খুঁজুন
, ,

হাটহাজারীতে ব্যাটারি চালিত রিকশা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 15 November, 2022, 6:22 pm
হাটহাজারীতে ব্যাটারি চালিত রিকশা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে

মানুষ অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে আছে একটি যান্ত্রিক রিক্সা উল্কার মতো ধেয়ে আসছে সামনের দিকে। বাস সি এন জি-ট্রাক কিছুই মানছে না সামনের দিকে দুই পা তুলে রাজার হালে বসে হ্যান্ডেল ধরে আসছে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য কোন এক অজগাপাড়া গ্রাম থেকে ধরে এনে কোন রকম প্রশিক্ষণ ছাড়াই হাটহাজারীতে কয়েক শত যুবকের হাতে ব্যাটারিচালিত রিকশা তুলে দিয়েছে একশ্রেণীর মালিকরা। মালিকের দৈনিক ভাড়া জোগাড় করতে গলদগর্ম এইসব চালকরা নিয়ন্ত্রণের কথা না ভেবে যত দ্রুত সম্ভব একের পর এক ভাড়া মারতে প্রায় পাগলের মত ছুটে চলার ফলে প্রতিদিন ঘটাচ্ছে মারাত্মক দুর্ঘটনা কখনো পথচারীর উপর কখনো বাস-ট্রাক সিএনজি পিছনে ধাক্কা খেয়ে চালক যাত্রী দুজনে মারাত্মক আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে নিহত ও পঙ্গু হচ্ছে অনেকেই।

এই ব্যবসা করতে গিয়ে মালিকরা প্রতিদিন চোরা বৈদ্যুতিক স্ংযোগ নিচ্ছে। এসব দেখতে অনুসন্ধানে জানা যায় হাটহাজারীতে যেন দিন দিন বাড়ছে এই সব ব্যাটারিচালিত রিকশা। উপজেলার সদর বর্তমানে তিন হাজারের বেশি ছেয়ে গেছে।

একটি কুচক্রী মহল পেডেল রিক্সায় মোটর লাগিয়ে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর এমনকি অনেকে কোটিপতি হয়েছে এসব রিক্সা পৌরসভার এলাকায় বেশি চোখে পড়ে তবে এসব রিক্সার কোন লাইসেন্স বা পৌর রাজস্ব নেই।

রাজস্ব বিহীন হাটহাজারী পৌর এলাকায় আনুমানিক তিন হাজারের অধিক এইসব ব্যাটারিচালিত রিকশা নির্দ্বিধায় চলাচল করলেও পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো তদারকি নেই।

এইসব রিক্সার বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে একশ্রেণীর প্রভাবশালী ব্যক্তিরা টাকার লোভে এইসব রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন অনেকেই।

একেবারে পৌরসভার  রাজস্ব ছাড়াই তিন হাজারের অধিক রিক্সার কিভাবে সম্পূর্ণ আদালতের আইন অমান্য করে অবৈধভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এদিকে আবার এইসব অবৈধ রিকশা তৈরি কারখানা রয়েছে হাটহাজারীতে বেশ কয়েকটি প্রতিটি রিক্সার তৈরির কারখানা থেকে দৈনিক একটি রিকশা তৈরি হয়।

পাশাপাশি অবৈধ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে একশ্রেণীর বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা তাদের নিজেদের পকেট ভারি করছে হাটহাজারী পৌরসভা কোন ট্যাক্স নিচ্ছে না এসব ব্যাটারিচালিত রিকশার মালিকদের কাছ থেকে।

তবে শুরুতে ট্যাক্সির বিকল্প হিসাবে অনেক রোমাঞ্চকর অনুভূতি মনে করলেও দুই পা তুলে দ্রুত গতিতে চালাতে গিয়ে প্রায় সময় এইসব রিক্সা চিৎপটাং হয়ে  প্রতিনিয়ত পরিবারের  বোঝায় পরিণত করেছে অনেককে।

এমনকি বিভিন্ন হাসপাতালে অনেক নর নারী শিশু ও বৃদ্ধরা চিকিৎসা নিচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে কিছুটা বন্ধ করার কাজ শুরু হলেও শতশত রিক্সা বর্তমানে হাটহাজারীর দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

