খুঁজুন
সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘চট্টগ্রামের ডিসিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
‘চট্টগ্রামের ডিসিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে’

জেলা পরিষদ নির্বাচনে পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমানকে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে।

রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা।

নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিজয় কামনা করে দলীয় নেতাদের সঙ্গে মোনাজাতে অংশ নেওয়া ও দোয়া চাওয়ার অভিযোগে জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সংস্থাপন সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক বরাবর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান এই আইনি নোটিশ পাঠান।

নোটিশদাতা আইনজীবী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান নোটিশে উল্লেখ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ প্রার্থীর জয় চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার মোনাজাত ও বক্তৃতা’ শিরোনামে অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত খবরটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদ থেকে আরও জানা যায় মোনাজাত পরবর্তী বক্তব্যে ডিসি মোহাম্মদ মমিনুর রহমান একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোট চেয়েছেন এবং অন্যদেরকেও উক্ত রাজনৈতিক দলের জন্য দোয়া করতে অনুরোধ করেছেন। অথচ জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর নিরপেক্ষ ভূমিকা থাকার উচিত ছিল। গত ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সেই দোয়া অনুষ্ঠানে একজন প্রার্থীর জয় কামনা করে ডিসি আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদ নির্বাচনে তাঁর ভূমিকা নিয়ে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা ও সন্দেহের সৃষ্টি করেছেন। এ কারণে সকল ভোটার ও অন্য প্রার্থীরাও আস্থাহীনতায় ভুগছেন। ডিসির এমন কার্যকলাপে নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।’

নোটিশে আইনজীবী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান আরও উল্লেখ করেন, একজন রিটার্নিং কর্মকর্তার (ডিসি) মাধ্যমে ২০১৬ সালের জেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ৭৯, ৮০ ও ৮১ বিধির লঙ্ঘন হওয়া সত্যেও দায়িত্বপ্রাপ্তরা (অপর নোটিশ গ্রহীতারা) সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন, যা আপনাদের অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্যের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিষয়টি উদ্বেগেরও।

নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডিসির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে, আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবেন বলেও নোটিশে হুঁশিয়ারি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান।

উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ‘আ. লীগের বিজয়ের জন্য বিএনপি-জামায়াতেরও দোয়া করা উচিত’- শিরোনামে সমকালের শেষ পৃষ্ঠায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার এমন আচরণে চট্টগ্রামে বইছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। তার এমন বক্তব্যে নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন প্রার্থীসহ বিশিষ্টজনরা।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এটিএম পেয়ারুল ইসলাম নেতাকর্মীদের নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান প্রার্থীর বিজয় কামনা করে দলীয় নেতাদের সঙ্গে মোনাজাতে অংশ নেন।

একপর্যায়ে আ’লীগ প্রার্থীকে নিজের পাশে বসিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যও রাখেন তিনি। সেই বক্তব্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবার যেন আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়, সে জন্য বিএনপি-জামায়াতেরও দোয়া কামনা করেন তিনি।

বক্তব্যে আগামী নির্বাচনকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান বলেন, ‘এই নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের পক্ষের শক্তির হাতে থাকবে নাকি স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির হাতে যাবে। আমি মনে করি যে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে যদি থাকে, তাহলে আমাদের দেশে আওয়ামী লীগ বলি, বিএনপি বলি, জামায়াত বলি, সবাই নিরাপদ থাকবে। আমি মনে করি, বিএনপি-জামায়াতেরও এখন দোয়া করা উচিৎ শেখ হাসিনা যেন আবার ক্ষমতায় আসেন।’

২৪ঘণ্টা/এনআর

Feb2

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করল নেদারল্যান্ডস-জাপান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৩৯ পূর্বাহ্ণ
রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করল নেদারল্যান্ডস-জাপান

গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর চার গোলের ম্যাচ হবে তা হয়তো ভাবেননি অনেকেই। দুইবার লিড নিয়েও পূর্ণ পয়েন্ট পাওয়া হলো না নেদারল্যান্ডসের। নিশ্চিত হারতে বসা ম্যাচের অন্তিম মূহুর্তে গোল করে জাপানকে এক পয়েন্ট এনে দিলেন দাইচি কামাদা।

ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল না হলেও সুযোগের কমতি ছিল না। বিশেষ করে ৩৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। কর্নার থেকে ডনিয়েল মালেনের হেড লক্ষ্যভেদ করতে যাচ্ছিল, কিন্তু অসাধারণ দক্ষতায় বল ঠেকিয়ে দেন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। প্রথমার্ধে জাপানকে বাঁচিয়ে রাখা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভের একটি ছিল সেটি।

আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা প্রথম ৪৫ মিনিটে অবশ্য কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পরই ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৫১ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে আসা ক্রসে দুর্দান্ত হেডে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক। পোস্টে লেগে জালে জড়ানো বলটি ছিল দেশের হয়ে কোনো বড় টুর্নামেন্টে তার প্রথম গোল। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। পিছিয়ে পড়ার মাত্র ছয় মিনিট পরই জবাব দেয় জাপান। বাঁ প্রান্ত দিয়ে গড়ে ওঠা দারুণ এক আক্রমণ থেকে কেইতো নাকামুরা গোল করে সমতা ফেরান।

