চট্টগ্রামে সিএনজি-অটোরিক্সার বেপরোয়া গতির জন্য ঘটছে দুর্ঘটনা
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের কাপ্তাই রাস্তার মাথা প্রধান ফটক এলাকা নগরীর অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক গুলোর একটি। এ সড়ক দিয়ে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও উত্তর চট্টগ্রামের হাজার হাজার গাড়িতে লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত। তবে কিছু সুযোগ সন্ধানী গ্রাম সিএনজি, ব্যাটারী রিক্সাসহ বেশ কিছু গাড়ি বেপরোয়াভাবে শহর মুখে প্রবেশ করতে চেষ্টা করে প্রতিনিয়ত আটক করে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ।
প্রতিদিনের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মোট ১৯টি গাড়ি জব্দ করা হয়। এর মধ্যে গ্রাম সিএনজি ১৫টি, ৩টি ব্যাটারি রিক্সা ও ১টি মোটর সাইকেল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ২৪ ঘণ্টা ডট নিউজকে টিআই মোশাররফ বলেন, আমার আওতাধীন সীমানায় কখনো নিয়ম বহির্ভূত পরিবহন চললে ছাড় দেয়া হবে না। কিছু সীমানা পেরিয়ে ডুকে গেলেও তাদের আমরা দ্রæত আইনের আওতায় নিয়ে আসছি।
তাছাড়া কেউ কেউ শ্রমিক নেতা বা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে নেতা বা সংগঠন সেজে সিএনজি হতে চাদা তুললে এতে ট্রাফিক বিভাগের নাম আসবে কেন? এসব অবৈধ কালেকশন এর সাথে পুলিশকে জড়ানোর যথাযথ যুক্তিযুক্ত কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।
তবে মানবিক দিক থেকে আমরা মাঝে মাঝে কিছু সিএনজি ছেড়ে দিয়। যেমন- একটি গ্রাম সিএনজি সড়ক দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় রোগী নিয়ে মেডিকেল যাবে অথবা ডেলিভারির পেইন ওঠা মা-বোন দের নিয়ে নগরীর হাসপাতাল গুলিতে যাবে সে ক্ষেত্রে একজন মানবিক মানুষ হিসাবে আমাদের যা করার সেই বিবেচনায় হঠাৎ কিছু সিএনজি ছেড়ে দিতে হয়।
তিনি আরো জানান, অতি দুঃখের বিষয় যে, স্থানীয় একটি পত্রিকায় মিথ্যা ভিত্তিহীন একটি নিউজ হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিন্দা জানাচ্ছি। নিউজটিতে আমার নাম ও পদবী ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু আমার বক্তব্য নেয়া হয়নি বা এ বিষয়ে আমি জানিনা। এ রকম নিউজ হলে আসলেই দুঃখজনক।
এ বিষয়ে সিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) শ্যামল কুমার নাথ জানান, নগরীতে অবৈধ যানবাহন চলাচল রোধে ট্রাফিক বিভাগ রাত-দিন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন শত শত গাড়িকে মামলা ও টো করে জব্দ করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। যদি পুলিশ সদস্য কারো বিরুদ্ধে সুষ্ঠু প্রমান সাপেক্ষে অভিযোগ পেলে তাও ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
জে-আর


আপনার মতামত লিখুন