খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার রিজার্ভ থেকে এক পয়সাও নষ্ট করে না : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
সরকার রিজার্ভ থেকে এক পয়সাও নষ্ট করে না : প্রধানমন্ত্রী

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে বিএনপি নেতাদের অপপ্রচারের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার কখনো রিজার্ভ থেকে এক পয়সাও নষ্ট করে না, বরং দেশ ও জনগণের স্বার্থে এই টাকা ব্যবহার করে।

তিনি বলেন,‘দআওয়ামী লীগ সরকার এ দেশের এক পয়সাও অপচয় করে না। প্রতিটি অর্থ ব্যয় করে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থেও কল্যাণে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে দেয়া ভাষণে একথা বলেন।

তিনি গণভবন থেকে সাভারের আশুলিয়া বাজার সংলগ্ন কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা সব সময় রিজার্ভের টাকা খরচ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, ‘রিজার্ভের টাকা থেকে কোন অর্থ অপব্যবহার হয় না। বিএনপি নেতারা সব সময় বিষয়টি নিয়ে কথা বলে, কারণ তাদের নেতা তারেক রহমানকে মানি লন্ডারিং মামলায় সাত বছরের কারাদন্ড এবং ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং তিনি এখন পলাতক আসামী।’
তাদেরকে আমি বলতে চাই বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন রিজার্ভ ছিল মাত্র ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত সময়ে এটি বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার হয়। সেই জায়গা থেকে আমরা এই রিজার্ভ প্রায় ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে সক্ষম হই।

সরকার প্রধান বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে যোগাযোগ, যাতায়াত, আমদানী থেকে শুরু করে সবকিছুই প্রায় বন্ধ ছিল। আর যখনই যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্মুক্ত হয়, তখন আমাদের আমদানী করা, পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ^ব্যাপী সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দার জন্য ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্থের বাড়তি জোগান ও রিজার্ভ থেকেই দিতে হচ্ছে। তারপরও বাংলাদেশের মত বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন প্রদান এবং করোনা টেষ্টের ব্যবস্থা যেটা পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশও করতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে খাদ্য পণ্যের দাম,পরিবহন খরচ, জ্বালানি তেল, ভোজ্য তেল, গম, ভুট্টাসহ যে সমস্ত পণ্য আমদানি করতে হয়, তার দাম বেড়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ চাল উৎপাদন করলেও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু কিছু আমদানি করতে হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যেটুকু খরচ করেছি তা জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে। জনগণের খাদ্য কেনা, ওষুধ কেনা জনগণের মঙ্গলের জন্যই করতে হয়েছে। সার, জ¦ালানি তেল, বিদ্যুৎ আমাদের ক্রয় করতে হচ্ছে, নগদ টাকা দিয়ে আমরা কিনছি। তাছাড়া আমাদের রিজার্ভের টাকা দিয়ে আমরা কিন্তু বিমান ক্রয় করেছি। নদী ড্রেজিং যেমন নিজেদের অর্থে করছি তেমনি কিছু কিছু বিনিয়োগও আমরা করছি ।’

তিনি বলেন এই টাকা যদি তাঁর সরকার অন্যদেশের ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে নিতো তাহলে সুদ সমেত টাকা পরিশোধ করতে হতো। আর আমাদের ব্যাংক থেকে দিলে যেটা সোনালী ব্যাংক থেকে আমরা দিচ্ছি তাহলে ঐ সুদ সমেত টাকা দেশের টাকা দেশেই থেকে যাচ্ছে এবং সেদিকে লক্ষ্য রেখেই প্রায় ৮ বিলিয়নের মত আমরা খরচ করছি। এখান থেকে কিছু ডলার শ্রীলংকার অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় ধার হিসেবে দেয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘কাজেই এখানকার টাকা কেউ তুলে নিয়ে চলে যায়নি, যেটা তাদের মনে সবসময় ভয় থাকে তারা ঐরকম বলে।

‘কাজেই মানিলন্ডারিং যাদের অভ্যাস তারা খালি এটাই জানে যে, টাকা বোধহয় সব নিয়েই যেতে হয়,’ উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বক্তব্য রাখেন।

সেতু বিভাগের সচিব মো. মঞ্জুর হোসেন এক্সপ্রেসওয়ে সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

