খুঁজুন
, ,

পদ্মা সেতু নির্মাণে জড়িত সবার সঙ্গে ছবি তুলবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 June, 2022, 8:23 pm
পদ্মা সেতু নির্মাণে জড়িত সবার সঙ্গে ছবি তুলবেন প্রধানমন্ত্রী

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের কাজে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক থেকে শুরু করে সচিব পর্যন্ত সবার সঙ্গে ছবি তুলবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া সেতুতে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ দিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় একটি জাদুঘরও হবে। জাদুঘরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তোলা সবার ছবি সংরক্ষণ করা হবে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুন) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুন) ঢাকার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সভা শেষে বলেন, পদ্মাসেতু নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক থেকে শুরু করে কর্মকর্তা, কর্মচারী যারা যারা কাজ কর্মের সঙ্গে ছিলেন তাদের সঙ্গে ছবি তুলবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সচিব-মন্ত্রী সবার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ছবি তুলবেন। দরকার হয় গ্রুপে গ্রুপে ভাগ হয়ে ছবি তুলবেন। শুধু ছবি তোলা নয়, সেই সঙ্গে একটা মিউজিয়ামও হবে। সেই মিউজিয়ামে ছবিগুলো রাখা হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বড় বড় সেতুর পাশে মিউজিয়াম থাকে।

মূল্যস্ফীতিকে প্রাধান্য দিয়ে বাজেট করার একনেকের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও জানান, হাওর এলাকায় ভবিষ্যতে যে সড়ক হবে সেগুলো উড়াল সড়ক করা হবে। পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে কালভার্টের পরিবর্তে ব্রিজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

Feb2
Feb2

‘গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 2:02 pm
‘গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের আগে আমরা কিন্তু বলেছিলাম সারাদেশে অনেকগুলো কাজের মধ্যে মূল দুটো কাজ করতে চাই। একটা হচ্ছে- খাল খনন যেটা শহীদ জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন। আরেকটি হচ্ছে- বৃক্ষরোপণ, এটাও শহীদ জিয়া শুরু করেছিলেন। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াও সেই কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আমরাও এই কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাব।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একদিনের সফরে বরিশাল পৌঁছেছেন। বরিশালে পৌঁছে সকাল সাড়ে ১০টায় গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের নবখননকৃত সরিকল-বাটাজোর খালের পাড়ে পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আসার সময় দেখলাম অনেকে গাছের চারা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। খেয়াল করলাম অনেকে পলিথিনসহ গাছের চারা রোপণ করে দিয়েছেন। যারা এই কাজ করেছেন তারা দয়া করে পলিথিনে মোড়ানো গাছের চারার পলিথিনটা খুলে মাটিসহ গাছটা মাটিতে রোপণ করুন। তা না হলে তো গাছটা নষ্ট হয়ে যাবে। সেজন্য আমাদের যত্ন সহকারে এই কাজটি করতে হবে।

এসময় দেশের জলবায়ু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই যে চট্টগ্রামে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। এখন আবহাওয়ার বিষয়টা এমন কেন হচ্ছে? সারা পৃথিবীতেই আবহাওয়ার সমস্যা হচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশে বেশি হচ্ছে। আগে আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন শীতকালে যতটা শীত পড়তো এখন কিন্তু আগের মতো ততটা শীত পড়ে না। আবার গরমের সময় অনেক বেশি গরম পড়ে। এই সমস্যাগুলো যদি আমাদের সমাধান করতে হয় বা এই সমস্যাটা যদি কমিয়ে আনতে চাই তাহলে সারাদেশে অনেক গাছ লাগাতে হবে। ২০ কোটি মানুষের এই দেশে যে পরিমাণ গাছ থাকা প্রয়োজন, বর্তমানে তা নেই।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া যেই কর্মসূচিটি শুরু করেছিলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিটিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বর্তমানে বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে, আমরা অনেকগুলো কর্মসূচির পাশাপাশি এটাও সারাদেশে চালু রাখতে চাই। ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছরে আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করব। আজকে এখানে আড়াই হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে।

এছাড়া গাছের রক্ষণাবেক্ষণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, যারা চারা রোপণ করবেন তাদের দায়িত্ব কিন্তু রোপণ করেই শেষ হয়ে যায় না। একটি শিশু ভূমিষ্ঠ হলেই কিন্তু বাবা-মায়ের কাজ শেষ হয়ে যায় না। বরং শিশুটাকে যত্ন সহকারে মানুষ করাই হচ্ছে আসল কাজ। আজকের এই চারাগুলো কিন্তু শিশু গাছ, একে শিশুর মতো বড় করতে হবে। এসময় তিনি আশেপাশে বসবাসকারী ও দোকানদারদের অনুরোধ জানান যেন গাছগুলো বড় না হওয়া পর্যন্ত সবাই সেগুলোর যত্ন নেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই গাছটি যদি বড় হয় আপনি বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবেন, শান্তির ছায়ায় বসতে পারবেন। গ্রীষ্মকালে এই গাছের শীতল বাতাসের স্পর্শ পাবেন। সন্তান যত বড় হয় আপনার বুকটা ভরে উঠে আনন্দে, ঠিক এই গাছটি যখন বড় হবে দেখবেন একই রকম আপনি আনন্দ পাবেন। আসুন, আমরা যদি আমাদের এলাকাটা সুন্দর করতে চাই, দেশটা সুন্দর করতে চাই তাহলে বৃক্ষরোপণ করি সেই সঙ্গে গাছের যত্ন নেই।

