খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ফটিকছড়ির তৈয়ব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৯, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
উত্তর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ফটিকছড়ির তৈয়ব

এম.জুনায়েদ: চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন আগামী ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন কারণে এবারের সম্মেলন বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই জোর আলোচনা চলছে সর্বোচ্চ পদ সভাপতি-সম্পাদক পদে কারা প্রার্থী হচ্ছেন।

এখন পর্যন্ত সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম. এ সালাম আলোচনায় রয়েছেন।

কিন্তু সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় এ পদটিতে কে আসছে তা নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। উত্তর জেলার আওতাধীন সাত উপজেলা থেকে অন্তত অর্ধ ডজন নেতা এ পদে প্রার্থী হতে নানাভাবে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতির উর্বর ভূমি হিসেবে পরিচিত ফটিকছড়ি উপজেলা থেকে এখন পর্যন্ত সভাপতি পদে কারো নাম শোনা না গেলেও সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান কমিটির সদস্য, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম ও ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সাবেক ছাত্রনেতা হোসাইন মুহাম্মদ আবু তৈয়বের নাম বেশ আলোচিত হচ্ছে।

এর মধ্যে আবু তৈয়ব ৮০ দশকে চট্টগ্রামের রাজনীতির মাঠে আলোচিত ছাত্রনেতা। সে সময় জামাত-শিবির অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে খ্যাত ফটিকছড়িসহ সমগ্র চট্টগ্রামে আওয়ামী রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে বেশ কয়েকবার জামাত-শিবিরের হাতে মৃত্যুর মুখোমুখি হন তিনি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে ছাত্রলীগের সুসংগঠিত ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলে দলীয় হাইকমান্ডের নজর কাড়তে সক্ষম হন।

পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ও ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ গত উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আবু তৈয়ব।

এবার বৃহত্তর চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন আশির দশকের এ ছাত্রনেতা। তিনি পদটি পেতে দলের হাইকমান্ডে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে তৃণমূল নেতাকর্মীরাও আবু তৈয়বকে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত করছেন।
উত্তর জেলার আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলার নেতৃস্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পরিক্ষিত সৈনিক আবু তৈয়ব জীবনে একাধিকবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। চট্টগ্রামের মাটিতে আওয়ামী রাজনীতিকে ছড়িয়ে দিতে ছাত্রজীবন থেকেই জীবনবাজি রেখে কাজ করছেন। জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালনকালে তিনি দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন।’

তারা আরো বলেন, আবু তৈয়ব তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন নেতা। তিনিই আমাদের (তৃণমূল নেতাকর্মী) সুখ-দুঃখ বুঝতে সক্ষম হবেন। সব মিলিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে আবু তৈয়বের বিকল্প নেই।’

এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানাভাবে আবু তৈয়বের পক্ষে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তার কর্মী-সমর্থকরা।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের আসন্ন সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হোসাইন মুহাম্মদ তৈয়বের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমার জীবন-যৌবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ব্যয় করেছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে কোনো মুহুর্তেই আপোষ করিনি। অতীতে দলের যেসব দায়িত্ব পেয়েছি, তা নিষ্ঠার সাথে পালন করতে চেষ্টা করেছি। এবারও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো জোরদার করার লক্ষে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবির প্রেক্ষিতে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, আমার অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অতীত কর্মকান্ড মূল্যায়ন পূর্বক আমার উপর আস্থা রাখবেন বলে দৃঢ় বিশ্বাস।’

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।