ফটোসাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মে, ২০২২, ১২:৪১ রাত
ফটোসাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

হাটহাজারী থানাধীন দক্ষিণ পাহাড়তলীর ৩নং বাজারে পাহাড়ি ভূমির মাটি কেটে বিক্রি বন্ধের প্রতিবাদের জেরে মো. জাহাঙ্গীর আলম ও তার পরিবারের ওপর হামলা চালিয়েছে ভূমিদস্যু একটি চক্র। হামলায় জাহাঙ্গীর ও তার পরিবারের সদস্যরা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে হাটহাজারী মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।

শনিবার (১৪ মে) হাটহাজারী থানাধীন দক্ষিণ পাহাড়তলী সাকিনের মিজানুর রহমানের বসত ঘরে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায় দলবদ্ধ চক্রটি। পরে থানায় গিয়ে নিজে বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। জাহাঙ্গীর আলম দৈনিক সাঙ্গু পত্রিকার ফটোসাংবাদিক হিসেবে কর্মরত আছেন।

স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে পাহাড়ি ভূমির মাটি কেটে বিক্রি করে আসছে চক্রটি। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, তার ছোট বোন নাসিমা বেগমের (৩৫) স্বামী মো. মিজানুর রহমানের প্রতিবেশিরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে দীর্ঘদিন প্রশাসনের লোকদের দৃষ্টির আড়ালে থেকে মাদক ক্রয়-বিক্রিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনা সংগঠিত করে আসছে।

এ বিষয়ে ফটোসাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন. তারা দীর্ঘদিন এলাকায় একটি সঙ্গবদ্ধদল পাহাড়ি মাটি কেটে ফ্লট-বিক্রয়ের কাজ করে যাচ্ছে। আমি আমার পেশাগত কাজ করতে গেলেই আমাকে লাঠিসোটা দিয়ে আঘাত করে। আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছি।

অভিযুক্তরা হলেন, ইমরানে হোসেনের ছেলে মো. রবিউল হোসেন (৩০), আবুল কাশেমের দুই ছেলে মো. মহিন (৩৫) ও মো. খালেক (৩৭), মোসাম্মৎ কালুনি (৪০) এবং আনোয়ারা বেগম (৪২)। অভিযুক্তরা হাটহাজারী থানার দক্ষিণ পাহাড়তলীর ৩নং বাজার রবি টাওয়ার সংলগ্ন ১নং ওয়ার্ডের কাশেমের বাড়ির বাসিন্দা। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

Feb2
Feb2