কাশ্মীর সমস্যার মূলহোতা নেহরু, সমাধানকারী মোদি: অমিত শাহ
জম্মু-কাশ্মীরে ‘বিশৃঙ্খলা’ সৃষ্টি করেছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। তিনি সেখানে ৩৭০ ধারা প্রয়োগ করেছিলেন। এরপর থেকেই উপত্যকায় সমস্যার সূত্রপাত। এ সমস্যার সমাধান করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) এমন দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
গুজরাটে এক জনসভায় অমিত শাহর ভাষণে উঠে আসে কাশ্মীর প্রসঙ্গ। তিনি দাবি করেন, নেহরুই উপত্যকা নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যার জন্য এককভাবে দায়ী। মোদি ক্ষমতায় আসার পরে পরিস্থিতি বদলেছে। সবাই চেয়েছিলেন কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল করা হোক। প্রধানমন্ত্রী মোদি সেটি বাতিল করেছেন।
এদিকে অমিতের এ দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে কংগ্রেস। দলটি জানিয়েছে, অমিত শাহ তার নেতার (মোদি) মতো মিথ্যা বলেছেন।
গুজরাট সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জম্মু-কাশ্মীরে সমস্যার জন্য জওহরলাল নেহরুকেই ইঙ্গিত করেছিলেন। মোদি বলেছিলেন, সর্দার সাহে (সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল) সব স্বাধীন রাজ্যকে ভারতের সঙ্গে একীভূত হতে রাজি করিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য একজন ব্যক্তি কাশ্মীর সমস্যার মোকাবিলার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আমি সর্দার সাহেবের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছি, আমার কাছে সর্দারের মাটির মূল্যবোধ আছে বলেই কাশ্মীরের সমস্যার সমাধান করতে পেরেছি। সর্দার প্যাটেলকে সত্যিকারের শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি।
কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, আলোচনার ভিত্তিতে সংবিধানে অনুচ্ছেদ ৩৭০ প্রণয়ন করা হয়েছিল। কেউ এর জন্য পদত্যাগ করেনি।
গত আগস্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করে বিজেপির পক্ষে দাবি করা হয়েছিল, দেশভাগের জন্য দায়ী নেহরুই। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগের দাবির সামনে তিনি মাথানত করেছিলেন। পালটা দাবি করে কংগ্রেস জানিয়েছিল, আধুনিক দিনের সাভারকর এবং জিন্নাহরা জাতিকে বিভক্ত করার জন্য তাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৪৪টি এলাকাজুড়ে মোট পাঁচটি সফরের পরিকল্পনা করেছে বিজেপি। প্রতিটি সফর চলবে আট থেকে নয় দিন ধরে।
এন-কে


আপনার মতামত লিখুন