খুঁজুন
, ,

ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন, হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 August, 2026, 5:28 pm
ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন, হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জের ভূমি অফিস আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে উপস্থিত না থাকা এবং অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর খানপুর এলাকায় তিনটি সার্কেলের ভূমি কমিশনারের কার্যালয় পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় দুটি সার্কেল অফিসে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুপস্থিত দেখতে পান প্রতিমন্ত্রী। তবে হাজিরা খাতায় তাদের অনেকের স্বাক্ষর আগে থেকেই দেওয়া ছিল।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী অফিসের কার্যক্রম ঘুরে দেখার পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় অফিসের সার্বিক কার্যক্রম ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

আগাম হাজিরা দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে উপস্থিত না থাকলেও অনেকের হাজিরা দেওয়া হয়ে গেছে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, জনগণ দেশের প্রকৃত মালিক। তাদের সেবা দেওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব, কোনো দয়া নয়। তাই সময়মতো অফিসে উপস্থিত থেকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনগণকে সেবা দিতে হবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পৌনে ৯টায় অফিসে যান। আপনারা যদি এমন করেন, তাহলে কি আমরা সেবাটা দিতে পারব? সরকারি দপ্তরে দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না।

পরিদর্শনকালে ভূমি অফিসগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার বিষয়টিও উঠে আসে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কয়েকজন নারী কর্মকর্তা একই সঙ্গে প্রশাসনিক ও বিচারিক দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনিয়মের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেই হবে না, সরকারি সেবায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন।

সরকারি দপ্তরে জনগণকে হয়রানিমুক্ত ও যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

Feb2
Feb2

নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 August, 2026, 10:34 pm
নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডে সর্বোচ্চ নির্ধারিত বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন বেতনস্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ‘যৌথবাহিনী নির্দেশাবলী ২০২৬’ অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন বেতনস্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।

জানা গেছে, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান এবং ভারসাম্যপূর্ণ বেতন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতনস্কেল অনুমোদন করা হয়েছে।

নতুন কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত বিদ্যমান ১:১.৯৪৫ থেকে কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে।

এতে ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং ১ম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে।

বেতনস্কেলের আর্থিক প্রভাব ও মূল্যস্ফীতির বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার একযোগে পুরো বেতনস্কেল বাস্তবায়ন না করে দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের আগে বেতনস্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ভাতাগুলো ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে একযোগে কার্যকর হবে। পর্যায়ক্রমে বেতনস্কেল বাস্তবায়ন করা হলে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির চাপ প্রশমিত করা সম্ভব হবে।

নতুন বেতনস্কেলে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ওয়ান র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন (ওআরওপি) ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিপুল আর্থিক সংশ্লেষ এবং অসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আগের অবসরগ্রহণকারীদের তথ্য না থাকায় ওআরওপি একবারে বাস্তবায়ন না করে ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এর পরিবর্তে বর্তমানে অবসরভোগী পেনশনধারীদের নিট পেনশন স্ল্যাবভিত্তিক উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মাসিক ৯ হাজার টাকা বা তার কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ১০০ শতাংশ বাড়বে। ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের নিট পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়বে।

এর ফলে দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া এবং তুলনামূলক কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির পরিমাণ বেশি হবে।

প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা, সবার জন্য মোবাইল ভাতা

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রথমবারের মতো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যয় বিবেচনায় মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানো হয়েছে। এত দিন শুধু ৫ম গ্রেডের কর্মচারীরা মোবাইল ভাতা পেতেন। নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী সব গ্রেডের কর্মচারী এই ভাতা পাবেন।

নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও অসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন।

এ জন্য সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক আর্থিক ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। মিডিয়াম টার্ম বাজেট ফ্রেমওয়ার্কের (এমটিবিএফ) আওতায় সংশ্লিষ্ট অর্থবছরগুলোর বাজেটে এ অর্থের সংস্থান রাখা হয়েছে।

এদিকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতনস্কেল অনুমোদন করা হবে। সেটিও ১ জুলাই ২০২৬ থেকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর মতো ধাপে ধাপে কার্যকর হবে।

নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন, আদেশ ও নির্দেশনা জারি করবে। এতে বেতন নির্ধারণের পদ্ধতি, বিভিন্ন ভাতা, পেনশন এবং অবসর-পরবর্তী অন্যান্য সুবিধার বিস্তারিত বিধান থাকবে।

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 August, 2026, 1:07 pm
শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ডের বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট)বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য থাকলেও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে তা পিছিয়ে সোমবার (৩১ আগস্ট) দিন ধার্য করা হয়।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক বলেছিলেন, আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সাক্ষীদের জবানবন্দি, হিটু শেখের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও মেডিকেল রিপোর্টসহ উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে।

আছিয়ার মৃত্যুর পর আছিয়ার বোনের শ্বশুর হিটু শেখসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয় মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। এ মামলায় আছিয়ার বড়বোন হামিদা সহ ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।

এছাড়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন হিটু শেখ। মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। একই রায়ে মামলার অপর তিন আসামি, আছিয়ার বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেয় ট্রাইব্যুনাল।

৩ ফুট করে খোলা হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 August, 2026, 9:41 am
৩ ফুট করে খোলা হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দ্রুত বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। এতে রাঙামাটির বাঘাইছড়িসহ হ্রদ তীরবর্তী বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাটের ওপেনিং বাড়িয়ে সর্বশেষ তিন ফুট করা হয়েছে। এরপর বাঘাইছড়ির প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।

‎কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে কাচালং নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে।

‎বাঘাইছড়ি পৌরসভার বটতলী, এফ ব্লক, পুরাতন মারিশ্যা, মাস্টারপাড়া, মাদ্রাসাপাড়া, লাইল্যাঘোনা, উলুছড়ি, বাঘাইহাট, পশ্চিম মুসলিম ব্লক ও মধ্যমপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়। কোথাও কোথাও সড়ক ও বসতবাড়িতে পানি ওঠায় দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয়রা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট দিয়ে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। হ্রদের পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় গেটগুলোর ওপেনিং পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে সর্বশেষ তিন ফুট করা হয়েছে। বর্তমানে ১৬টি গেট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হচ্ছে।

‎কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে থাকায় গেটগুলোর ওপেনিং বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পানি নিষ্কাশনের পরিমাণ পরিবর্তন করা হতে পারে।

গেটগুলোর ওপেনিং তিন ফুট করার পর রোববার দুপুর থেকে বাঘাইছড়ির প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করে। ইতোমধ্যে কিছু এলাকা থেকে পানি সরে যাওয়ায় সেখানে পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।

এদিকে কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় রাঙামাটি শহরের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের বেশির ভাগ অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সেতুটিতে প্রবেশ ও চলাচল বন্ধ রেখেছে পর্যটন কর্তৃপক্ষ।

‎হ্রদের পানির উচ্চতা, বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে কাপ্তাই, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।