত্যুর মুখোমুখি হন তিনি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে ছাত্রলীগের সুসংগঠিত ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলে দলীয় হাইকমান্ডের নজর কাড়তে সক্ষম হন।

পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ও ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ গত উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আবু তৈয়ব।

এবার বৃহত্তর চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন আশির দশকের এ ছাত্রনেতা। তিনি পদটি পেতে দলের হাইকমান্ডে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে তৃণমূল নেতাকর্মীরাও আবু তৈয়বকে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত করছেন।
উত্তর জেলার আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলার নেতৃস্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পরিক্ষিত সৈনিক আবু তৈয়ব জীবনে একাধিকবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। চট্টগ্রামের মাটিতে আওয়ামী রাজনীতিকে ছড়িয়ে দিতে ছাত্রজীবন থেকেই জীবনবাজি রেখে কাজ করছেন। জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালনকালে তিনি দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন।’

তারা আরো বলেন, আবু তৈয়ব তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন নেতা। তিনিই আমাদের (তৃণমূল নেতাকর্মী) সুখ-দুঃখ বুঝতে সক্ষম হবেন। সব মিলিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে আবু তৈয়বের বিকল্প নেই।’

এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানাভাবে আবু তৈয়বের পক্ষে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তার কর্মী-সমর্থকরা।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের আসন্ন সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হোসাইন মুহাম্মদ তৈয়বের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমার জীবন-যৌবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ব্যয় করেছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে কোনো মুহুর্তেই আপোষ করিনি। অতীতে দলের যেসব দায়িত্ব পেয়েছি, তা নিষ্ঠার সাথে পালন করতে চেষ্টা করেছি। এবারও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো জোরদার করার লক্ষে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবির প্রেক্ষিতে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, আমার অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অতীত কর্মকান্ড মূল্যায়ন পূর্বক আমার উপর আস্থা রাখবেন বলে দৃঢ় বিশ্বাস।’

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।