খুঁজুন
, ,

মহালয়ায় সংঘাতের আশঙ্কা, মেধসাশ্রম ঘিরে পাহারা!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 24 September, 2022, 10:50 pm
মহালয়ায় সংঘাতের আশঙ্কা, মেধসাশ্রম ঘিরে পাহারা!

গত বছর মহালয়ার দিন বোয়ালখালী উপজেলার চণ্ডী তীর্থ মেধস মুনির আশ্রমের যজ্ঞে পানি ঢেলে দেওয়া ও উপস্থিত সাধুদের মারধরসহ অশ্লীল আচরণ ওঠে আনোয়ারা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেন্দু নেতা অসীম দেবের বিরুদ্ধে।

এ নিয়ে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিলেন, সাধু-সন্ন্যাসী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন।

মেধস আশ্রমের এবারের আয়োজনে যাতে অসীম দেব ও শ্যামল পালিত প্রবেশ না করেন তার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

মহালয়ার দিন প্রতিবছরের ন্যায় চণ্ডী যজ্ঞের আয়োজন করেছেন শ্রী শ্রী অদৈতানন্দ ঋষিমঠ ও মিশন।

একই স্থানে আলোচনার সভার ডাক দিয়েছেন অসীম দেব। এতে সংঘাত সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের অসীম দেব বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে। তবে সার্বিক বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছেন বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক।

এদিকে সাধু-সন্ন্যাসীদের ওপর হামলাকারীদের মেধস আশ্রমে প্রবেশ করতে দেবেন না বলে জানিয়েছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা। ২৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে মেধস আশ্রম ঘিরে পাহারা বসিয়েছেন স্থানীয়রা।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে মেধস মুনি আশ্রম ঘিরে পাহারা বসিয়েছে স্থানীয় হিন্দুরা। মধ্যরাতেও অন্তত ৩শ লোককে মন্দিরের নিচে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

এর আগে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা মেধস মুনি আশ্রমে আগের মতো অনুষ্ঠান করতে ডেকোরেশন জিনিসপত্র পাঠায় ট্রাকে করে। তবে ডেকোরেশন সামগ্রী নিয়ে আসা ট্রাকটি বাধার মুখে পড়ে সন্ধ্যায় মন্দিরের সামনে থেকে ফিরে যায়।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামল পালিত ও সাধারণ সম্পাদক অসীম দেব অবৈধভাবে অনুষ্ঠানে অনুপ্রবেশ করলে তা কঠোরভাবে প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা গতবারের যজ্ঞপণ্ডকারীদের মেধস আশ্রমে যেতে দিতে চান না

জাতীয় হিন্দু মহাজোটের বোয়ালখালীর আমুচিয়া ইউনিয়ন শাখা কমিটির আহ্বায়ক সঞ্জয় চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের কাছে স্থানীয় হিন্দু সমাজ ইতিমধ্যে স্মারকলিপি দিয়েছে। অসীম ও শ্যামল পালিতের এসব তামাশা বোয়ালখালীর হিন্দু সমাজ মেনে নেবে না।

তিনি আরও বলেন, মেধস মুনি আশ্রমে তাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হিন্দু সমাজ ঐক্যবদ্ধ। আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য ও নৈতিক দাবি আমরা ইতিমধ্যেই প্রশাসনকে জানিয়েছি। এরপরও যদি অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন, তাহলে যেকোনো ধরণের পরিস্থিতির জন্য তাঁরাই দায়ী থাকবেন।

স্থানীয় হিন্দু সংগঠনের একাধিক নেতা জানান, প্রতিবছর দুর্গাপূজা এলেই হঠাৎ জেগে ওঠে তারা। শহর থেকে গায়িকা এনে গান গাওয়া কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান না। পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের তো এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। গতবছর মন্দিরে অনুপ্রবেশ করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক ও আনোয়ারা ৭ নম্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসিম কুমার দেব আশ্রমের সাধু-সন্ন্যাসীদের মারধর করেছিল। প্রশ্ন উঠেছে, কী স্বার্থে তারা এখানে অনুপ্রবেশ করছে। আমরা স্থানীয়রা কি মরে গেছি? এবার এ ধরনের কেউ অনুপ্রবেশ করলে সম্মান নিয়ে মন্দির থেকে ফিরতে পারবে না। জীবনের বিনিময়ে হলেও এবার অনুপ্রবেশকারীদের প্রতিরোধ করা হবে।

দুর্গাপূজার উৎপত্তিস্থল হিসেবে স্বীকৃত মেধস মুনি আশ্রমে এবারও মহালয়ার আয়োজন থাকবে। তবে মহালয়ার আয়োজন ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরির পেছনে এবারও জেলা পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের হাত রয়েছে বলে মন্তব্য করেন আশ্রমের মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী বুলবুলানন্দ।

তিনি বলেন, মেধস মুনির আশ্রমে মহালয়ার দিন যজ্ঞসহ শাস্ত্রীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। ভক্ত হিসেবে যেকেউই আসতে পারবে। তবে এখানে কাউকে অশাস্ত্রীয় কার্যকলাপ করতে দেওয়া হবে না।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি শ্যামল পালিত বলেন, আমরা গত ৩০ বছর ধরে এ আশ্রমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছি, এবারও আমাদের আয়োজন থাকবে।

গত বছরের মতো এবারও মহালয়ার দিন এ আশ্রমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে— এমন আশঙ্কার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি ‘ব্যস্ত আছি’ বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক ও আনোয়ারার ৭ নম্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসিম কুমার দেবকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

যোগাযোগ করা হলে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ বিষয়টা নিয়ে এর আগে মাননীয় সাংসদ, হিন্দু সংঠনের নেতা, সেবায়তসহ বৈঠক হয়েছিল। তখন তো সব ঠিকঠাক ছিল। সংঘাতের আশঙ্কার বিষয়ে আমাদের কাছে তথ্য নেই।

একই প্রসঙ্গে বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মামুন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমাদের সাথে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের আলাপ হয়েছে। হিন্দু সংগঠনের নেতাদের স্মারকলিপি দেওয়ার বিষয়টি জেনেছি। উপজেলা প্রশাসনে অনুলিপি পাঠালেও তা আমি এখনও পাইনি।

তিনি বলেন, মহালয়ার দিন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ব্যাপারে তো আমাদের কিছু করার নেই। তবে এ দিন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির কোনো শঙ্কা দেখা দিলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিব।

২৪ঘণ্টা/জেআর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।