এতে করে হাটহাজারী বিভিন্ন অঞ্চলে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন করে তীব্র যানজট। এসব ব্যাটারি রিক্সার কারণে সকাল বিকাল প্রতিদিনই তীব্র যান জট লেগেই থাকে আনাড়ি চালকদের কারণে।

এসব রিক্সা সড়কে সকালে আসে আবার রাতে চলে যায় ফলে দিনের আধাবেলা চার্জ দিয়ে তাকে হাটহাজারীর বিভিন্ন দোকান থেকে চোরা বিদ্যুৎ নিয়ে ।

এ ভাবে বিদ্যুৎ যাচ্ছে ব্যাটারি চালিত রিক্সার গুলোতে। কিন্তু সে হিসাবে হাটহাজারী পৌরসভা কোন রাজস্ব পাচ্ছে না । হঠাৎ করে কয়েক দিনের জন্য এই ব্যাটারি রিক্সা বন্ধ করলেও পরবর্তীতে সপ্তাহখানেক যেতে না যেতে আবারও চলাচল শুরু করে নির্দ্বিধায়।

হাটহাজারী পৌরসভার উদ্যোগে বেশ কয়েকবার এই অবৈধ ব্যাটারি রিকশা চলাচল বন্ধ করলেও পরবর্তীতে আবারও অজ্ঞাত কারণে এই রিকশা চলাচল শুরু করে দিয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও কিভাবে, কার কুটির জোরে চলছে তাহা এলাকাবাসী ও স্থানীয়দের বোধগম্য হচ্ছে না । বারবার এই অবৈধ ব্যাটারি রিকশা বন্ধ করলেও পুনরায় সপ্তাহখানেক পর আবারো

চলাচল করে হাটহাজারী পৌর এলাকায় যার ফলে প্যডেল রিকশাও কেউ বের করতে চাই না । প্রতিদিন হাটহাজারী কলেজ গেইট, বাস ষ্টেশন,

বাজার সহ গোটা  হাটহাজারী সড়কগুলোতে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয় । এই ব্যাপারে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার মানুষ।

২৪ ঘণ্টা / জেআর

Feb2

ঘানাকে হারিয়েই নকআউট পর্বে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 5:42 am
ঘানাকে হারিয়েই নকআউট পর্বে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া। তবে সেই ধাক্কা দারুণভাবে সামলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ বা নক-আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ক্রোয়াটরা। ঘানার বিপক্ষে এই রোমাঞ্চকর জয়ে রানারআপ হিসেবেই পরের রাউন্ডের টিকিট কাটলো তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে লড়তে থাকে দুই দল। তবে ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার পিটার সুচিচ। ৩১তম মিনিটে ভিএআর চেকের মাধ্যমে রেফারি গোলটির চূড়ান্ত বৈধতা দেন। ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ঘানা। অবশেষে ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে আসে সমতাসূচক গোলটি। আর্নেস্ট নুয়ামাহর নেওয়া ফ্রি কিকে বক্সের ভেতর দূরের পোস্টে থাকা ডেরিক লুকাসেন ভলিতে বলটি জালে পাঠান। সহকারী অফসাইডের পতাকা তুললেও ভিএআরের মাধ্যমে গোলের বৈধতা দেন রেফারি।

তবে বেশিক্ষণ সমতায় থাকতে পারেনি ঘানা। ১০ মিনিট পরেই আবারও লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নিকোলা ভ্লাসিচ। এরপর আর কোনো গোল না হলে ২-১ ব্যবধানে শেষ হয় ম্যাচটি।

পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 5:32 am
পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

England's Harry Kane (9) scores his side's second goal past Panama goalkeeper Orlando Mosquera (22) during the World Cup Group L soccer match between Panama and England in East Rutherford, N.J., near New York, Saturday, June 27, 2026. (AP Photo/Yuki Iwamura)

দিন তিনেক আগে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিল ইকুয়েডর। সেই নিউজার্সি স্টেডিয়ামে এরকম কিছুর আভাসই দিচ্ছিল পানামা। কিন্তু সেটা আর হয়নি। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ২-০ গোলে সহজেই ম্যাচটি নিজেদের করে নেয়।

হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড প্রথমার্ধে পানামা বক্সে নিয়মিত ব্যতিব্যস্ত রেখেছিল। একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পায়নি টুখেলের শিষ্যরা। পানামা রক্ষণ ঠিক রেখে মাঝে-মধ্যে আক্রমণ করে ইংল্যান্ডের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল।

পানামার এই ম্যাচে হারানোর কিছু ছিল না। টুর্নামেন্টে আগেভাগে বিদায় নেয়া দলের মধ্যে পানামা অন্যতম। ইংল্যান্ডের পরের রাউন্ড নিশ্চিত হয়েছে। এই ম্যাচটি শুধু গ্রুপসেরা হওয়ার। এরপরও পানামার বিপক্ষে পয়েন্ট হারালে ইংল্যান্ডের প্রভাব প্রতিপত্তির উপর বড় চাপের শঙ্কা ছিল। গোল না হওয়া পর্যন্ত তাই ইংলিশ সমর্থকরা ছিলেন তুমুল চাপে।

ইংল্যান্ডকে চাপমুক্ত করেন বেলিংহাম। ৬২ মিনিটে কর্নার থেকে বক্সের মধ্যে জটলায় বা পায়ে নিখুঁত প্লেসিংয়ে বল জালে পাঠান। গোললাইন অতিক্রম করার পর ইংলিশ সমর্থকরা হাফ ছেড়ে বাঁচেন। তখন নিউজার্সি স্টেডিয়াম ইংলিশ গানে মুখরিত হয়।

ম্যাচ জুড়ে পানামা বক্সে থেকে গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ব্যতিব্যস্ত রাখা হ্যারি কেইন মিনিট পাঁচেক পর ব্যবধান দ্বিগুণ করলে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয়৷ কর্নার থেকে এবারও ম্যান মার্কিংয়ে ভুল পানামার ডিফেন্ডারদের ৷ হ্যারি কেইন দারুণ দক্ষতায় লাফিয়ে হেডে পরাস্ত করেন গোলরক্ষককে। আবার নিউজার্সি স্টেডিয়াম ইংলিশ সমর্থকদের উল্লাস।

৬০ মিনিট পর্যন্ত প্রায় সমানতালে খেলা পানামা ৫ মিনিটের মধ্যে দুই গোল হজম করে খেলা থেকে ছিটকে যায়। ম্যাচের বাকি সময় অনেকটা পরিকল্পনাহীন ফুটবলই খেলেছে মধ্য আমেরিকার দেশটি। জয় সুনিশ্চিত হওয়ায় ইংলিশ কোচ টুখেল ফুটবলার পরিবর্তন করে খানিকটা পরখ করেন। ম্যাচটি শেষ হয় ২-০ ব্যবধানেই।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 11:14 pm
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করেছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানের টাকা। গণনা শেষে এবার পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় খোলা হয় মসজিদের ১৩টি দানবাক্স। এতে মিলে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা। ৯টার পর শুরু হয় গণনা। চলে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত।

জেলা প্রশাসন ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটি গণনা শেষে মোট টাকা পাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রতি তিন থেকে চার মাস পরপর পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। এতে রেকর্ড সংখ্যক টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রাসহ নানা সামগ্রী পাওয়া গেছে।

জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ ৫৯০জন এবার টাকা গণনায় অংশ নেন।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। ১৩টি সিন্দুকে সেসময় ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। গণনা শেষে মোট টাকার সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছিল।

শনিবার দানবাক্স খোলা শেষে এক ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন বলেন, পাগলা মসজিদের দানের ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২টাকা রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে জমা রয়েছে। (সর্বশেষ দানবাক্স খোলার আগ পর্যন্ত)। এছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা সিলগালাকৃত অবস্থায় জেলা ট্রেজারিতে জমা রয়েছে। পাগলা মসজিদে দানবাক্সের পাশাপাশি অনলাইনেও দান-খয়রত গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২টাকা জমা হয়েছে।