আশুলিয়া প্রান্তে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমানসহ সর্বস্তরের মানুষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকার প্রধান বলেন, আজকে আমরা একযোগে একশ’ সেতু উদ্বোধন করেছি। পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি, যমুনার ওপর সেতু করাসহ সারা বাংলাদেশে যোগাযোগের যে নেটওয়ার্কটা করতে পেরেছি তার ফলাফলটা দেশের মানুষ পাচ্ছে। কাজেই আমরা রিজার্ভের টাকা কেউ চিবিয়ে খাইনি, গিলেও খাইনি বা কেউ নিয়েও যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে হ্যাঁ, বিএনপিতো এসব বলবেই, এটা তাদের অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। কারণ, তারেক রহমান নিজেই যে মানিলন্ডারিং করেছে এটা আমরা নয়, আমেরিকার তদন্তেই বেরিয়েছে। এফবিআই থেকে অফিসার এসে এখানে তারেকের বিরুদ্ধে সাক্ষি দিয়ে গেছে। এটা জনগণের জানা উচিত।

প্রধানমন্ত্রী পুনরায় উল্লেখ করেন, ‘সকলের জানা উচিত যে, সে একটা সাজাপ্রাপ্ত আসামি। গ্রেনেড হামলা মামলায় তার যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানি মামলাতেও সে সাজাপ্রাপ্ত।’

তিনি বলেন, তারা (জিয়া পরিবার) নিজেরা চুরি করে অর্থ সম্পদ বানিয়েছে। কারণ, তাদের তো কিছুই ছিল না। জিয়াউর রহমান যখন মারা যায় তখন আমরা ৪০ দিন টেলিভিশন দেখেছি। ভাঙা স্যুটকেস, আর ছেড়া গেঞ্জি ছাড়া কিচ্ছু রেখে যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে গিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক তারা। জনগণের অর্থ আতœসাৎ করেই এটা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এদেশ স্বাধীন করেছেন। আমরা আওয়ামী লীগ সরকার। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে। কারণ, জাতির পিতা যে আদর্শ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন আমরা সেটাই পূর্ণ করতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়ে রাষ্ট্র চালাচ্ছি বলেই গত ১৩ বছরের মধ্যে এই বাংলাদেশ বদলে গেছে।

বেশিরভাগ উন্নয়ন কাজ নিজেদের অর্থায়নে হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাতে কারও কাছে হাত পেতে চলতে না হয়। নিজেদের সম্মান নিয়ে আমরা নিজেরা চলবো। মাথা উঁচু করে বাংলাদেশ সম্মানের সঙ্গে চলবে।

তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি। বিজয়ী জাতি হিসেবেই আমাদের মাথা উঁচু করেই চলতে হবে। একথা সকলকেই মনে রাখতে হবে।

করোনার সময়ও আমাদের অর্থনীতি যাতে শক্তিশালী থাকে, তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, সেইসঙ্গে সকলের কাছে আহ্বান করেছি, এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। যেহেতু সারা বিশ্বব্যাপী, করোনা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ স্যাংশন-কাউন্টার স্যাংশনের ফলে প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বেড়ে গেছে।

দুর্ভিক্ষের ধাক্কা এড়াতে সবাইকে সাবধান থাকার বিষয়ে আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদেরকে ফসল উৎপাদন করেতে হবে এবং পুষ্টি নিশ্চয়তার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের সাবধানতা আমাদেরই নিতে হবে।

তার সরকারের সময়ে সড়কপথ, নৌপথ, আকাশপথের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মেট্টোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করছি। এসবের জন্য টাকা খরচ হচ্ছে। রিজার্ভের টাকা তো লাগবেই, এটাই হলো বাস্তবতা।

প্রধানমন্ত্রী নির্মাণাধীন এলিভেটেড একাসপ্রেসওয়ে প্রসঙ্গে বলেন, ঢাকা শহরের উত্তরাঞ্চল তথা সাভার, আশুলিয়া নবীনগর, ইপিজেড সংলগ্ন শিল্প এলাকার যানজট নিরসনে এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরিতে তাঁর সরকার ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, ’৯৬ সালেই তিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন ঢাকা-আশুলিয়া রাস্তা করে দেওয়ার। এখন সেখানে তাঁর সরকার এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করে দিচ্ছে। এতে রাস্তাটি যেমন যানজট মুক্ত থাকবে তেমনি যোগাযোগ আরো সহজ হবে। বিশেষকরে শিল্প নগরী হিসেবে গড়ে ওঠা আশুলিয়ার সঙ্গে সমগ্র বাংলাদেশের যোগাযোগও সহজ হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইপিজেড হয়ে নির্মাণাধীন ২৪ কি.মি. প্রকল্পটিকে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সংশোধিত আকারে ডিপিপি অনুমোদন করে। কাজেই ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি নির্মিত হলে আমাদের শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন দ্রুততর হবে।

