খুঁজুন
, ,

শ্রীলেখা’র নামে ফেক অ্যাকাউন্ট, পাঠানো হচ্ছে নোংরা ছবি!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 28 June, 2022, 12:06 pm
শ্রীলেখা’র নামে ফেক অ্যাকাউন্ট, পাঠানো হচ্ছে নোংরা ছবি!

বির্তক যেনো পিছু ছাড়তে নারাজ টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের। এবারের তার নামে ইনস্টাগ্রামে ফেক অ্যাকাউন্ট! তবে কোন ভাবে বুঝবার উপায় নেই যে সেটি ফেক অ্যাকাউন্ট। কিন্তু শ্রীলেখা বুঝিয়ে দিয়েছে সেটি তার না।

সবাইকে সর্তক করে অভিনেত্রী লিখেছেন , এই প্রোফাইল থেকে নোংরা ছবি পাঠানো হচ্ছে, তার ফলোয়ারদের!

ফেসবুকে ফেক প্রোফাইলের স্ক্রিনশট শেয়ার করে শ্রীলেখা লিখলেন, “ আমার নাম নিয়ে এই অ্যাকাউন্ড থেকে আমার কনট্যাক্ট দের ফোন করা হচ্ছে, নোংরা ছবি পাঠানো হচ্ছে। এই অ্যাকাউন্টের নামে রিপোর্ট করুন। কেউ নিশ্চয়ই আমার মানহানি করার চেষ্টা করছে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ অ্যাক্টিভ শ্রীলেখা মিত্র। জীবনের নানা সুখ-দুঃখের মুহূর্তে অনুরাগীদের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী।

এই সোশ্যাল মিডিয়াতেই দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন, পথপশুদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন ও সাহায্যের কথা বলেন। শুধু তাই নয়, অভিনয়, সমাজসেবার পাশাপাশি শ্রীলেখা ছবি পরিচালনাও করেছেন।

আর এমন একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নামে ফেক প্রোফাইল খুলে নোংরামি! হতবাক করেছে অনুরাগীদের। তবে শ্রীলেখা ছাড়ার পাত্রী নন।

এত সবের মাঝেও শ্রীলেখার ফেসবুকে এক পুরুষসঙ্গীর সঙ্গে অভিনেত্রীর ছবি দেখে গুঞ্জন শুরু হয়েছে নেটপাড়ায়। আর এই গুঞ্জনের রসদ দিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই।

তার ফিটনেস প্রশিক্ষক ত্র্যম্বকের সঙ্গে একাধিক ছবি দিয়ে পোস্ট করে শ্রীলেখা লিখেছেন, “আপনাদের চিন্তাভাবনাকে উসকে দিলাম!”

এন-কে

Feb2
Feb2

প্রশিক্ষণের পর নারীর কর্মসংস্থানের পথও দেখাতে হবে: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 7:19 pm
প্রশিক্ষণের পর নারীর কর্মসংস্থানের পথও দেখাতে হবে: ডিসি জাহিদ

নারীদের শুধু প্রশিক্ষণ দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; প্রশিক্ষণের পর অর্জিত দক্ষতা কোথায় এবং কীভাবে কাজে লাগিয়ে তাঁরা আয় করতে পারবেন, সেই পথও দেখাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

তিনি বলেছেন, বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে প্রশিক্ষণ দিলে সরকারি অর্থ ও প্রশিক্ষণার্থীদের সময় ব্যয়ের পরও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। তাই প্রশিক্ষণ দেওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট খাতের চাহিদা, কাজের সুযোগ এবং প্রশিক্ষণ-পরবর্তী সম্ভাবনা নিয়ে পরিকল্পনা ও গবেষণা থাকা প্রয়োজন।

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ‘জীবিকায়নের জন্য মহিলাদের দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’র প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, “শুধু আমাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমি ২০ জনকে প্রশিক্ষণ দিলাম—এই মানসিকতা যেন আমাদের না থাকে। যাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা কোথায় কাজ করবেন, সেই চিন্তাটাও আমাদের থাকতে হবে।”

প্রশিক্ষণের বিষয় নির্ধারণে স্থানীয় বাজারের চাহিদাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকার আর্থসামাজিক বাস্তবতা ও কাজের সুযোগ ভিন্ন। তাই একই ধরনের প্রশিক্ষণ সব জায়গায় কার্যকর নাও হতে পারে। কোন এলাকায় কী ধরনের দক্ষতার চাহিদা রয়েছে, তা যাচাই করে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সাজাতে হবে।

এ ক্ষেত্রে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও সহযোগী বেসরকারি সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে একজন নারী যদি অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ না পান এবং হতাশ হয়ে পড়েন, তাহলে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যই ব্যাহত হয়।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রশিক্ষণ গ্রহণই শেষ কথা নয়। অর্জিত দক্ষতা নিয়মিত চর্চা করতে হবে এবং সময়ের সঙ্গে বাজার ও প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে হবে।

“মানুষের চাহিদা প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। আপনি যে পণ্য তৈরি করবেন, তাতে আপনার সময়, শ্রম ও বিনিয়োগ আছে। সেই পণ্যের বাজারে চাহিদা থাকতে হবে। তাই প্রতিদিন নিজের দক্ষতা কতটুকু বাড়ালেন, নতুন কী শিখলেন—সেটিও ভাবতে হবে,” বলেন তিনি।

