প্রধানমন্ত্রীর আগমণী বাতার্য়
নান্দনিক সড়কের জোড়াতালী সংস্কার
শিরীষতলা কানেকটিং সড়ক, দিনের বেলায় রাস্তায় ব্যারিকেড
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে্যর অপরুপ ছোঁয়া যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে চট্টগ্রামে। সিআরবি’র শিরীষতলা শতবষীর্ গাছে গাছে আচ্ছাদিত একটি বিনোদন স্পট। প্রধানমন্ত্রীর আগমনী বাতার্য় এ স্পটটিতে উন্নয়নের নামে সংস্কারের ছোঁয়া লেগেছে। আগামী ৪ ডিসেম্বর রেলের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করবেন।
প্রত্যক্ষভাবে দেখা গেছে, সিআরবি সাত রাস্তার মোড় থেকে সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিং (সিআরবি), সিআরবি সাতরাস্তার মোড় থেকে আটমাসিং সড়কের শুরু পর্যন্ত আবার সাত রাস্তার মোড় থেকে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের চট্টগ্রামস্থ আঞ্চলিক শাখার সামনে পর্যন্ত
প্রায় দুই হাজার ফুট লম্বা সড়কের সংস্কার করা হচ্ছে। নিমার্ণ সামগ্রী রাখার কারনে ও অত্যধিক জোড়াতালির কারনে রাস্তায় ব্যারিকেড। সিআরবি সড়কের শুরু থেকে সাত রাস্তার মোড় পর্যন্ত ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গত সোমবার থেকে। জরাজীর্ণ এ সড়কের উন্নয়নে জোড়াতালি দেয়া হচ্ছে এখন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে এ সড়ক লেভেল করে সংস্কার করার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। রাস্তার যেসব স্থানে খনাখন্দে ভরে গেছে শুধু সেসব স্থানেই হাল্কা বিটুমিনের প্রলেপ দিয়ে সস্তা ইটের সুঁড়কি ঢেলে দেওয়া হচ্ছে। এর উপর দিয়ে থ্রি—ফোর নুড়ি পাথর দিয়ে লেভেল করা হচ্ছে।
এরপর আবার বিটুমিনের প্রলেপ দিয়ে জিরো নুঁড়ি পাথর দিয়ে কার্পেটিং করার কথা রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, অনেকটা জরাজীর্ণ এ সড়কের প্রায় এক হাজার ফুটই লেভেল করা হচ্ছে কেন? মাত্র দুই হাজার ফুট সড়কের সংস্কার কাজ করতে এমন চিত্র দেখা গেছে পূবার্ঞ্চল রেলওয়ের এই নান্দনিক সড়কটিতে।
নগরী ঘুরে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের এই মহা সমাবেশকে ঘিরে নগরীর প্রবেশদ্বার সিটিগেট থেকে শুরু করে চারিদেকে ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। নগরীর একেখান, পাহাড়তলী, জিইসি, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, কর্ণফুলী, মইজ্জারটেক,
চকবাজার, গণিবেকারী, জামালখান, চেরাগীপাহাড়, আন্দরকিল্লা, লালদিঘী, নিউমার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার, কদমতলী, টাইগারপাস, দেওয়ানহাট, চৌমুহনী, বাদামতল, আগ্রাবাদ, বারিকবিল্ডিং, কাস্টমস, সল্টগোলা, সিমেন্ট ক্রসিং,
নারিকেলতলা, কাঠগড়, পতেঙ্গার বঙ্গবন্ধু টানেল মোড়, ড্রাইডক ও এয়ারপোর্ট মোড়ে বাঁশের খঁুটি লাগানো হয়েছে বিশালাকার ব্যানার লাগানোর জন্য।
এছাড়াও আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে ব্যাংকক সিঙ্গাপুর মার্কেট, লাকিপ্লাজার মোড়ে, বড়পুল ও বন্দর আবাসিক এলাকার সামনে ব্যানার লাগানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন তৃণমূল পযার্য়ের কমীর্ থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম মহানগরের নেতারা।
এসব ব্যানার ও ফেস্টুনে স্থান পাচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন মন্ত্রী, এমপি ও চট্টগ্রাম বিভাগের মন্ত্রী এমপিদের ছবিও। শুভেচ্ছা স্বাগতম জানিয়ে নেতাকমীর্রা তৃণমূল পর্যায়ের কমীর্স-মর্থকদের ছবি স্বম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন ছাপানো শুরু করেছে আন্দরকিল্লা,
চকবাজার ও অলংকার এলাকায়। এছাড়াও এলাকা ভিত্তিক ডিজিটাল প্লাস্টিক সাইনের দোকান থেকেই এসব ব্যানার ছাপানো হচ্ছে নেতাকমীর্দের খুশি রাখতে।
২৪ ঘণ্টা / জেআর


আপনার মতামত লিখুন