খুঁজুন
বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসুখী বিয়ে নিয়ে কথা বললেন সামান্থা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
অসুখী বিয়ে নিয়ে কথা বললেন সামান্থা

দক্ষিণের লেডি সুপারস্টার সামান্থা রুথ প্রভু। বর্তমান সময়ে আলোচনার শীর্ষে রয়েছে এ অভিনেত্রী। শোনা যাচ্ছে খুব শিগগিরই বলিউডে এন্ট্রি হবে এই অভিনেত্রীর।

এবার এই অভিনেত্রী বলিউডের প্রথম সারির পরিচালক ও প্রযোজক করণ জোহরকে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। সামান্থার মতে পৃথিবীর সব অসুখী বিয়ের জন্য দায়ী করণ জোহর। রাখঢাক না করে সে কথা করণের সামনেই বলে ফেললেন দক্ষিণী তারকা।

সম্প্রতি করণের কফি উইথ করণ শোয়ে এসেছিলেন সামান্থা। আর করণের শোয়ে অতিথি হয় এসে করণকেই দোষারোপ করলেন সামান্থা। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর অসুখী বিয়েগুলোর জন্য তুমিই দায়ী। তুমি জীবনটাকে ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর মতো করে দেখাও। কিন্তু বাস্তবটা ‘কেজিএফ’-এর মতো। সামান্থার এই কথা শুনে করণ কিছুটা লজ্জাই পান। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।

২০২১ সালের অক্টোবর মাসে সামান্থা ও নাগা তাদের চার বছরের দাম্পত্যে ইতি টানেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতি জারি করে নিজেদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তারা। বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে যদিও দুজনের কেউই এখনো মুখ খোলেনি।

তবে নেটিজেনদের এক অংশের দাবি সামান্থার খোলামেলা দৃশ্য করা নিয়ে আপত্তি ছিল নাগা এবং তার অভিভাবকের। শ্বশুরবাড়ির চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নাকি মেনে নিতে পারেননি অভিনেত্রী। আর তখনই নাকি সম্পর্কে ফাটল আসে।

‘কফি উইথ করণ’কে বিতর্কের আঁতুড়ঘর বললে ভুল হবে না। বলিউডের অনেক তারকায় এই শোয়ের মাধ্যমে বেফাস মন্তব্য করে সমালোচনার পাত্র হয়েছেন। তবে এবার সামান্থাও কি শামিল হবেন সেই তালিকায়? এখন সেটাই দেখার। আসন্ন সেই পর্বে অভিনেত্রীর সঙ্গী হবেন অক্ষয় কুমার।

এন-কে

Feb2

হালান্ডের জোড়া গোলে বিশ্বকাপে নরওয়ের স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৪০ পূর্বাহ্ণ
হালান্ডের জোড়া গোলে বিশ্বকাপে নরওয়ের স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দাপট মূল মঞ্চেও ধরে রাখল নরওয়ে। ১৯৯৮ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তন তারা করল ৪-১ গোলের বড় জয়ে। বিশ্বকাপে অভিষেকেও জোড়া গোল করে ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন আর্লিং হালান্ড।

গোল পাল্টা গোলের ম্যাচে জমজমাট হয়েছিল নরওয়ে ও ইরাকের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের প্রথমার্ধের খেলা। হাফটাইমের আগেই হয় তিন গোল। দুটি করে নরওয়ে, একটি ইরাক।

২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরে নরওয়ে আধঘণ্টার মাথায় লিড নেয়। আর্লিং হালান্ড স্লাইড করে জাল কাঁপান ২৯ মিনিটে। ১০ মিনিট পর আয়মেন হুসেইন ইরাককে সমতায় ফেরান দারুণ এক হেডে। বিরতির দুই মিনিট আগে হালান্ড আবার লিড এনে দেন নরওয়েকে। ২৯ থেকে ৪৩ মিনিট পর্যন্ত তিনবার জালে বল জড়িয়েছে।

ইনজুরি টাইমে গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন আলি আল হামাদি। শট নেওয়ার শেষ মুহূর্তে তাকে প্রতিহত করেন নরওয়ের ডিফেন্ডার। পরবর্তীকে কর্নার থেকে নেওয়া শট তারা বিপদমুক্ত করতে চাইলেও বক্সের বাইরে থেকে আকাম হাশিমের বাঁ পায়ের শট গোলবারের ওপর দিয়ে যায়।

তাতে ম্যাচ ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে নরওয়ে। বিরতির পর ইরাক নিশ্চিতভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর পণ করেছিল। কিন্তু নরওয়ে আরও শক্তিশালী রূপে ফিরে আসে। ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ইরাকের জালে আরও দুইবার বল পাঠায় তারা।

হাফ-টাইমের পর ইরাক সমতায় ফেরার জন্য বেশ চাপ সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু আয়মেনের একটি হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায় এবং হুসেইন আলী বল বারের উপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন। ঠিক তখনই ম্যাচের ৭৬ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের চমৎকার একটি কর্নার কিক থেকে লাফিয়ে উঠে জোরালো হেডে গোল করেন লিও ওস্টিগার্ড। এই গোলে নরওয়ের জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়।