ম্যাচ তখন পুরোপুরি জমে উঠেছে। ৫১ থেকে ৬৪ মিনিট—মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে দেখা মেলে তিন গোলের। ৬৪ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। এবার গোল করেন ক্রিসেনসিও সামারভিল।

দ্বিতীয়বার পিছিয়ে পড়ার পরও হাল ছাড়েনি জাপান। শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণে ডাচ রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে তারা। তার ফলও পায় ম্যাচের ৮৯ মিনিটে। দাইচি কামাদা গোল করে সমতা ফেরালে জয়ের খুব কাছে গিয়েও হতাশ হতে হয় নেদারল্যান্ডসকে।

রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ২–২ সমতায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারাল জার্মানি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারাল জার্মানি

বিশ্বকাপ অভিষেকে মাত্র ২১ মিনিটেই গোল করে ইতিহাস গড়েছিল কুরাসাও। ঐতিহাসিক সেই গোলের পর ধারাভাষ্যকার ইয়ান ডার্ক বলেন, ‘হিউস্টনে ইতিহাস। মাত্র এক লাখের একটু বেশি মানুষের একটি দেশ কোটি কোটি মানুষকে বিস্মিত করে দিয়েছে।’ তখনও ইয়ান জানতেন না ব্রাজিলের বিপক্ষে ২০১৪ বিশ্বকাপের সেই ৭-১ গোলের স্মৃতি ফেরাতে যাচ্ছে জার্মানি। কুরাসাওকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করে গোলবন্যা বইয়ে দিয়েছে জার্মানরা।

কুরাসাওয়ের জালে বল পাঠাতে জার্মানির সময় লেগেছিল মাত্র ৬ মিনিট। মিডফিল্ডার ফেলিক্স এনমেচার গোলে শুরুতেই এগিয়ে যায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তখন মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে কুরাসাওকে কঠিন এক পরীক্ষার মুখেই পড়তে হবে। কিন্তু হিউস্টনের স্টেডিয়ামে এরপর দেখা গেল ভিন্ন এক গল্প।

মাত্র ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাও বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই চমকে দেয় জার্মানিকে। ২১ মিনিটে সমতায় ফেরে তারা। ডান প্রান্ত থেকে আক্রমণে উঠে আসা রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়া বক্সের ভেতর বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে পরাস্ত করেন ম্যানুয়েল নয়্যারকে। বল জড়িয়ে যায় জালে, আর গর্জে ওঠে গ্যালারিতে থাকা কুরাসাও সমর্থকেরা।

গোলের পর কোমেনেনসিয়ার উদযাপনও ছিল নজরকাড়া। রেসলিং তারকা জন সিনার বিখ্যাত ‘ইউ ক্যান্ট সি মি’ ভঙ্গিতে উদ্‌যাপন করেন তিনি। গোলের পর ধারাভাষ্যকার ইয়ান ডার্ক আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, ‘হিউস্টনে ইতিহাস। মাত্র এক লাখের একটু বেশি মানুষের একটি দেশ কোটি কোটি মানুষকে বিস্মিত করে দিয়েছে।’

বিশ্বকাপ ইতিহাসের জনসংখ্যার বিচারে সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে খেলতে নামা কুরাসাও অবশ্য বেশিক্ষণ সমতা ধরে রাখতে পারেনি। ৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে হেডে গোল করেন নিকো শ্লটারবেক। তার গোলে আবারও এগিয়ে যায় জার্মানি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান আরও বাড়ান কাই হাভার্টজ। ফেলিক্স এনমেচাকে বক্সের মধ্যে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় জার্মানি। স্পটকিক থেকে লক্ষ্যভেদ করেন হাভার্টজ।

বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে জার্মানি। ৫২ মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করেন জামাল মুসিয়ালা। তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪–১। এরপর কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ যেন ভেঙে পড়ে। ৬৮ মিনিটে পঞ্চম গোলটি করেন লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন। ১০ মিনিট পর গোলদাতাদের তালিকায় নাম লেখান ডেনিজ উনদাভ। জার্মানদের গোল উৎসব শেষ হয় ম্যাচের শেষ দিকে। কাই হাভার্টজ নিজের দ্বিতীয় ও দলের সপ্তম গোলটি করলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৭–১।

একসময় সমতায় ফেরা কুরাসাও শেষ পর্যন্ত আর জার্মানদের আক্রমণের ঢেউ সামলাতে পারেনি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই বড় জয় তুলে নিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

শিক্ষার্থী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজারের শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্ভাবক সাজ্জাদুল ইসলামের উদ্ভাবনের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৪ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবন সম্পর্কে অবগত হন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানিয়েছেন।

এসময় সাজ্জাদুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীকে জানান, তিনি পচা ও পরিত্যক্ত সবজি থেকে পচনশীল পলিথিন এবং কলাগাছের তন্তু ব্যবহার করে ঢেউটিন, টাইলস ও বোর্ড তৈরি করেছেন।

দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব এসব উদ্ভাবনের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি সাজ্জাদুল ইসলামের উদ্ভাবনী কাজে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

গবেষণা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে তরুণ এই উদ্ভাবককে উৎসাহিত করেন প্রধানমন্ত্রী।