খুঁজুন
, ,

পেসার শহীদুল ১০ মাসের জন্য নিষিদ্ধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 14 July, 2022, 8:10 pm
পেসার শহীদুল ১০ মাসের জন্য নিষিদ্ধ

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে ১০ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশি পেসার শহীদুল ইসলাম। গত মার্চে আইসিসির ডোপিং টেস্ট দিয়ে নিষিদ্ধ হন তিনি। যে শাস্তির মেয়াদ শুরু হয়ে গত ২৮ মে থেকে। তবে তার শরীরে যে ‘ক্লোমিফিন’ পাওয়া গেছে, সেটি ইচ্ছাকৃতভাবে নেননি তিনি। ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পরামর্শে ডব্লিউএডিএ’র নিষিদ্ধ বস্তুর তালিকায় স্থান পাওয়া ক্লোমিফিন সেবন করেন। তবে একটু সচেতন হলে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পারতেন।

আইসিসির এন্টি ডোপিং কোডের অনুচ্ছেদ নম্বর ২.১ ভঙ্গ করে শাস্তি পেয়েছেন শহিদুল। যেখানে সর্বনিম্ন শাস্তির ক্যাটাগরিতে ১০ মাসের ক্রিকেট নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এক সদস্য ঢাকা পোস্টকে শহিদুলের নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে মন্তব্য করে জানালেন, যোগাযোগের ঘাটতি আর অসচেতনায় কারণে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে হয়েছে এই পেসারকে।

বোর্ডের সেই সদস্য বলেন, ‘প্রতিটা আন্তর্জাতিক সিরিজ বা ঘরোয়া কোনো টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রত্যেকটা খেলোয়াড়কে বোর্ডের মেডিকেল বিভাগ থেকে ডোপিং বিষয়ে সচেতন করা হয়। শহিদুলের ব্যাপারে যেটা হয়েছে, সে তার ব্যক্তিগত একটি সমস্যার কারণে সে ক্রিকেট বোর্ডের বাইরে তার এক পরিচিত ডাক্তারকে দেখান।’

সঙ্গে যোগ করেন তিনি, ‘সেই ডাক্তার স্পোর্টস ফিজিশিয়ান না হওয়ায় তাকে যে মেডিসিন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল, সেখানে একটু ঝামেলা হয়। তবে সেই ডাক্তার নিজে বলেছেন এখানে ডোপিংয়ের কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। যে কারণে শহিদুল পরে বিসিবিকে এই বিষয়টি আর অবগত করেনি।’

ঢাকায় ৪ মার্চ, ২০২২ এ আইসিসির আউট অব কম্পিটিশন টেস্টিং প্রোগ্রামে শহিদুল ইসলাম তার ইউরিনের নমুনা দিয়েছিলেন। পরীক্ষায় দেখা গেছে সেখানে ‘ক্লোমিফিন’ পাওয়া গেছে। যদিও নমুনা দেওয়ার আগে বিষয়টি বুঝতে পেরে আইসিসির সেই প্রতিনিধি দলকে পুরো বিষয়টি খুলে বলেন শহিদুল। ততক্ষণে অবশ্য বেশ দেরি হয়ে গেছে। তবে যেহেতু তিনি নিজ থেকেই স্বীকার করেছেন এবং বাইশ গজের পারফরম্যান্স বৃদ্ধির কারণে খাননি, সেজন্য কিছুটা ছাড় পেয়েছেন বাংলাদেশের জার্সিতে ১টি টি-টোয়েন্টি খেলা এই ডানহাতি পেসার।

বিসিবির সেই সদস্য বলছিলেন, ‘গত মার্চে একটি আন্তর্জাতিক সিরিজের সময় যখন আইসিসি ডোপিং টেস্ট হয়, তখন সে টেস্টের আগেই ব্যাপারটা আইসিসি প্রতিনিধি দলকে জানিয়েছিল। শহিদুল নিজেও জানতো না এখানে ডোপিং এর কোনো ব্যাপার ছিল। সে যেহেতু নিজ থেকে আগেই তার মেডিসিনের বা চিকিৎসার ব্যাপারগুলো আইসিসি কে জানায়, সে হিসেবে আইসিসি ব্যাপারটি নমনীয়ভাবে নিয়েছে। এবং সে তুলনায় শহিদুলের সাজার মেয়াদ কম হয়েছে, যেহেতু পারফরম্যান্স বৃদ্ধির কারণে খায়নি।’

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রায় ৩০ ঘণ্টা আইসিইউতে কাটানোর পর পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ানের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনাল খেলতে নামেন। তার সেই সাহসে মুগ্ধ হননি, এমন মানুষ কমই আছেন!

রিজওয়ানের শারীরিক অবস্থা দেখে তাকে একটা ওষুধ দেন ডাক্তার, যেটি আইসিসির তালিকা অনুযায়ী খেলোয়াড়দের জন্য নিষিদ্ধ। অবশ্য আইসিসির অনুমতি নিয়েই ওষুধটা খেয়েছিলেন রিজওয়ান। শহিদুলও যদি একই কাজ করতেন তবে এড়াতে পারতেন এই নিষেধাজ্ঞা।

Feb2
Feb2

দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:13 pm
দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগের শুরু থেকেই চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী এবং বন্যাদুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে৷ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার রশিদের পুকুর এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের দুর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। কোথায় কী লাগবে, কী প্রয়োজন—সবকিছু তিনি জানেন। গতকালও তিনি আমাকে বলেছেন, আপনি সেখানে যান, কী কী লাগবে দেখে আসেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমি আজ আপনাদের মাঝে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে আপনাদের খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, যিনি দেশের মানুষের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টাই চিন্তা করেন। সরকার যে কোনো দুর্যোগে আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা দিতে প্রস্তুত।

এম ইকবাল হোসেইন বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:26 pm
প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুর্গত মানুষও যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ দিন ধরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রামে এসে প্রশাসনের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ধাপে ধাপে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরইমধ্যে চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগের দিন দীর্ঘ সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুর্যোগ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, যেখানে প্রয়োজন, সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও সহায়তা পৌঁছে দিতে কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

তিনি আরও জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে ত্রাণের পরিমাণ আরও বাড়ানো হচ্ছে। কোনো দুর্গত মানুষ যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্গঠন কার্যক্রমও আরও জোরদার করা হবে।