খুঁজুন
, ,

রাউজানে কোরবানির পশুরহাটে জমজমাট বিকিকিনি চলছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 7 July, 2022, 3:26 pm
রাউজানে কোরবানির পশুরহাটে জমজমাট বিকিকিনি চলছে

রাউজান প্রতিনিধি: আগামি ১০ জুলাই সারাদেশে উযাপিত হবে মুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা। এই ঈদকে ঘিরে চট্টগ্রামের রাউজানে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট-বাজার।

সরেজমিনে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কোরবানির ঈদকে ঘিরে মৌসুমি পশুর হাটগুলোতে প্রচুর পরিমান গরু-ছাগল বিক্রীর জন্য নিয়ে এসেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

রাউজানের পিংক সিটি-২, লাম্বুরহাট, জিয়াবাজার, চৌধুরীহাট, রঘুনন্দন চৌধুরী হাট, মগদাই বাজার, পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজার, গহিরা কালাচঁন্দ চৌধুরী হাট,হলদিয়া ভট্টপাড়া মাঠ, সোমবাইজ্জ্যা হাট, ডাবুয়ার মুছা শাহ বাজারসহ উপজেলার ১৬টি পশুরহাটে জমজমাট বিকিকিনি চলছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, চলতি বছর কোরবানি পশুরহাট অনেকটা চড়া। তবে শেষের দিকে দাম কমতে পারে এই আশায় অনেকে শনিবার পশুরহাটে নিজেদের পছন্দসই কোরবানির পশু কেনার অপেক্ষায় আছেন।

মৌসুমী কোরবানির পশু ব্যাবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কোরবানির জন্য মজুদ রাখা পশুর খাদ্যে, ঔষদ থেকে শুরু করে সবকিছুর দাম উর্ধ্বমুখী। যার ফলে কোরবানির পশুর দাম অন্যান্য বারের চাইতে কিছুটা বেশী।

অনেক বিক্রেতা জানান, লোকসান দিয়ে পশু ছেড়ে দিচ্ছেন তারা কারণ গো খাদ্যের দাম পূর্বের চেয়ে অনেক বেশী।

উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ছাড়াও পাড়ায়-মহল্লায় গরুর খামারে কোরবানি পশু বেচাকেনা জমে উঠেছে। এছাড়া কোরবানির ঈদকে উপলক্ষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা কোরবানির গরু ক্রয় করে অস্থায়ী গোয়ালঘর তৈরি করে মজুদ করেছেন।ছোট-বড় ডেইরি ফার্মেও দেশীয় পদ্ধতিতে লালনপালন করা গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছে খামারিরা।পাশাপাশি কৃষকরাও নিজেদের গৃহপালিত গরু-ছাগল কোরবানির ঈদ বাজারের জন্য মোটাতাজাকরণ করেছে। খামারিদের ডেইরি ফার্মে, মৌসুমী গরু ব্যবসায়ী অস্থায়ী গোয়ালঘরে, পাড়ায়-মহল্লায় কৃষকের গৃহপালিত গরু-ছাগল বিক্রি করা শুরু করেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার কোরবানি পশুর হাটগুলোতে ভিড় জমেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের। কোরবানির গরু-ছাগল বেচাকেনা হচ্ছে ভালো।হাট-বাজারে রয়েছে প্রচুর গরু-ছাগল।ব্যবসায়ী ও খামারিরা জানায়,নকোরবানির পশুর দামও ভালো হওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্য চলছে দর কষাকষি। বুধ ও বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি অস্থায়ী বাজার পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, সত্তর, আশি হাজার টাকা থেকে শুরু করে
দুই থেকে তিন লাখ টাকা দামের গরু এনেছেন বিক্রেতারা।

মৌসুমি বাজারগুলোতে প্রচুর পরিমানে ছোট- বড় ও মাঝারী দামের গরু এসেছে। পৌর এলাকার সবচেয়ে বড় পশুরহাট চারাবটতল বাজারে চলতি মৌসুমে বেশী পরিমাণ গরু-ছাগল বিক্রি হয়েছে বলে জানান বাজার পরিচালক পৌর কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন চৌধুরী।

গহিরা কালাচঁন্দ চৌধুরী হাটে ৪শতাধিক গরু-ছাগল বিক্রি হয়েছে বলে জানান বাজার পরিচালক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরু আবছার বাঁশি। বসে অস্থায়ী দলইনগর হাই স্কুলের মাঠে প্রতিবছর জমজমাট হয়ে উঠে মৌসুমি পশুর হাট।

রাউজান উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন,রাউজানে ৪শত ৩৩টি ডেইরি ফার্মে প্রায় ৩৮হাজার গরু-ছাগল প্রস্তুত করেছে খামারিরা।দেশীয় পদ্ধতিতে লালন পালন করা গরু বিক্রি করবে তাঁরা।তবে মৌসুমী ব্যবসায়ীরাও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রচুর গরু-ছাগল এনেছে।তাই কোরবানি দাতাদের কোরবানি দিতে পশুর অভাব হবেনা আশা করছি।

রাউজান থানার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, রাউজানে কোরবানির পশুর হাট গুলোতে যাতে ক্রেতারা এসে নিরাপদে কোরবানির পশু কিনতে পারে সে জন্য সাংসদের নির্দেশে রাউজান থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

Feb2
Feb2

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।