খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিজেদেরকে মন্দ কাজ ও মন্দ লোক থেকে রক্ষা করে দ্বীন ধর্মের খেদমত করতে হবে : তাহের শাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
নিজেদেরকে মন্দ কাজ ও মন্দ লোক থেকে রক্ষা করে দ্বীন ধর্মের খেদমত করতে হবে : তাহের শাহ

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের রাউজানের পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়াহাটে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণকালের বৃহত্তম সুন্নী সমাবেশে রাসুলে পাক (দ.) এর ৪১ তম বংশধর, রাহনুমায়ে শরীয়ত তরিক্বত, গাউছে জামান, আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (মা.জি.আ.) হুজুর কিবলা বলেছেন, সেই কাজ করতে হবে যে কাজে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.) সন্তুষ্ট। আর সেই কাজ থেকে দুরে থাকতে হবে যে কাজে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (দ.) অসন্তুষ্ট।

তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ অল্প সময়ের জন্য মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। এসময়টা আখেরাতের কাজে লাগিয়ে পরহেজগার বনে মহান আল্লাহ ও তার রাসুল (দ.) এর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে এবং নিজেদেরকে মন্দ কাজ ও মন্দ লোক থেকে রক্ষা করে দ্বীন ধর্মের খেদমত করতে হবে। হুজুর কিবলা আরও বলেন আমাদের দেহ এবং প্রাণ খুব অল্প সময়ের জন্য একত্রিত আছে। আর এই সংক্ষিপ্ত সময়টিই এবাদত বন্দেগীর একমাত্র সুযোগ। যা কবরে হাশরে আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। এ জন্য নিজেদেরকে মন্দ লোক থেকে রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি দ্বীনি খেদমত করা অতিব জরুরি।

হুজুর কিবলা বলেন, তাওবার মাধ্যমে জীবনের সকল পাপ মোচন হয়ে যায় বটে, কিন্তু জালেম ও অপরের হক্ব ধ্বংসকারী, আত্মসাতকারীরা কোন পার পাবেনা। যতক্ষণ না তিনি মাজলুমের কাছে ক্ষমা না চাইবে কিংবা হক্ব আদায় না করবে। তাই তিনি নব দীক্ষিতদেরকে নির্দেশ দেন যেন সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে কিংবা হক্ব পরিশোধ করে এ ধরনের পাপীদের পাপ মোচন করে নতুনভাবে তরিক্বত জীবন শুরু করে দুনিয়া ও আখিরাতকে উজ্জল করেন এবং দেশ সমাজ, মুসলিম মিল্লাতকে অশান্তি ও হানাহানি থেকে রক্ষা করার কাজে আত্মনিয়োজিত হন।

সোমবার  (৯ ডিসেম্বর) রাতে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন শাখার ব্যবস্থাপনায় ও উপজেলা শাখা দক্ষিণের সহযোগীতায় অলিমিয়াহাট পার্শ্বস্থ মাঠে আয়োজিত এ সুন্নী সমাবেশে হুজুর কেবলা প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শাহজাদা আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (মা.জি.আ), আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ হামিদ শাহ (মা.জি.আ.)।

পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ জাহাঙ্গীর আলম মেম্বারের সভাপতিত্বে ও দক্ষিণ রাউজান শাখা গাউসিয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হানিফ ও এম বেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় এতে অতিথি ছিলেন আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সহ সভাপতি আলহাজ মুহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারী আলহাজ সিরাজুল হক, আলহাজ শামসুদ্দিন, আলহাজ কাজী শামসুর রহমান, গাউসিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় পরিষদ চেয়ারম্যান পেয়ার মুহাম্মদ কমিশনার, সচিব শাহজাদা ইবনে দিদার, আরব আমিরাত গাউসিয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জানে আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল ওহাব।

মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী, গাউছিয়া কমিটির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি সৈয়দ অসিয়র রহমান আল কাদেরী, মুফতি হাফেজ সোলাইমান আনসারী, মুফতি মাওলানা মাহমুদুল হাসান কাদেরী, মাওলানা আবুল আসাদ মুহাম্মদ জুবায়ের রেজভী, আলহাজ মাহবুব এলাহি সিকদার, ইউপি চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, শাহাবুদ্দিন আরিফ, সৈয়দ আব্দুল জব্বার সোহেল, প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া মেম্বার, জেলা গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ আব্দুস শুক্কুর, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা গাউসিয়া কমিটির সভাপতি কমর উদ্দিন সবুর, কামরুল আহসান চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আহসান হাবিব চৌধুরী হাসান, রাউজান উপজেলা উত্তর গাউসিয়া কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা ইলিয়াস নূরী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইয়াসিন হোসাইন হায়দরী, হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন আল কাদেরী, মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ শওকত হোসেন রেজবী। উপস্থিত ছিলেন মহানগর গাউসিয়া কমিটির আহবায়ক সেকান্দর চৌধুরী, সচিব সাদেক হোসেন পাপ্পু, এরশাদ খতিবী, সাবেক বোয়ালখালী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ওবাদুল হক হক্কানী, রাঙ্গুনীয়ার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আকতার হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, রাউজান উপজেলা দক্ষিণের সভাপতি আবু বক্কর সওদাগর, জেলা গাউসিয়া কমিটির সদস্য আহমেদ সৈয়দ, আজম আলী, নাসির উদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক সৈয়দ জামাল উদ্দিন, অধ্যক্ষ ওমর ফারুক, অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, হাবিবুল ইসলাম চৌধুরী, মাওলানা আব্দুল আজিজ, আলহাজ মাওলানা আব্দুল মালেক, পূর্ব গুজরা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান দিদারুল আলম, উপজেলা যুবলীগ সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, অর্থ সম্পাদক আজম রাশেদ, ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ, মুহাম্মদ খোরশেদ আলম, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আবু মোস্তাক আল কাদেরী, মুহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম, মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, মাওলানা আশেকুর রহমান, মাওলানা মুহাম্মদ সাবের, মুহাম্মদ জাহেদুল হক, মুহাম্মদ নওশাদ হোসাইন, হাফেজ সালাহ উদ্দিন, মুহাম্মদ ফিরোজুল ইসলাম চৌধুরী, মুহাম্মদ আব্দুল করিম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবু জাহেদ, পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন গাউসিয়া কমিটির সহ সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম, মঈন উদ্দিন প্রমুখ।

উল্লেখ্য হুজুর কেবলার আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রাম কাপ্তাই সড়কের মদুনাঘাট থেকে সুন্নী সমাবেশ স্থল অলিমিয়াহাট মাঠ পর্যন্ত বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কয়েক শতাধিক তোরণ ও ফেস্টুন নির্মাণ করে আওলাদে রাসুলের প্রতি সম্মান জানান। মঞ্চে হুজুরের আসন গ্রহণ পর্ব থেকে অর্ধলাখ মুসলিম জনতা নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর নারায়ে রেসালাত ইয়া রাসুলুল্লাহ (দ.) শ্লোগান দিয়ে মুখরিত করে তোলে পুরো এলাকা।

এদিন বাদে মাগরিব অধর্লক্ষ মহিলা পর্দা সহকারে পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের বোর্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আলাদা প্যান্ডেলে অবস্থান নিয়ে হুজুরের নসিহত শুনে তাঁর হাতে বায়াত গ্রহণ করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…