খুঁজুন
, ,

নিজেদেরকে মন্দ কাজ ও মন্দ লোক থেকে রক্ষা করে দ্বীন ধর্মের খেদমত করতে হবে : তাহের শাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 9 December, 2019, 10:03 pm
নিজেদেরকে মন্দ কাজ ও মন্দ লোক থেকে রক্ষা করে দ্বীন ধর্মের খেদমত করতে হবে : তাহের শাহ

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের রাউজানের পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়াহাটে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণকালের বৃহত্তম সুন্নী সমাবেশে রাসুলে পাক (দ.) এর ৪১ তম বংশধর, রাহনুমায়ে শরীয়ত তরিক্বত, গাউছে জামান, আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (মা.জি.আ.) হুজুর কিবলা বলেছেন, সেই কাজ করতে হবে যে কাজে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.) সন্তুষ্ট। আর সেই কাজ থেকে দুরে থাকতে হবে যে কাজে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.) অসন্তুষ্ট।

তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ অল্প সময়ের জন্য মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। এসময়টা আখেরাতের কাজে লাগিয়ে পরহেজগার বনে মহান আল্লাহ ও তার রাসুল (দ.) এর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে এবং নিজেদেরকে মন্দ কাজ ও মন্দ লোক থেকে রক্ষা করে দ্বীন ধর্মের খেদমত করতে হবে। হুজুর কিবলা আরও বলেন আমাদের দেহ এবং প্রাণ খুব অল্প সময়ের জন্য একত্রিত আছে। আর এই সংক্ষিপ্ত সময়টিই এবাদত বন্দেগীর একমাত্র সুযোগ। যা কবরে হাশরে আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। এ জন্য নিজেদেরকে মন্দ লোক থেকে রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি দ্বীনি খেদমত করা অতিব জরুরি।

হুজুর কিবলা বলেন, তাওবার মাধ্যমে জীবনের সকল পাপ মোচন হয়ে যায় বটে, কিন্তু জালেম ও অপরের হক্ব ধ্বংসকারী, আত্মসাতকারীরা কোন পার পাবেনা। যতক্ষণ না তিনি মাজলুমের কাছে ক্ষমা না চাইবে কিংবা হক্ব আদায় না করবে। তাই তিনি নব দীক্ষিতদেরকে নির্দেশ দেন যেন সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে কিংবা হক্ব পরিশোধ করে এ ধরনের পাপীদের পাপ মোচন করে নতুনভাবে তরিক্বত জীবন শুরু করে দুনিয়া ও আখিরাতকে উজ্জল করেন এবং দেশ সমাজ, মুসলিম মিল্লাতকে অশান্তি ও হানাহানি থেকে রক্ষা করার কাজে আত্মনিয়োজিত হন।

সোমবার  (৯ ডিসেম্বর) রাতে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন শাখার ব্যবস্থাপনায় ও উপজেলা শাখা দক্ষিণের সহযোগীতায় অলিমিয়াহাট পার্শ্বস্থ মাঠে আয়োজিত এ সুন্নী সমাবেশে হুজুর কেবলা প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শাহজাদা আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (মা.জি.আ), আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ হামিদ শাহ (মা.জি.আ.)।

পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ জাহাঙ্গীর আলম মেম্বারের সভাপতিত্বে ও দক্ষিণ রাউজান শাখা গাউসিয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হানিফ ও এম বেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় এতে অতিথি ছিলেন আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সহ সভাপতি আলহাজ মুহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারী আলহাজ সিরাজুল হক, আলহাজ শামসুদ্দিন, আলহাজ কাজী শামসুর রহমান, গাউসিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় পরিষদ চেয়ারম্যান পেয়ার মুহাম্মদ কমিশনার, সচিব শাহজাদা ইবনে দিদার, আরব আমিরাত গাউসিয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জানে আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল ওহাব।

মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী, গাউছিয়া কমিটির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি সৈয়দ অসিয়র রহমান আল কাদেরী, মুফতি হাফেজ সোলাইমান আনসারী, মুফতি মাওলানা মাহমুদুল হাসান কাদেরী, মাওলানা আবুল আসাদ মুহাম্মদ জুবায়ের রেজভী, আলহাজ মাহবুব এলাহি সিকদার, ইউপি চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, শাহাবুদ্দিন আরিফ, সৈয়দ আব্দুল জব্বার সোহেল, প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া মেম্বার, জেলা গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ আব্দুস শুক্কুর, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা গাউসিয়া কমিটির সভাপতি কমর উদ্দিন সবুর, কামরুল আহসান চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আহসান হাবিব চৌধুরী হাসান, রাউজান উপজেলা উত্তর গাউসিয়া কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা ইলিয়াস নূরী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইয়াসিন হোসাইন হায়দরী, হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন আল কাদেরী, মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ শওকত হোসেন রেজবী। উপস্থিত ছিলেন মহানগর গাউসিয়া কমিটির আহবায়ক সেকান্দর চৌধুরী, সচিব সাদেক হোসেন পাপ্পু, এরশাদ খতিবী, সাবেক বোয়ালখালী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ওবাদুল হক হক্কানী, রাঙ্গুনীয়ার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আকতার হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, রাউজান উপজেলা দক্ষিণের সভাপতি আবু বক্কর সওদাগর, জেলা গাউসিয়া কমিটির সদস্য আহমেদ সৈয়দ, আজম আলী, নাসির উদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক সৈয়দ জামাল উদ্দিন, অধ্যক্ষ ওমর ফারুক, অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, হাবিবুল ইসলাম চৌধুরী, মাওলানা আব্দুল আজিজ, আলহাজ মাওলানা আব্দুল মালেক, পূর্ব গুজরা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান দিদারুল আলম, উপজেলা যুবলীগ সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, অর্থ সম্পাদক আজম রাশেদ, ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ, মুহাম্মদ খোরশেদ আলম, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আবু মোস্তাক আল কাদেরী, মুহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম, মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, মাওলানা আশেকুর রহমান, মাওলানা মুহাম্মদ সাবের, মুহাম্মদ জাহেদুল হক, মুহাম্মদ নওশাদ হোসাইন, হাফেজ সালাহ উদ্দিন, মুহাম্মদ ফিরোজুল ইসলাম চৌধুরী, মুহাম্মদ আব্দুল করিম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবু জাহেদ, পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন গাউসিয়া কমিটির সহ সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম, মঈন উদ্দিন প্রমুখ।

উল্লেখ্য হুজুর কেবলার আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রাম কাপ্তাই সড়কের মদুনাঘাট থেকে সুন্নী সমাবেশ স্থল অলিমিয়াহাট মাঠ পর্যন্ত বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কয়েক শতাধিক তোরণ ও ফেস্টুন নির্মাণ করে আওলাদে রাসুলের প্রতি সম্মান জানান। মঞ্চে হুজুরের আসন গ্রহণ পর্ব থেকে অর্ধলাখ মুসলিম জনতা নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর নারায়ে রেসালাত ইয়া রাসুলুল্লাহ (দ.) শ্লোগান দিয়ে মুখরিত করে তোলে পুরো এলাকা।

এদিন বাদে মাগরিব অধর্লক্ষ মহিলা পর্দা সহকারে পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের বোর্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আলাদা প্যান্ডেলে অবস্থান নিয়ে হুজুরের নসিহত শুনে তাঁর হাতে বায়াত গ্রহণ করেন।

Feb2
Feb2

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।