ম্যাচের শেষ দিকে হাল্যান্ড তার হ্যাটট্রিক করার একটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ইরাকি গোলরক্ষক জালাল হাসান একদম কাছ থেকে দারুণ এক সেভ করে তাকে বঞ্চিত করেন। তবে ইনজুরি টাইমে নরওয়ের চতুর্থ গোলটি আটকানোর কোনো উপায় ছিল না হাসানের কাছে। কারণ আয়মেন নিজেই বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন।

এমবাপের রেকর্ড গোলে সেনেগালকে হারাল ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
এমবাপের রেকর্ড গোলে সেনেগালকে হারাল ফ্রান্স

২০০২ সালের বিশ্বকাপে সেনেগালের কাছে অঘটনের শিকার হয়েছিল ফ্রান্স। ২৪ বছর আগের সেই দুঃসহ স্মৃতি তারা মুছে ফেলল কিলিয়ান এমবাপের জাদুকরী পারফরম্যান্সে।

প্রথম ৪৫ মিনিট ফরাসিদের ওপর সেনেগাল ছড়ি ঘুরালেও বিরতির পর দৃশ্যপট পাল্টে যায়। এমবাপে জোড়া গোল করেন, বদলি নামার মিনিটখানেক পর বার্কোলা মাঝে একটি গোল করেন। তাতে ৩-১ গোলে জিতে বিশ্বকাপ শুরু করেছে গতবারের রানার্সআপরা। অথচ প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে দেখা গেছে ভিন্ন চেহারায়। তাদের খেলা ছিল এলোমেলো ও মন্থর। প্রতিপক্ষের জন্য কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি তারা।

প্রথমার্ধে সেনেগালই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারেনি। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য। নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন। অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে সবকিছু পুরোপুরি বদলে যায়। বিশেষ করে মাইকেল অলিসে এই সময়ে সেনেগালের ডি বক্সের আশেপাশে ত্রাস ছড়ান। ৫৪ মিনিটে সেনেগালের গোলকিপার তাকে কোনোমতে রুখে দেন। পাঁচ মিনিট পর ডি বক্সে সাদিও মানে স্লাইড করে এমবাপেকে ফেলে দেওয়ার পর ফ্রান্স পেনাল্টির দাবি জানায়। রেফারি ভিএআর চেক করে পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান। এরপর থেকেই ফ্রান্স ম্যাচে নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরু করে।

রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকার সেই ভুলের খেসারত দিতে একদমই সময় লাগেনি। অলিসের একটি চমৎকার থ্রু বলের লাইনে দৌড়ে এগিয়ে যান তিনি। তারপর এদুয়ার মেন্দির মাথার ওপর দিয়ে বল তুলে দিয়ে জাল কাঁপান। ৬৬ মিনিটে ফ্রান্স লিড নেয়। কিছুক্ষণ পরই জ্যাকসন ফ্রান্সের জালে বল ঠেলেছিলেন, কিন্তু অফসাইডের বাঁশি বাজে। এরপর বেঞ্চ থেকে মাঠে নামার দুই মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে গোল করে ৮২ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। তিন মিনিট পর এমবাপের দ্বিতীয় শট ঠেকান মেন্দি।

ম্যাচের শেষ দিকে ইব্রাহিম এমবায়ের গোলে সেনেগাল একটি গোল শোধ করলেও তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ভাবনার সুযোগটুকুই দেয়নি ফ্রান্স। এর আগেই বক্সের বাইরে থেকে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে এক দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন এমবাপে।

দলকে জেতানোর পাশাপাশি ফ্রান্সের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা হয়েছেন এমবাপে। ৫৮ গোল করে অলিভার জিরুদকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা জাস্ট ফন্টেইনকে (১৩) ছাপিয়ে গেছেন। ১৪তম গোল করে এখন তিনি কেবল ব্রাজিলের রোনালদো (১৫) ও জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার (১৬) পেছনে। ১৩ গোল নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে এমবাপেকে চ্যালেঞ্জ জানাবেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

আই গ্রুপে ফ্রান্স তাদের পরের ম্যাচ খেলবে ইরাকের বিপক্ষে। আর সেনেগাল মুখোমুখি হবে নরওয়ের।

একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ
একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে খরচ হবে ৪ হাজার ৫৩৬ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন প্রকল্প ৩টি ও সংশোধিত প্রকল্প ২টি।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন ‘সাপোর্টিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট ফর চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ প্রকল্প রয়েছে। এ ছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন তিনটি প্রকল্প; ফেনী জেলার মুহুরি-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়), করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প এবং পদ্মা নদীর ভাঙন থেকে কুষ্টিয়ার মিরপুর ও কুমারখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রক্ষা প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী অনুমোদন পেয়েছে। অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্পটি হলো—শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রীর মাধ্যমে ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সংবলিত চারটি প্রকল্প সম্পর্কেও একনেক সভাকে অবহিত করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারে বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ, নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ সাভার স্থাপন, বিমান বাহিনী স্টেশন শমসেরনগরে বিএএফ শাহীন কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও ত্রিপিটক শিক্ষা কার্যক্রমের চতুর্থ পর্যায় প্রকল্প।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।