খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টার্গেট বিদেশগামীরা, পাঁচ থানায় বিভক্ত সড়ক

চট্টগ্রামে টোল রোডে আতঙ্ক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০২২, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে টোল রোডে আতঙ্ক

চট্টগ্রামে টোল রোডে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে। ফৌজদারহাট—বন্দর হয়ে মিশেছে পতেঙ্গার চট্টগ্রাম আউটার রিং রোডের সঙ্গে। সিএমপির ৫ থানার টহল চলে এই টোল রোড, বন্দর ও পতেঙ্গাকে ঘিরে। অভিযোগ রয়েছে, সন্ধ্যার পর থেকে পতেঙ্গা ও কাট্টলী বীচে আগত পর্যটকদেরকেও আতঙ্কে বাড়ী ফিরতে হয়। পুলিশের একাধিক টিম টহলে থাকলেও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পুলিশকে পাহারা দিয়েই সন্ত্রাসী কার্যক্রম ঘটাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সন্ধ্যা হলেই অনিরাপদ হয়ে উঠে পুরো সড়ক। কারন এই সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না পুলিশ।

অভিযোগ রয়েছে, বছর চারেক আগে উত্তর কাট্টলীস্থ টোল রোড এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক ডাকাত নিহতের ঘটনার পর থেকে ৫ থানা পুলিশ তৎপর রয়েছে।

ভিন্ন ভিন্ন অংশে পুলিশের টহল অব্যাহত থাকায় সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী পুলিশকে পাহারা দিচ্ছে। ঘটনার আগে ও পরে পুলিশের উপস্থিতের বিষয়টি মাথায় রেখেই সন্ত্রাসীরা ছিনতাই করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মোটর সাইকেলে থাকাদের টার্গেট করলেও বিদেশগামীদের গাড়ীও ঠেকাচ্ছে।

আরো অভিযোগ রয়েছে, ফেনী, মীরসরাই, সীতাকুন্ড, কুমিরা, ভাটিয়ারী ও ফৌজদারহাট এলাকার প্রবাসী বা বিদেশগামীরা বিশেষ করে ফৌজদারহাট—বন্দর টোল রোড ব্যবহারে আতঙ্কগ্রস্থ।

গত ৪ বছর ধরে চট্টগ্রাম আউটার রিং রোড চালু হওয়ার পর থেকে বন্দর টোল রোড ব্যবহারকারীদের মাত্রা আরো বেড়েছে।

বিভিন্ন সময়ে এই সড়কে আগতরা ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের কবলে পড়ে সর্বস্ব হারানোর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় থানা নিধার্রন করতে না পেরে বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্থরাই আইনের সাহায্য নিতে পারছেনা।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফৌজদারহাট চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আওতায়, দক্ষিন কাট্টলী আকবরশাহ থানার আওতায়, উত্তর কাট্টলী পাহাড়তলী থানা পুলিশের আওতায়,

একটি অংশ হালিশহর থানা, ঈশানমিস্ত্রীর হাট প্রকাশ ইয়াছিন্নার হাট এলাকা বন্দর থানা এলাকায় এবং জাহাজ বিল্ডিং টু পতেঙ্গা এলাকা পতেঙ্গা থানার আওতায়।

পাহাড়তলী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উত্তর কাট্টলীস্থ বেড়িবাঁধ সংলগ্ন পুরাতন টোল রোডের পশ্চিম পার্শ্বে রয়েছে নেজামত আলীর পুকুর।

এই পুকুরকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে ছিনতাই কারীরা ওঁৎ পেতে থাকে। পুকুরের অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে থাকা অপরাধীদের পাকড়াও করতে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করে পাহাড়তলী থানা পুলিশ।

এ ব্যাপারে পাহাড়তলী থানার এক এসআই জানিয়েছেন, প্রতিনিয়ত ঐ সড়কে টহল দিচ্ছে পাহাড়তলী থানা পুলিশ। টোল রোড এলাকার উত্তর কাট্টলী অংশই শুধু পাহাড়তলী থানা পুলিশের।

আরো ৪টি অংশ বিভিন্ন থানা পুলিশের। সেখানে পুলিশের নজরদারি যেমন রয়েছে তেমনি অপরাধীরাও পুলিশকে পাহারা দিচ্ছে।

২৪ঘণ্টা/জেআর

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।