জেলা প্রশাসক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদের নিজেদের দক্ষতা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ারও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, একজন নারী প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজের আয় শুরু করলে সেটি তাঁর ব্যক্তিগত সফলতা। কিন্তু তাঁর অর্জিত দক্ষতার মাধ্যমে আশপাশের আরও কয়েকজন নারী উপকৃত হলে সেই উদ্যোগের সামাজিক সার্থকতা তৈরি হয়।

সেলাই মেশিন পাওয়া নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনি যখন এই সেলাই মেশিনটি পেলেন, তখনই এই কর্মসূচি সত্যিকার অর্থে সফল হবে, যখন আপনার কাছ থেকে আরও ১০ জন মানুষ প্রশিক্ষণ নেবে এবং তাঁদেরও জীবনমানের উন্নয়ন হবে।”

পরিশ্রম ও আত্মউন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, মানুষের কর্মক্ষম সময় সীমিত। তাই সুযোগ ও সময়কে কাজে লাগিয়ে নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে। শুধু সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগও নিতে হবে।

তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও মানবিক সমাজ শুধু সরকার বা কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, দেশের বড় শক্তি বিপুলসংখ্যক তরুণ জনগোষ্ঠী। এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতিকে আরও ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

নারীর দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও প্রশিক্ষণের সংখ্যা নয়, এর ফলাফলকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জেলা প্রশাসক বলেন, “আপনি যদি ১০ জনকে ভালো জায়গায় পৌঁছে দিতে পারেন, তাঁদের জীবন পরিবর্তন করতে পারেন, দেখবেন প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য মানুষ আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে আসবে।”

তিনি প্রশিক্ষণ বাস্তবায়নকারী এনজিওগুলোকে স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সেই চাহিদা তুলে ধরার আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদেরও নিজেদের প্রয়োজন ও সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। নতুন উদ্যোগ শুরু করলে প্রশাসন, সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

সমাজে মানবিকতা, মমত্ববোধ ও মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরে জাহিদুল ইসলাম বলেন, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি একটি মানবিক সমাজ গড়ার দায়িত্বও সবার। পরিবার থেকেই সন্তানদের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, মূল্যবোধ ও অন্যের প্রতি মমত্ববোধ শেখাতে হবে।

তিনি বলেন, “আমি একা ভালো থাকতে পারব না। আমার সামনে যখন একটি অমানবিক ঘটনা ঘটে, সেটি আমাকে এবং আমার পরিবেশকেও আঘাত করে। আমরা চাই, আমাদের সন্তানরা একটি সুন্দর সমাজব্যবস্থায় বেড়ে উঠুক।”

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগিতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জেলা প্রশাসক প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত দক্ষতার পরিধি আরও বাড়ানো এবং নতুন প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তন সম্পর্কে নিয়মিত জানার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “আজকের প্রশিক্ষণই শেষ নয়। এই দক্ষতাকে আরও প্রসারিত ও উন্নত করতে হবে। পৃথিবী প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়েই আপনাদের এগিয়ে যেতে হবে।”

ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত : প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর, ভোট হবে ৭ ধাপে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 5:22 pm
ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত : প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর, ভোট হবে ৭ ধাপে

সারাদেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সম্ভাব্য দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের মাধ্যমে শুরু হবে স্থানীয় সরকারের বড় এই উৎসব। মোট ৭টি ধাপে দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কমিশন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, দেশের মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে ৭টি ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত প্রাথমিক তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট নেওয়া হবে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর।

পরবর্তী ধাপগুলোর সময়সূচি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ ধাপ এবং সর্বশেষ ২৭ মে সপ্তম ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম ধাপের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রথম ধাপে দেশের ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের এই দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে। এই সিদ্ধান্তগুলো কমিশন প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করেছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও সার্বজনীন করতে সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশন বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরো কার্যক্রমের তৃতীয় ধাপে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে এই ধারাবাহিক সংলাপে বসবে ইসি।

ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসায় পুলিশ সুপার সাময়িক বরখাস্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 2:32 pm
ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসায় পুলিশ সুপার সাময়িক বরখাস্ত

ডোপ টেস্টে বেনজোডায়াজেপিনস ও অ্যামফিটামিন/মেথঅ্যামফিটামিন পজিটিভ আসায় পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার (টিআর) আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষরিত হয়।

এতে বলা হয়, পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিন বর্তমানে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ডিএসসিএসসি-২০২৬ কোর্সে অংশ নিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তিনি প্রস্থান করেন।

কোর্স চলাকালে গত ৭ জুন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার অংশ হিসেবে তার ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় Urine Benzo Diazepines (BZO) এবং Amphetamine/Methamphetamine Positive পাওয়া যায়।

আদেশে বলা হয়েছে, ডোপ টেস্টের এই ফলাফল ডিএসসিএসসি কোর্সের শৃঙ্খলার পরিপন্থি। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী এটি অসদাচরণ হিসেবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এ কারণে একই বিধিমালার বিধি অনুযায়ী ৩১ আগস্ট থেকে পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।