খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়িতে বিদ্যালয়ের মাটি কেটে নেয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে; অভিযুক্তকে রক্ষায় তৎপর প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
ফটিকছড়িতে বিদ্যালয়ের মাটি কেটে নেয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে; অভিযুক্তকে রক্ষায় তৎপর প্রশাসন

ফটিকছড়ির দাঁতমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিটে থেকে মাটি কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। স্কুলের সাবেক ও বর্তমান দুই প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে দাঁতমারা বনবিটের সদ্য সাবেক বিট কর্মকর্তা ইউনুচ ফরেষ্টার প্রকাশ মাল্টা ইউনুচ এসব মাটি কেটে নিয়ে যায়।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় স্কুলের পুরাতন ভবনের ভিটে থেকে প্রায় তিন ফুট গভীর গর্ত করে প্রায় ৩০ গাড়ী মাটি কেটে লুট করে নিয়ে গেছে ইউনুচ ফরেষ্টার।

স্থানীয় জনতার প্রতিরোধে গত ২৯ মে মাটি কাটা বন্ধ হলেও এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে আইনি কোন পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলেও এখনো কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উল্টো মাল্টা ইউনুচকে বাঁচাতে দায়সারা গোচর তদন্তের নামে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসানুল কবির।

তিনি সাবেক ও বর্তমান দুই প্রধান শিক্ষকের সাথে গোপন আতাঁত করে ইউনুচ ফরেষ্টারকে বাঁচাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে জিডি করার পাঁয়তারা করছেন।

এদিকে মাটি কাটার বিষয়ে জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও পরিবেশ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিদ্যালয়ের এসএমসির সাবেক অভিভাবক সদস্য ও বিদ্যালয়ের জমি দাতার ওয়ারিশ আবু মুছা।

এর আগে গত ২৯ মে এবং ৬ জুন তিনি বিষয়টি মৌখিকভাবে উপজেলা প্রশাসন এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও গত ১৫ দিনেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় সর্বশেষ গত ১২ জুন তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এদিকে এ ব্যাপারে প্রতিবাদ এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করায় অভিযোগকারী আবু মুছাকে স্থানীয় একটি সিন্ডিকেট নানাভাবে সামাজিক চাপ প্রয়োগ করাসহ হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগকারী আবু মুছা জানান, বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সবধরনের তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করার পরেও তারা কোন ব্যবস্থা না নিয়ে পক্ষপাত মূলক আচরন করছে। বর্তমানে এ বিষয়ে অভিযোগ এবং প্রতিবাদ করে উল্টো হয়রানির মুখে পড়েছেন তিনি। এ ছাড়া অভিযোগ তুলে নিতেও চাপ দিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন রাজনেতিক নেতাকে দিয়ে।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভাঙ্গার জন্য দরপত্র দেয়া হয়। মেরাজ ট্রেডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান পুরাতন ভাঙ্গার কার্যাদেশ পায়। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ভবনের সরঞ্জামাদি নিয়ে যাওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সরঞ্জামাদি নিয়ে আসে। এর পর সাবেক ও বর্তমান দুই প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে ইউনুচ ফরেষ্টার স্কুলের ভিটের মাটি কেটে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ইউনুচ ফরেষ্টার প্রথমে মাটি কিনে নিয়েছে দাবি করলেও পরবর্তীতে তা অস্বিকার করেন। কি মুলে মাটি কেটেছেন এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে না পারলেও ২০ গাড়ী মাটি নেয়ার কথা স্বীকার করে তিনি সাংবাদিকদের জানান সাবেক প্রধান শিক্ষক আবু তালেবের মধ্যস্ততায় এসব মাটি কেটে নিয়ে গেছেন তিনি।

স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবু তালেব এবং বর্তমান প্রধান শিক্ষক রহিমা বেগম বিষয়টি অবগত নন বলে জানান। তবে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রহিমা বেগম বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে।

এদিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, মাটি কাটার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর স্থানীয় একটি মহলের পরামর্শে স্কুলের দুই (সাবেক ও বর্তমান) প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে গত রোববার রাতে ইউনুচ ফরেষ্টার পিকাপ ভর্তি এক গাড়ী মাটি অন্য এলাকা থেকে এনে স্কুলের ভিটের মাটি কেটে নেয়ার স্থানে ফেলেন।

এ বিষয়ে রাতে দাঁতমারা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে জানানো হলেও তারা রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। পরবর্তীতে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের প্রতিরোধে তা বন্ধ হয়ে যায়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…