খুঁজুন
, ,

ফটিকছড়িতে বিদ্যালয়ের মাটি কেটে নেয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে; অভিযুক্তকে রক্ষায় তৎপর প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 June, 2022, 3:25 pm
ফটিকছড়িতে বিদ্যালয়ের মাটি কেটে নেয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে; অভিযুক্তকে রক্ষায় তৎপর প্রশাসন

ফটিকছড়ির দাঁতমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিটে থেকে মাটি কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। স্কুলের সাবেক ও বর্তমান দুই প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে দাঁতমারা বনবিটের সদ্য সাবেক বিট কর্মকর্তা ইউনুচ ফরেষ্টার প্রকাশ মাল্টা ইউনুচ এসব মাটি কেটে নিয়ে যায়।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় স্কুলের পুরাতন ভবনের ভিটে থেকে প্রায় তিন ফুট গভীর গর্ত করে প্রায় ৩০ গাড়ী মাটি কেটে লুট করে নিয়ে গেছে ইউনুচ ফরেষ্টার।

স্থানীয় জনতার প্রতিরোধে গত ২৯ মে মাটি কাটা বন্ধ হলেও এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে আইনি কোন পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলেও এখনো কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উল্টো মাল্টা ইউনুচকে বাঁচাতে দায়সারা গোচর তদন্তের নামে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসানুল কবির।

তিনি সাবেক ও বর্তমান দুই প্রধান শিক্ষকের সাথে গোপন আতাঁত করে ইউনুচ ফরেষ্টারকে বাঁচাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে জিডি করার পাঁয়তারা করছেন।

এদিকে মাটি কাটার বিষয়ে জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও পরিবেশ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিদ্যালয়ের এসএমসির সাবেক অভিভাবক সদস্য ও বিদ্যালয়ের জমি দাতার ওয়ারিশ আবু মুছা।

এর আগে গত ২৯ মে এবং ৬ জুন তিনি বিষয়টি মৌখিকভাবে উপজেলা প্রশাসন এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও গত ১৫ দিনেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় সর্বশেষ গত ১২ জুন তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এদিকে এ ব্যাপারে প্রতিবাদ এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করায় অভিযোগকারী আবু মুছাকে স্থানীয় একটি সিন্ডিকেট নানাভাবে সামাজিক চাপ প্রয়োগ করাসহ হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগকারী আবু মুছা জানান, বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সবধরনের তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করার পরেও তারা কোন ব্যবস্থা না নিয়ে পক্ষপাত মূলক আচরন করছে। বর্তমানে এ বিষয়ে অভিযোগ এবং প্রতিবাদ করে উল্টো হয়রানির মুখে পড়েছেন তিনি। এ ছাড়া অভিযোগ তুলে নিতেও চাপ দিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন রাজনেতিক নেতাকে দিয়ে।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভাঙ্গার জন্য দরপত্র দেয়া হয়। মেরাজ ট্রেডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান পুরাতন ভাঙ্গার কার্যাদেশ পায়। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ভবনের সরঞ্জামাদি নিয়ে যাওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সরঞ্জামাদি নিয়ে আসে। এর পর সাবেক ও বর্তমান দুই প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে ইউনুচ ফরেষ্টার স্কুলের ভিটের মাটি কেটে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ইউনুচ ফরেষ্টার প্রথমে মাটি কিনে নিয়েছে দাবি করলেও পরবর্তীতে তা অস্বিকার করেন। কি মুলে মাটি কেটেছেন এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে না পারলেও ২০ গাড়ী মাটি নেয়ার কথা স্বীকার করে তিনি সাংবাদিকদের জানান সাবেক প্রধান শিক্ষক আবু তালেবের মধ্যস্ততায় এসব মাটি কেটে নিয়ে গেছেন তিনি।

স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবু তালেব এবং বর্তমান প্রধান শিক্ষক রহিমা বেগম বিষয়টি অবগত নন বলে জানান। তবে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রহিমা বেগম বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে।

এদিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, মাটি কাটার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর স্থানীয় একটি মহলের পরামর্শে স্কুলের দুই (সাবেক ও বর্তমান) প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে গত রোববার রাতে ইউনুচ ফরেষ্টার পিকাপ ভর্তি এক গাড়ী মাটি অন্য এলাকা থেকে এনে স্কুলের ভিটের মাটি কেটে নেয়ার স্থানে ফেলেন।

এ বিষয়ে রাতে দাঁতমারা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে জানানো হলেও তারা রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। পরবর্তীতে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের প্রতিরোধে তা বন্ধ হয়ে যায়।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।