খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী আর নেই

জাতীয় সংসদের উপনেতা ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) বেনজির আহমেদ তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সম্প্রতি সাজেদা চৌধুরীকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিসিইউ) রাখা হয়েছিল।

সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

সাজেদা চৌধুরী অসুস্থতার কারণের তার নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনও স্থগিত করা হয়েছিল। সোমবার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই রোববার মধ্যরাতে চলে গেলেন তিনি।

সাজেদা চৌধুরী ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলাতে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন।

শিক্ষাজীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তার স্বামী রাজনীতিবিদ এবং সমাজকর্মী গোলাম আকবর চৌধুরী। ২০১৫ সালের ২৩ নভেম্বর তার স্বামী মৃত্যুবরণ করেন।

সাজেদা চৌধুরী ১৯৭৪ সালে গ্রামীণ উন্নয়ন ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো ফেলোশিপপ্রাপ্ত হন এবং একই সময়ে বাংলাদেশ গার্ল-গাইড এসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মানসূচক সনদ সিলভার এলিফ্যান্ট পদক লাভ করেন। তিনি ২০০০ সালে আমেরিকান বায়োগ্রাফিক্যাল ইনস্টিটিউট কর্তৃক ওমেন অব দি ইয়ার নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

রাজনৈতিক জীবন

১৯৫৬ সাল থেকে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত৷ ১৯৬৯–১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়কের দায়িত্বও তিনি পালন করছেন।

তিনি ফরিদপুরের কৃষাণপুর ইউনিয়ন (ফরিদপুর-২; নগরকান্দা, সালতা ও সদরপুর) থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। দশম সাধারণ নির্বাচনেও তিনি এ অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি জাতীয় সংসদের উপনেতা হন।

Feb2

মেসির জোড়া গোলে আর্জেন্টিনার জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
মেসির জোড়া গোলে আর্জেন্টিনার জয়

রেকর্ডটা টিকে ছিল ১২ বছর। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড লিওনেল মেসি ছুঁয়েছিলেন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেই। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মেসি ছাড়িয়ে গেলেন ক্লোসাকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি। মেসির রেকর্ড গড়া জোড়া গোলেই অস্ট্রিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ জে থেকে প্রথম দল হিসেবে নকআউট পর্বে পা রাখল আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। সেই পেনাল্টি থেকে হতে পারত রেকর্ড। মেসি অবশ্য অপ্রতাশিতভাবে ৯ম মিনিটে পেনাল্টি মিস করেছেন। বিশ্বকাপে তিনটি পেনাল্টি মিস করায় সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ডটাও মেসির নামের পাশে!

মেসি এই আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন কিছুক্ষণ বাদেই। ৩৮ মিনিটে মেদিনার দারুণ এক অ্যাসিস্টে গোল করে সমর্থকদের উল্লাসে মাতান মেসি। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে হাফ টাইমে যায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোল পাচ্ছিল না দুই দলের কেউই। আর্জেন্টিনা কিছু গোলের সুযোগ পেয়েছিল। সুযোগ এসেছিল অস্ট্রিয়ার সামনেও। তবে এমির দারুণ কিছু সেভ ও আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় গোল আসেনি।

ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে সমর্থকদের আনন্দে ভাসিয়ে আবারও গোল পান মেসি। এটি বিশ্বকাপে তার ১৮তম গোল। ২-০ গোলের এই জয়ে ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে সবার আগে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা।

চীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
চীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি সরকারপ্রধানের চীনে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় নির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচি ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে এদিন স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে চীনের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে, গত রোববার (২১ জুন) সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় যান তারেক রহমান। সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই নেতার একান্ত ও সীমিত পরিসরের আলোচনায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। পরে উভয় দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি বিস্তৃত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (২২ জুন) এক আবেগঘন বক্তব্যে তিনি জানান, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দেওয়া বক্তব্যে স্টারমার বলেন, ‘আমি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা আমার প্রিয় দেশের স্বার্থকে সামনে রেখেই নিয়েছি। আর সেই কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ খবর বিবিসির।

তিনি জানান, নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া জুলাইয়ে শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে। ততদিন তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করবেন।

২০২৪ সালের নির্বাচনে লেবার পার্টিকে বড় জয় এনে দিয়ে ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন স্টারমার। তবে ক্ষমতায় আসার পর একাধিক নীতিগত অবস্থান পরিবর্তন, দুর্বল জনসমর্থন এবং দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ তার নেতৃত্বকে চাপে ফেলে। সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলের পর তার ওপর পদত্যাগের চাপ আরও বেড়ে যায়।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবরে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহামের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। তবে নতুন নেতা নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

স্টারমারের পদত্যাগ ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দিলেও তিনি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল ক্ষমতা হস্তান্তরের অঙ্গীকার করেছেন।