খুঁজুন
, ,

ঈদের দিন বজ্রপাতে ১০ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 4 May, 2022, 1:03 am
ঈদের দিন বজ্রপাতে ১০ জনের মৃত্যু

বজ্রপাতে দেশের সাত জেলায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলে একই স্থানে তিন কিশোর মারা গেছে। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, হবিগঞ্জে দুইজন, বাগেরহাটে একজন, মেহেরপুরে একজন ও কক্সবাজারে একজন ও নোয়াখালীতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলের কা‌লিহাতী‌ উপজেলায় নদীতে গোসল করার সময় বজ্রপা‌তে তিন কি‌শোর নিহত হ‌য়ে‌ছে। এ ঘটনায় আহত হ‌য়ে‌ছে নদীর পা‌ড়ে থাকা আ‌রও দুইজন। মঙ্গলবার (৩ মে) সকা‌লে উপ‌জেলার দশ‌কিয়া ইউনিয়নের হা‌তিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘ‌টে।

যারা মারা গেছে তারা হ‌লো- উপ‌জেলার হা‌তিয়া এলাকার র‌বিউলের ছে‌লে আরিফ (১৫), আব্দুর রাজ্জাকের ছে‌লে র‌ফিক (১৪) এবং দশ‌কিয়া পূর্বপাড়া গ্রা‌মের জুলহা‌সের ছে‌লে ফয়সাল (১৬)।

দশ‌কিয়া ইউনিয়ন প‌রিষ‌দের চেয়ারম্যান মা‌লেক ভূঁইয়া ব‌লেন, ঈদের নামাজ পড়ার আগে সকা‌লে তারা নদীতে গোসল কর‌তে গি‌য়ে‌ছিল। এ সময় সেখা‌নে বজ্রপাত ঘটলে ঘটনাস্থ‌লেই একজন মারা যায়। গুরুতর আহত হয় চারজন। টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে নেওয়ার প‌থে মারা যায় র‌ফিক ও ফয়সাল‌। তাদের মরদেহ বা‌ড়িতে আনা হ‌য়ে‌ছে। এ ঘটনায় এলাকায় শো‌কের ছায়া নে‌মে এ‌সে‌ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় বাবার কবর জিয়ারত করার সময় বজ্রপাতে রনি মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলা সদরের দুর্গাপুরে এ ঘটনা ঘটে। রনি ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রনি ঈদের নামাজ আদায় শেষে বাবার কবর জিয়ারত করতে স্থানীয় একটি কবরস্থানে যান। কবর জিয়ারত করা অবস্থায় বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শ্যামল রায় জানান, হাসপাতালে আনার আগেই রনি মিয়ার মৃত্যু হয়েছে।

হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ও বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মাসুক আলী ও শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, আজমিরীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের শাহজাহান মিয়া সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যান। এ সময় হালকা বৃষ্টির সময় বজ্রপাত ঘটলে তিনি আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে শায়েস্তাগঞ্জে বজ্রপাতে সাবাজ মিয়া (২৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার লাদিয়া গ্রামের ইলিয়াস মিয়ার ছেলে। বিকেলে সাবাজ মিয়া বাড়ির পাশে ধানের জমিতে কাজ করার সময়ে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্য হয়।

বাগেরহাট

বাগেরহাটের মোংলায় কাঠ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মহির উদ্দিন শেখ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মোংলা উপজেলার আগা মাদুরপাল্টা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মহির উদ্দিন শেখ মোংলা উপজেলার মাদুরপাল্টা গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য অজিত মজুমদার জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢালিরখন্ড এলাকা থেকে জ্বালানি কাঠ নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন মহির উদ্দিন শেখ। পথিমধ্যেই বজ্রপাতের শিকার হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বলেন, বজ্রপাতে মহির নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আমরা তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করব।

মেহেরপুর

মেহেরপুর সদর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে বজ্রপাতে আব্দুর রাজ্জাক (৫৩) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার ভাই মন্টু (৪৮) আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সকালে ঈদের জামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন রাজ্জাক ও মন্টু। পথে বজ্রপাত হলে দুজনই আহত হন। এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাককে মৃত ঘোষণা করেন।

