খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারা দেশে বজ্রাঘাতে ১৩ জনের প্রাণহানি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
সারা দেশে বজ্রাঘাতে ১৩ জনের প্রাণহানি

দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রাপাতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২, বগুড়ায় ১ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ২ জন এবং পঞ্চগড়ে ১ চা শ্রমিক ও জামালপুরে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন।

গাইবান্ধা

গাইবান্ধায় বজ্রপাতে রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে ৫ জন নিহত হয়েছেন।

এদের মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নে ৩ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো একজন। উপজেলার দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় একই সময় পৃথক বজ্রপাতে ফুলছড়ির জামিরার চরের ১ যুবক ও সাঘাটায় উপজেলায় ১ বৃদ্ধ নিহত হন।

সুন্দরগঞ্জে নিহতরা হলেন- ধোপাডাঙ্গা এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ওরফে সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ (১৪), ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি (১৫) এবং নবীর হোসেনের ছেলে মিজান (২০)।

এদিকে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বজ্রপাতে নম্বার আলী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামের বাসিন্দা।

অন্যদিকে প্রায় একই সময়ে ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের জামিরা চরে বজ্রপাতে নিহত মানিক হোসেন (২২) ওই এলাকার শুক্কুর আলীর ছেলে।

তিনি একটি ঘোড়া নিয়ে বালু চর ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। বজ্রপাতে তিনিসহ ঘোড়াটিও মারা যায়। স্থানীয় একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার মাহফুজা জান্নাতি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বজ্রাঘাতে নারী-পুরুষসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার বিকেলে উপজেলার কোষাডাঙ্গীপাড়া ও নিয়ামতপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের রশিদুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা আক্তার দুপুরে ফসলি মাঠে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলে মারা যান। অপরদিকে কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে ইলিয়াস আলী (৩৭) বিকেলে নিজ জমির ফসল দেখতে যান। এসময় বজ্রাঘাতে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম জানান, পীরগঞ্জে বজ্রাঘাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

পঞ্চগড়

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে চা-বাগানে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে সোহরাওয়ার্দী (৩৫) নামের এক চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুই চা শ্রমিক। আজ সকালে আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, সোহরাওয়ার্দীসহ কয়েকজন শ্রমিক চা-পাতা তুলতে বাগানে যান। কাজ করার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে সোহরাওয়ার্দী তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু হয়।

আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মতিয়ার রহমান জানান, বজ্রাঘাতে নিহত চা শ্রমিকের সুরতহাল করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে কৃষক আব্দুল হামিদ (৫০) ও রায়গঞ্জ উপজেলা ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিক চাঁন গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে কৃষক হাসান আলী (২৪)। মাধাইনগর ইউপির সদস্য শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, কৃষক আব্দুল হামিদ বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির পাশে মাঠে কাজ করছিলেন। ওই সময় বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

জামালপুর

জামালপুরের সদর ও মেলান্দহ উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে এক কৃষক ও গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন মেলান্দহ উপজেলার কড়ইচড়া গ্রামের মর্জিনা বেগম (৪০)। তিনি ওই এলাকার রাজীবের স্ত্রী। আরেকজন সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকার কৃষক হাসমত আলী (৪৫)। তিনি ওই এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায় , মর্জিনা বেগম বাড়ির উঠানে রান্নাঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় কৃষক হাসমত আলী মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

Feb2

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিল স্কটল্যান্ড। বিপরীতে তাদের প্রতিপক্ষ হাইতি ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের টিকিট কাটে। যেখানে ২৮ বছর পর খেলতে নামা স্কটিশরা ৩৬ বছর পর মেগা ইভেন্টে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। এমনকি ‘সি’ গ্রুপের শক্তিশালী দুই দল ব্রাজিল-মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করায় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন স্কটল্যান্ড।

আজ (রোববার) ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে জন ম্যাকগিনের গোলে হাইতিকে ১-০ গোলে হারাল ইউরোপীয় দেশটি। যদিও ২৮তম মিনিটে ম্যাকগিনের শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিডকে পরাস্ত করে আসে স্কটল্যান্ডের জয়সূচক গোলটি।

১৯৯০ সালের পর স্কটিশরা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। অবশ্য মাঝে তারা বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি ২৮ বছর। শেষবার তারা সুইডেনকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। অন্যদিকে, ১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে হাইতি। তবে এখনও বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্টের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

স্কটল্যান্ডের হয়ে ম্যাকগিনের গোলটি আসে বক্সের ভেতরে চে অ্যাডামসের মিস করা শট থেকে। বলটি হাইতির গোলরক্ষক প্লাসিডের গায়ে লেগে ফাঁকা জায়গায় চলে যায়। ১৩ গজ দূর থেকে ম্যাকগিনের নেওয়া শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে প্রবেশ করে। এর আগে অবশ্য ম্যাচের ১৭তম মিনিটেও গোলের খুব কাছে ছিল স্কটল্যান্ড। অধিনায়ক স্কট ম্যাকটমিনে ফাঁকা জায়গা পেয়ে শট নেন, তবে সেটি পোস্টের উপরের অংশ ছুঁয়ে বাইরে চলে যায়।

হাইতি কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে দ্বিতীয়ার্ধে। ৭৪তম মিনিটে রুবেন প্রভিডেন্সের ক্রস থেকে উইলসন ইসিডর বল জালে পাঠানোর চেষ্টায় সফল হতে পারেননি। এরপর ৮৪তম মিনিটে ফ্রান্টজডি পিয়েরোর হেড অল্পের জন্য বাম পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।