বক্তব্যের শেষে তিনি সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে উপস্থিত সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চারা রোপণ করেন এবং ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস পর আজ প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে বরিশাল আসেন তারেক রহমান। তার সফরকে ঘিরে বরিশালজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রশাসন ও বিএনপির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা, কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

সফরসূচি অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পর তিনি ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ত্রিশ গোডাউন এলাকার বধ্যভূমি সংলগ্ন সাগরদী খালপাড়ে দ্বিতীয় দফায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সেখানে তিনি জিআই স্বীকৃত বরিশালের আমড়া ও নারিকেল গাছের চারা নিজ হাতে রোপণ করেন। এছাড়া খালপাড়জুড়ে শতাধিক দেশীয় ফলজ, বনজ ও ফুলের গাছ রোপণের কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। সভায় বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক নেতা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, বরিশাল সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের প্রশাসকসহ দলীয় শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।

টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 July, 2026, 9:54 pm
টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বলেছেন, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

রোববার (১২ জুলাই) চট্টগ্রামে টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শন শেষে নগরের দক্ষিণ কাট্টলীর ফইল্লাতলী বাজার সংলগ্ন লাকী স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী নগরীর ফইল্লাতলী বাজার সংলগ্ন মহেষ খাল, বারনীঘাট খাল, হালিশহর থানা রোড ও জেলেপাড়া রোড পরিদর্শন করেন।

তিনি বলেন, ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার তাৎক্ষণিক ও সমন্বিতভাবে কাজ করছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনরুদ্ধার, নিয়মিত খনন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা এ সমস্যার সমাধান করবো।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে খাল দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত করা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের ডিরেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল সংস্কার, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সরকার পারছে না, এখন দোষ দিয়ে লাভ নেই : বন্যা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 July, 2026, 6:49 pm
সরকার পারছে না, এখন দোষ দিয়ে লাভ নেই : বন্যা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বন্যা ও জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের দোভাষী বাজার এলাকায় তিনি এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

ত্রাণ বিতরণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাঙ্গে আলাপকালে দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। দেশের মানুষের এই দুর্যোগকালীন সময়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যে কারণেই হোক, সরকার পারছে না। এখন দোষ দিয়ে লাভ নেই, মূল জিনিস হচ্ছে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দল-মত নির্বিশেষে সামর্থ্যবান ও ছাত্র সমাজসহ জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও বাজেট নিয়ে বারবার কথা বলছি। কক্সবাজার, পার্বত্য অঞ্চল ও চট্টগ্রামে যখনই বৃষ্টি শুরু হয়, আমরা বিষয়টি নিয়ে সংসদে সোচ্চার হয়েছি। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রী তখন সংসদে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ব্যবস্থার কথা বললেও, বর্তমানে খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতা-কর্মীদের নিষ্ক্রিয়তায় নাখোশ বলে নিউজে দেখা যাচ্ছে। আমরা আশা করব, সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকরী উদ্যোগ নেবে।’

আনোয়ারার উপকূলীয় এলাকার বেড়িবাঁধের বেহাল দশা এবং স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতার তীব্র সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় হুইপ বলেন, ‘আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা আগে থেকেই এখানে কাজ করছেন। আমরা এসে দেখলাম, দীর্ঘ ৫–৭ দিন ধরে এখানে কয়েকশো পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অথচ স্থানীয় এমপি কিংবা প্রশাসনের কাউকে এখানে দেখা যায়নি। মানুষ কোনো ত্রাণও পায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানলাম, বেড়িবাঁধের সমস্যার কারণেই বছরের পর বছর ধরে এই কৃত্রিম বন্যা ও জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেড়িবাঁধের নামে বরাদ্দকৃত কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। তবে এবার বাজেটে বেড়িবাঁধের জন্য যে টাকা রাখা হয়েছে, তার একটা টাকাও আমরা দুর্নীতি বা লুটপাট হতে দেব না। সংসদে আমরা এই বেড়িবাঁধের কথা শক্তভাবে তুলব, যাতে বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করে দ্রুত বাঁধের কাজ শেষ করা হয়।’

চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি জানান, আনোয়ারা শেষে তারা বাঁশখালীসহ বন্যাদুর্গত অন্যান্য জেলাগুলোতেও নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

ত্রাণ বিতরণকালে স্থানীয় জনগণের উদ্দেশ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি যেকোনো প্রয়োজনে এনসিপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য জুবাইরুল আলম মানিক সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন– ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি প্রমুখ।