সম্পর্ক কীভাবে হয়, বলবে কথামৃত
বহুকাল ধরে একটি কথা প্রচলিত আছে, তা হলো সবকিছু মনের মানুষকে মুখ ফুটে বলতে নেই। না বলেও মনের মিল থাকলে একে অপরকে নীরবেই বুঝে যায়। তবে সত্যি সত্যি কেউ যদি বাকশক্তি হারান, তখনো কি ব্যাপারটা সত্য? একটি সুন্দর সম্পর্কে কথোপকথনের গুরুত্ব নিয়ে আসছে জিৎ চক্রবর্তীর সিনেমা ‘কথামৃত’। সিনেমায় আছেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও অপরাজিতা।
রথযাত্রার শুভদিনে প্রকাশ্যে এলো ছবির প্রথম পোস্টার। দুটি সাধারণ মানুষের একটা অসাধারণ অথচ সহজ ভালোবাসার গল্প বলবে এই ছবি। জালান প্রোডাকশনের ব্যানারে আসছে এ ছবি। ‘কথামৃত’র গল্প লিখেছেন জিৎ দত্ত। গানের সুর দিয়েছেন অমিত- ঈশান, প্রসেন-এর দলবল ও রণজয় ভট্টাচার্য। সিনেমাটোগ্রাফির দায়িত্বে রয়েছেন মধুরা পালিত। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও অপরাজিতা আঢ্য ছাড়াও এ ছবিতে রয়েছেন টলিপাড়ার একঝাঁক চেনা শিল্পী। সনাতন ও সুলেখা দম্পতিকে কেন্দ্র করেই ফুটে উঠবে এ ছবির গল্প।
সনাতন অর্থাৎ কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও সুলেখা অর্থাৎ অপরাজিতা আঢ্য তাদের পাড়ার একেবারে আদর্শ দম্পতি। সন্তানকে নিয়ে তাদের সংসার। সবাই মনে করেন, আদর্শ পরিবারের উপযুক্ত উদাহরণ তারা। ফলস্বরূপ দুজনেই সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় এবং সম্মানিত। সনাতন কথা বলতে পারেন না, তবে তার কাছের লোকজন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাকে বুঝতে শিখে যায়। সনাতনের একটি পকেট ডায়েরি তার সঙ্গে সবসময় থাকে। যার নাম তিনি দেন ‘কথামৃত’। এই কথামৃতর সাহায্যেই সবার সামনে অনেকটাই মনের ভাব ফুটিয়ে তুলতে পারে সে।
অন্যদিকে বাবু অর্থাৎ বিশ্বনাথ বসু এবং অনন্যাও একই পাড়ার বাসিন্দা। তবে তাদের সম্পর্ক-রসায়ন একেবারে বিপরীত। এক ছাদের তলায় থেকেও কথোপকথন এবং বোঝাপড়ার অভাবে তাদের সম্পর্কে সমস্যা লেগেই থাকে। সম্পর্কে থেকেও কখনো কখনো দুটি মানুষ একে অপরের সঙ্গে কথোপকথনে ব্যর্থ হয়। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য কি ‘সঠিক উপায়’ খোঁজার চেষ্টা করা উচিত? নাকি এটিকে কার্যকর করার জন্য ‘নিজেদের পথ’ খুঁজে পাওয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ?
বলা হয়ে থাকে, সম্পর্ক ওপর থেকে তৈরি হয়ে আসে। একটি সম্পর্ক সুন্দর রাখতে নিজেদের এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে সেভাবেই কাজ করা উচিত। সনাতন ও সুলেখা আসছেন সম্পর্কের সুন্দর বার্তা নিয়ে। এ বছরেই মুক্তি পাবে ‘কথামৃত’। সেখানেই দেখা যাবে সম্পর্কে মুখের কথা গুরুত্বপূর্ণ নাকি মনের কথা।
এন-কে


আপনার মতামত লিখুন