আগামী ২০ জুন পরবর্তী ম্যাচে স্কটল্যান্ড জিলেট স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে। একইদিন ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির প্রতিপক্ষ হবে ব্রাজিল।

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট, ড্রয়ে বিশ্বকাপ শুরু ব্রাজিলের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট, ড্রয়ে বিশ্বকাপ শুরু ব্রাজিলের

বিশ্বকাপের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচেই মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সেলেসাওদের।

নেইমারকে ছাড়া মরক্কোর বিপক্ষে খেলতে নামা ব্রাজিল শুরুতে ছিল ছন্নছাড়া। অন্যদিকে শুরু থেকেই গোছানো ফুটবল খেলতে থাকে মরক্কো। আর ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই গোল পেতে পারত আফ্রিকার দেশটি। বাম প্রান্ত থেকে ছোট ছোট পাসের মাধ্যমে আক্রমণে উঠে তারা।

ব্রাজিলের ডি-বক্সে বল পেয়েও যান মরক্কোর তরুণ মিডফিল্ডার বেনজামিন এল আইনুই। বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পোস্ট লক্ষ্য করে শটও নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দেয়াল হয়ে সামনে দাঁড়িয়ে যান সেলেসাও ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস।

মরক্কোর শুরুর দাপট সামলে ক্রমেই ম্যাচে ফিরতে শুরু করে ব্রাজিল। সেলেসাওদের এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে মরক্কোর ডি-বক্সে দারুণ এক সুযোগও তৈরি হয়েছিল। সতীর্থের দেওয়া লফটেড পাসে দারুণ পজিশনে বল পেয়ে যান ইগর থিয়াগো। সময়মতো লাফিয়েও উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু বলের সঙ্গে ঠিকঠাক সংযোগ করতে পারেননি এই স্ট্রাইকার।

এদিকে ব্রাজিল কেবল গুছিয়ে উঠছিল, ঠিক এমন সময় ম্যাচের ২১তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত লিড পেয়ে এগিয়ে যায় মরক্কো। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ব্রাহিম দিয়াজের দেওয়া চমৎকার এক পাসে বল পেয়ে ব্রাজিলের জাল কাঁপান মরক্কোর ফরোয়ার্ড ইসমায়েল সাইবারি।

অবশ্য গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ার পর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ব্রাজিলের। ঠিক ১১ মিনিট পর দুর্দান্ত এক একক নৈপুণ্যে দলকে সমতায় ফেরান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচের ৩২তম মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে মরক্কোর এক ডিফেন্ডারকে দারুণ ড্রিবলিংয়ে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে বুলেট গতির শটে গোলটি করেন তিনি। মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো ঝাঁপিয়েও সেই শট রুখতে পারেননি। ব্রাজিলের বিখ্যাত হলুদ জার্সিতে এটি ভিনিসিয়ুসের ৫০তম আন্তর্জাতিক গোল।

১-১ গোলে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দল রক্ষণ আগলে বেশ কিছু আক্রমণ চালায়। তবে প্রথমার্ধের তুলনায় কিছুটা ম্লান ছিল মরক্কো। এ সময় ব্রাজিলই বেশি ভালো খেলার চেষ্টা করে। যদিও ৯৯ মিনিটে তাদের রক্ষণে কিছুটা ভয় ছড়ায় হাকিমির দল। যোগ করা সময়ে (৯৯ মিনিট) মরক্কো মিডফিল্ডার এল আয়নাউয়ির দুরপাল্লার শট ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার না ঠেকালে ফল ভিন্ন হতে পারত।

কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিলকেও হয়তো বিশ্বকাপের যাত্রায় পয়েন্ট হারাতে হতো। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় ‘সি’ গ্রুপের দুই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও ‘আফ্রিকান ব্রাজিল’ মরক্কোকে।

শেষ মুহূর্তের গোলে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কাতারের ঐতিহাসিক ড্র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ
শেষ মুহূর্তের গোলে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কাতারের ঐতিহাসিক ড্র

ম্যাচের ঘড়িতে তখন চলছে যোগ করা সময়ের খেলা। ডাগআউটে সুইসরা যখন ৩ পয়েন্ট পাওয়ার আনন্দে উৎসব শুরুর অপেক্ষায়, ঠিক তখনই ঘটল সেই নাটকীয়তা। সুইজারল্যান্ডের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলে ১-১ ব্যবধানে ঐতিহাসিক ড্র আদায় করে নিল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতার।

আর এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট পেল কাতার। এর আগে যতবার খেলেছে, প্রতিটি ম্যাচেই হেরেছে কাতার।

ম্যাচের শুরু থেকেই কাতারকে চেপে ধরা সুইজারল্যান্ড কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেয়েছিল প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটের মাথায়। ডি-বক্সের ভেতর ফাউল করায় ভিএআর চেকের মাধ্যমে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদাকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলো। এই গোলের মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম পেনাল্টি গোলের ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছিল সুইজারল্যান্ড।

১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে অল-আউট ফুটবলের চেষ্টা করে কাতার। সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জিদের কড়া রক্ষণভাগের সামনে বারবার তাদের আক্রমণগুলো থমকে যাচ্ছিল। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষেও যখন স্কোরলাইন ১-০, তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।

ইনজুরি টাইমে সুইজারল্যান্ডের ডি-বক্সের ভেতর এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে সুইস রক্ষণভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবিশ্বাস্য এক গোল করে কাতারকে সমতায় ফেরায় তাদের স্ট্রাইকার। গ্যালারিতে থাকা হাজারো কাতার সমর্থককে উল্লাসে ভাসিয়ে রেফারির শেষ বাঁশির সাথে সাথেই ১-১ গোলের সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।