খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম কাস্টমসে ২০ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম কাস্টমসে ২০ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা

দুই চালানে আইপি জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে মদ-সিগারেট আমদানির মাধ্যমে ২০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম কাস্টমস।

চট্টগ্রাম বন্দরে বেরিয়ে আসছে একের পর এক মদের চালান। ২৫ জুলাই (সোমবার) সর্বশেষ দুই চালানে আইপি জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে মদ-সিগারেট আমদানির মাধ্যমে ২০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম কাস্টমস।

সোমবার রাত ১২টায় শুল্ক ফাঁকির চেষ্টার বিষয়টি নিশ্চিত করেন কাস্টমসের এআইআর (অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ) শাখার ডেপুটি কমিশনার মো. সাইফুল হক। এ নিয়ে একই কায়দায় আমদানি করা ৫ কনটেইনার মদ ও সিগারেট আমদানির মাধ্যমে ৫৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়।

এর আগে ২৪ জুলাই (রোববার) বিকেলে কাস্টমসের এআইআর (অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ) ও পিসিইউ (পোর্ট কন্ট্রোল ইউনিট) শাখা কনটেইনার দুটি জব্দ করে। পরে বন্দরে এনসিটি টার্মিনালের সিএফএস ইয়ার্ডে কনটেইনার দুটি ইনভেন্ট্রি সম্পন্ন করেন কাস্টমস কর্মকর্তারা।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের ডং জিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের নামে প্যাকেজিংয়ের উপকরণ ঘোষণায় একটি ও বাগেরহাটের মোংলা ইপিজেডের ভিআইপি ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেডের নামে টেক্সটাইল সুতা ঘোষণায় আরেক কনটেইনার মদ আমদানি করা হয়।

চালান দুটিতেই আইপি জালিয়াতি করা হয়। তবে দুই চালানেই বিল অব এন্ট্রি দাখিল হয়নি। ডং জিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের নামে আসা কন্টেইনারটি ১২ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। অন্যদিকে ভিআইপি ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেডের নামে আসা কন্টেইনারটি ২ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দরে আসে।

ডেপুটি কমিশনার মো. সাইফুল হক বলেন, সর্বশেষ আটক দুই কনটেইনারে ২ হাজার ৮’শ ৫৮ কার্টনে ৩১ হাজার ৪’শ ৯২ দশমিক ৫ লিটার মদ পাওয়া যায়। পাশাপাশি ১০ লাখ ৬০ হাজার শলাকা বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট পাওয়া যায়। চালান দুটির আনুমানিক শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ৩ কোটি ৩৯ লাখ। এতে প্রায় ২০ কোটি ৬০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল। এসব জাল জালিয়াতির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

২৪ জুলাই (রোববার) সুতা আমদানির ঘোষণা দিয়ে বিদেশ থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আনা ১ হাজার ৪’শ ৩০টি কার্টুনে ১৫ হাজার ২’শ ৪ লিটার মদের চালান আটক করে চট্টগ্রাম কাস্টমস। চালানটিতে ১২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়।

এর আগে একই কায়দায় আইপি জালিয়াতির মাধ্যমে ও মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে মদ আমদানি করে চট্টগ্রাম বন্দরে বন্দর ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের চোখে ধুলো দিয়ে দুইটি চালান বন্দর থেকে খালাস নেয় জালিয়াতি চক্র। গত ২২ জুলাই (শুক্রবার) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মদভর্তি দুটি লরির চালান আটকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় কাস্টমস। কিন্তু আটকের আগেই জালিয়াত চক্র সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মদভর্তি লরি দুটি খালাস করে বন্দর থেকে বের করে নেয় বলে জানতে পারে কাস্টমসের এআইআর (চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিজস্ব গোয়েন্দা) শাখা।

পরে র‌্যাবের সহযোগিতায় নারায়গঞ্জের সোনারগাঁও থেকে কনটেইনার দুটি আটক করা হয়। কনটেইনার দুটিতে ১ হাজার ৩’শ ৩০ কার্টনে ৩১ হাজার ৬’শ ২৫ দশমিক ৫ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ পাওয়া যায়। চালান দুটির শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ছিল ৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

বৈধ উপায়ে আসলে এতে ২৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা রাজস্ব পেতো সরকার। পুরো রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চালান দুটি খালাস নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস। শেষের দুই চালানে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করা না হলেও আগের তিন চালানের খালাসের দায়িত্বে ছিল চট্টগ্রামের ডবলমুরিং এলাকার সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স জাফর আহমদ। এসব মদ আমদানির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গত ২৩ জুলাই ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

জে-আর

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।