তিনি বলেন, আর এই প্রকল্পটি ঢাকা ইপিজেড থেকে আশুলিয়া, আব্দুল্লাহপুর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকট ঢাকা কাওলা হয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত হবার মাধ্যমে কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ি হয়ে কুতুবখালী পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৪ কি.মি. নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি এটা নির্মিত হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার শূন্য দশমিক ২১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায় বলেও জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, এটি এশিয়ান হাইওয়ে অ্যালাইনমেন্টের মধ্যে অবস্থিত একটি প্রকল্প এবং ঢাকা এলিভেডেট এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে ৩০টি জেলার সংযোগ স্থাপনকারি আব্দুল্লাহপুর, আশুলিয়া, বাইপাইল,চন্দ্রা, কুড়িল রোডে যানজট অনেকাংশে কমে যাবে এবং এক্সপ্রেসওয়েটির সঙ্গে সকল জাতীয় মহাসড়কের যোগাযোগ স্থাপিত হবে। কাজেই তিনি এটি সুষ্ঠুভাবে নির্মাণে নির্মাণ সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি সংস্থার সকলের সহযোগিতাও কামনা করেন।

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সবসময় বিশেষ অবদান রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী এ সময় চীনের রাষ্ট্রপতিকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

২৪ঘণ্টা/এনআর

Feb2

প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট দুজনকে আটক ও তাদের কাছ থেকে চোরাই তামার তার উদ্ধার করেছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিকেলে সিটিটিসির সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গ্রেপ্তাররা হলেন রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২)।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তার চুরি করেন।

পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একুশে হলের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে রেজাকুলের তথ্যে চকবাজার থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেনী দালান রোডে একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা আজ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। এই রহস্য উদঘাটন করেছি। সংশ্লিষ্ট রঞ্জন চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছি। এছাড়া ৮ কেজি তার উদ্ধার করা হয়েছে একটি ভাঙারির দোকান থেকে, যেখানে তার বিক্রি করেছিল রঞ্জন। এছাড়া ভাঙারির দোকান মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ১ জুন সচিবালয়ের দায়িত্বরত কর্মীরা অফিসে এসে দেখতে পান গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন লাইনগুলো বিকল হয়ে পড়ে আছে। সচিবালয়ের পুরাতন ২ নম্বর ভবন থেকে নতুন ১ নম্বর ভবন পর্যন্ত বিস্তৃত টেলিযোগাযোগের অত্যন্ত মূল্যবান কপার ক্যাবলগুলো ভবনের ছাদ ও সংযোগ লাইনের বিভিন্ন স্থান থেকে বিচ্ছিন্ন।

কোথাও কোথাও তার কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। কিছু কিছু জায়গায় তার ছিল না। এতে শুধু সাধারণ টেলিফোনই নয়; বরং অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে পরিচিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রেড টেলিফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন সংযোগগুলো পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।

দেশে তীব্র গরম আর কতদিন থাকবে?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
দেশে তীব্র গরম আর কতদিন থাকবে?

দেশজুড়ে তীব্র গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। চলতি জুন মাসে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে মাসজুড়ে দুই থেকে তিন দফা মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে যে তাপপ্রবাহ চলছে তা আগামীকাল শুক্রবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে শনিবার থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করতে পারে। যদিও তাপপ্রবাহের তীব্রতা কমলেও ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি সহজে কমবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

গতকাল দেশের পাঁচ বিভাগ—ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুরে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। এসব বিভাগের ৪৫টি জেলার পাশাপাশি চাঁদপুর, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও তাপপ্রবাহ ছিল। সব মিলিয়ে দেশের ৪৮টি জেলা তাপপ্রবাহের আওতায় আসে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক গণমাধ্যমে বলেন, চলতি বছরে এত বিস্তৃত এলাকায় একসঙ্গে তাপপ্রবাহের ঘটনা আগে দেখা যায়নি। তার ভাষ্য, জুন মাসে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে, তবে শুক্রবার থেকে তাপপ্রবাহের বিস্তার কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় দিনাজপুরে, ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মাসে সর্বোচ্চ।