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মোখলেছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কক্সবাজার

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডীতে বজ্রপাতে শামসুল আলম (৫০) নামে এক লবণচাষির মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও একজন। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত লবণচাষি শামসুল আলম সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের নতুন মহাল মাঝের পাড়ার ইসমাইলের ছেলে। আহত দেলোয়ার একই এলালার মৃত আজম আলীর ছেলে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মনিরুল গিয়াস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি জানান, বিকেলে চৌফলদন্ডী নতুন মহাল মাঝেরপাড়ায় বৃষ্টি থেকে লবণ রক্ষা করতে গিয়ে হঠাৎ বজ্রপাতের কবলে পড়েন শামসুল আলম। তখন তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। সেখান থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

Feb2
Feb2

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ইনফান্তিনোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে জোট গঠন, ফিফাকে ‘অচল করার’ পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 8:30 am
ইনফান্তিনোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে জোট গঠন, ফিফাকে ‘অচল করার’ পরিকল্পনা

জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যেন অথৈ সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন। অথচ খুব সহজেই টানা চতুর্থবার ফিফা প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল তার। সব টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্ব বেসরকারি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা হিসাবনিকাশ পাল্টে দিলো। এই পরিকল্পনা বাতিল করেও রেহাই পাচ্ছেন না। তাকে গদি থেকে নামাতে এবার একজোট হয়েছেন উয়েফা, কনকাকাফ ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের নেতারা।

ইতালিয়ান-সুইস প্রশাসকের ওপর আস্থা হারানোর কথা ইতোমধ্যে জানিয়েছিল উয়েফা। আগামী মার্চের নির্বাচনে তাকে পুনঃনির্বাচনে সমর্থন প্রত্যাহার করেছে ইংলিশ ও ওয়েলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। এমন অবস্থায় চাকরি বাঁচানো তার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছু গণমাধ্যমের দাবি, টিকে থাকতে সোমবার হোয়াইট হাউজে ‘বন্ধু’ ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাহায্য চেয়েছেন তিনি।

আর এবার দ্য টাইস এক প্রতিবেদনে বলেছে, ইনফান্তিনো পদত্যাগ না করলে ‘ফিফাকে অচল’ করতে তিন কনফেডারেশন সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই প্রতিবেদনে যোগ করা হয়েছে, ফিফা প্রেসিডেন্ট যদি ক্ষমতায় থেকে যান এবং আগামী নির্বাচনে লড়াই করতে চান, তাহলে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করে রেখেছে তারা।

এর মধ্যে রয়েছে নিজেদের মতো করে একটি ‘বিদ্রোহী’ প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে এই তিন ফুটবল সংস্থা। আর ‘সরকারি বয়কট’ তো রয়েছেই। এর মানে তারা ফিফার সিদ্ধান্ত কিংবা পরিষদ ও কমিটি বৈঠকে থাকতে অস্বীকৃতি জানাবে।

দ্য টাইমস এক সূত্রের বরাত দিয়ে লিখেছে, ‘সবাই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে তাকে যেতেই হবে। তা না হলে আমরা তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। এর মধ্যে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাও রয়েছে – দক্ষিণ আমেরিকার বড় দেশগুলো কি ফ্রান্স বা স্পেন নাকি লেবানন বা জিবুতির সঙ্গে খেলতে বেশি পছন্দ করবে? সবাই খুব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, এখন আর পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।’

জানা গেছে, বেশ কিছু দেশ ইনফান্তিনোর ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত কেবল ১৫ দেশের সমর্থন পেয়েছেন তিনি। অথচ সপ্তাহখানেক আগেও মার্চের পুনঃনির্বাচনে দাঁড়াতে ৫৬ বছর বয়সী ২১১ ফিফা সদস্যের প্রায় সবার সমর্থন পেয়েছিলেন। জিততে তার ১০৬ ভোটের দরকার ছিল।

এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থী তার বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়াতে এগিয়ে আসেননি। অবশ্য ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত হাতে সময় আছে। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশ ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবি জানালে জরুরি ফিফা পরিষদ বৈঠক ডাকতেই হবে।