খুঁজুন
, ,

মিরসরাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সন্তোষজনক উন্নতি-জনমনে স্বস্থি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 14 May, 2022, 5:06 pm
মিরসরাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সন্তোষজনক উন্নতি-জনমনে স্বস্থি

মিরসরাইয়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি গত এক বছরের তুলনায় গত ৩মাসে সন্তোষজনক উন্নতি হয়েছে। এতে কিছুটা স্বস্থি ফিরে এসেছে স্থানিয়দের মাঝে। পূর্বের মতো প্রতিনিয়ত চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, দস্যুতা তেমন একটা নেই বললে চলে।

গত কয়দিন আগেও যেখানে প্রতিদিন ধারাবহিক ভাবে মোটরসাইকেল, সিএনজি ও দোকান চুরি, ছিনতার সহ লুটপাট হতো গত ৩ মাসে তেমন কোন ঘটনা না ঘটায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরিবর্তন বা উন্নয়ন হয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়।

চুরি ছিনতাই না থাকায় কিছুটা হলেও স্বস্থির নিস্বাস নিতে পেরে শুকরিয়া প্রকাশ করেছেন স্থানিয় দোকান মালিক, খামারি, ব্যবসায়ি ও সাধারণ মানুষ।

কারন হিসেবে জানা গেছে, মিরসরাই থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন দ্বায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে থাকে। গত ৬ মার্চ তিনি বদলি হয়ে মিরসরাই থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার দ্বায়িত্ব পান।

দ্বায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে থানা এলাকায় ওয়ারেন্টভূক্ত দাগী আসামীদের দড়পাকড় শুরু করেন। ৩ মার্চ থেকে গত ১৪ মে পর্যন্ত গত ৩ মাসে তিনি প্রায় ১ শ ৫০ জন আসামী গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠাতে সক্ষম হন।

এছাড়া তিনি, ১৭ হাজার ২শ ৭৫ পিস ইয়াবা, ১শ৬০ লিটার ছোলাই মদ, ৯ লিটার বিদেশী মদ ও ২ কেজি গাজা উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু পূর্বক হাজতে প্রেরণ করেন।

দাগী চিহ্নীত সন্ত্রাসী ও আসামীদের দড়পাকড়ের কারনে তাদের পোষ্য অনুসারীরা গাঢাকা দিতে বাধ্য হয়েছে। অপরাধীরা গা ঢাকা দেওয়ায় অপরধের মাত্রা কমেছে বলে মত প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

মিরসরাইয়ের সাহেরখালী ইউনিয়নের উপকুলিয় এলাকা সাহেরখালী বেড়ি বাঁধের দোকান মালিক জয়নাল আবেদিন জানান, গত ৩ মাস আগেও এখানে প্রতিনিয়ত চুরি ও লুটপাট চলতো। কিন্ত এখন এখানে দোকানিরা খুব সুখে শান্তিতে তাদের ব্যবসায় পরিচালনা করছে। কেনাকাটা না থাকলেও শান্তি, চুরির ভয় নেই। চিহ্নীত চোরদের এখন এলাকায় দেখা যায় না।

মিঠানালা পাত্তার পুকুর এলাকার মুদি দোকানি এনায়েত হোসেন আরিফ জানান, বাজার এলাকায় স্থানিয় উঠতি বয়সের কিশোরগ্যাং এর সন্ত্রাসীরা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে অরাজগতা চালাত। ৩ মাস আগেও বাজারের মধ্যে বোমা ফাটিয়ে ভিতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। কিন্তু গত ৩মাস এরা গাঢাকা দিয়েছে।

মিরসরাই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, আমি মিরসরাই থানায় যুক্ত হওয়ার পর থেকে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মোতাবেক ১শ ৫০জন আসামী গ্রেপ্তার করেছি। তার মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামী ৬৫জন, জিআর ৩২জন, সি আর ২২ জন, সাজা প্রাপ্ত জিআর ২জন, সাজা প্রাপ্ত সিআর ২জন ও মাদক মামলায় ১৬জন কে গ্রেপ্তার করি।

এছাড়া প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত মিরসরাই থানা পুলিশের ৮টি টহল টিম পুরো থানা সারা রাত নির্ঘুম ডিউটি করে। চিহ্নীত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও পুলিশি সচেতনতার কারনে অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রনে আনতে পেরেছি বলে মনে করছি।

স্থানিয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের সহযোগীতা পেলে মিরসরাই থানাকে অপরাধ মুক্ত রাখতে পারবো বলে আশা করছি।

মিরসরাই সার্কেল এএসপি লাবিব আব্দুল্লাহ জানান, আমি গত দেড় বছর আপনাদের দুই থানার দ্বায়িত্বে আছি। তবে এটা সত্য যে মাঝখানদিয়ে হঠাৎ করে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও দস্যুতার ঘটনা বেড়ে গিয়েছিল। আমরা নিয়ন্ত্রনে চেষ্টা করেছি, মহাসড়কে চালককে জিম্মিকরে গাড়ি ডাকাতির ঘটনায় কসবা থেকে গাড়ি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।

কক্সবাজার থেকে সিএনজি উদ্ধার করেছি, বেশ কয়েকটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছি। কাজের প্রয়োজনে মিরসরাই থানায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজ করতে অনেক আগ্রহী, সে অনেক পরিশ্রমী, অনেক আসামীকে চিহ্নীত করে গ্রেপ্তার করেছে।

বর্তমানে তার সুফল পাওয়া যাচ্ছে, মোটরসাইকেল ও সিএনজি চুরি একপ্রকার বন্ধ রয়েছে। মহাড়কে ডাকাতির ঘটনা ইদের সময়েও ঘটেনাই এটা বিশাল ব্যাপার। বাকি দুচারটা ব্যাতিক্রম ঘটনা যা ঘটে তাও আমরা নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করছি।

২৪ ঘন্টা/রাজীব

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।