সাধারণত দেশের সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে এপ্রিল মাসে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মে মাসে। তবে এ বছর এপ্রিল ও মে মাসে তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। এপ্রিল মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭৫ শতাংশেরও বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ায় গরমের তীব্রতা কম ছিল। কিন্তু জুন মাসে মৌসুমি বায়ু প্রবেশের সময় হলেও এখনো তা পুরোপুরি সক্রিয় হয়নি।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় মৌসুমি বায়ু দেশে প্রবেশ করতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। তার মতে, এবার মৌসুমি বায়ুর আগমন কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে। বায়ু প্রবেশের তিন থেকে চার দিন পর দেশজুড়ে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার থেকে তাপপ্রবাহের বিস্তার কমতে শুরু করলেও গরমের অনুভূতি খুব বেশি কমবে না। আজ ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। রাজধানী ঢাকাতেও বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ২৫ মে দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটেছিল। সাধারণত ৩১ মে নাগাদ এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে। কিন্তু এবার মৌসুমি বায়ুর আগমন বিলম্বিত হওয়ায় বৃষ্টিও পিছিয়ে যাচ্ছে, ফলে গরমের অস্বস্তি আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে।

আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস বলছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে মৌসুমি বায়ু প্রবেশের পর বৃষ্টিপাত বাড়তে শুরু করলে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। তবে পুরো জুন মাসজুড়েই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গরম অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মুন্না সভাপতি নয়নকে সাধারণ সম্পাদক, যুবদলের ১৫১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
মুন্না সভাপতি নয়নকে সাধারণ সম্পাদক, যুবদলের ১৫১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে দলের সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি
১. সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না
২. সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল
৩. সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া
৪. সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ
৫. সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ
৬. সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল
৭. সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী
৮. সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান
৯. সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু
১০. সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান
১১. সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম
১২. সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল
১৩. সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ
১৪. সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার
১৫. সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু
১৬. সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ
১৭. সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন
১৮. সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক
১৯. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল
২০. সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন
২১. সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু
২২. সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ারুল হক
২৩. সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)
২৪. সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)
২৫. সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না
২৬. সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু
২৭. সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
২৮. সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন
২৯. সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ
৩০. সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)
৩১. সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন
৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক
৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ
৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু
৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন
৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া
৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল
৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন
৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট
৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির
৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন
৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ
৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল
৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার
৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক
৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা
৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক
৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন
৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান
৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন
৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক
৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার
৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু
৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ
৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল ওয়াহাব
৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)
৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ
৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম
৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)
৬১. সহ সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন
৬২. সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ
৬৩. সহ সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল
৬৪. সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ
৬৫. সহ সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন
৬৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া
৬৭. সহ সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান
৬৮. সহ সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি
৬৯. সহ সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান
৭০. সহ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল
৭১. সহ সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন
৭২. সহ সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন
৭৩. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ
৭৪. সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ
৭৫. সহ সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল
৭৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান
৭৭. সহ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম
৭৮. সহ সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ
৭৯. সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল
৮০. সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদুল হক
৮১. সহ সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না
৮২. সহ সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা
৮৩. সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী
৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জুয়েল
৮৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার
৮৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা
৮৭. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন
৮৮. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব
৮৯. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম
৯০. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন
৯১. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম
৯২. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি
৯৩. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল
৯৪. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম
৯৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ
৯৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম রিপন
৯৭. প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার
৯৮. সহ প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান
৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন
১০০. সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল
১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন
১০২. কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন
১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক
১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি
১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ
১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল
১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মোঃ মাসকুরুল আলম সৌরভ
১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম
১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন
১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল
১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম
১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু

১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি

১১৪. সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মেজবাহউদ্দিন মেজু
১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন
১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু
১১৭. সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল
১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী
১১৯. সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম
১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান
১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু
১২২. ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ
১২৩. সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার
১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী
১২৫. সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন
১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী
১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স
১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি
১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান
১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম

১৩১. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন
১৩২. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল
১৩৩. সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহিদ হাসান
১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা)
১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার
১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান
১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া
১৪০. সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ
১৪১. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান
১৪২. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার
১৪৩. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ^াস
১৪৪. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব
১৪৫. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু
১৪৬. সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ
১৪৭. সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু
১৪৮. সদস্য মাহমুদুল করিম সজল
১৪৯. সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন
১৫০. সদস্য মোঃ এমরান হোসেন শাহীন
১৫১. সদস্য ফখরুল বিন খালেক