খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যৌতুকের মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
যৌতুকের মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

নগরের পাঁচলাইশ থানার শ্যামলী আবাসিক এলাকার আকাশদ্বীপ ভবন থেকে স্ত্রীর দায়েরকৃত যৌতুকের মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী সাইফুল ইসলাম চৌধুরীকে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার সময় পাঁচলাইশ থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতার সাইফুল হাটহাজারীর চারিয়া গ্রামের মৃত আমিনুল হকের ছেলে।

বাদী সূত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিওলজি থেকে মাষ্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করে ও জিইসি মোড়স্থ হোসেন লাইটিংএর স্বত্বাধিকারীর একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করে। ওই সংসারে তার দু’জন ছেলে আছে। সে বেসিক্যালী তার শ্বাশুরের টাকায় চলত। নিজে কোন ব্যবসা বা চাকুরী করত না। তবে চবি’র ছাত্র হিসেবে ঠাটবাট ছিল। তার প্রথম স্ত্রী ক্যান্সারে মারা যাবার পর মামলার বাদিনী সুজিনা ইয়াসমিনকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করে। এরপর সে বাদিনীকে নিয়ে তার বোনের বাড়ী আকাশ দ্বীপের ৬ষ্ঠ তলার ১ টি ফ্লাটে বিনা ভাড়ায় থাকত। এর মধ্যে তাদের একজন পুত্র সন্তান জন্ম নেয়।

কিছুদিন পর ব্যবসার মিথ্যা কথা বলে সে বাদিনীর কাছে কিছু টাকা চায়। বাদিনীর পৈতৃকসুত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বিক্রির টাকা তখন বাদিনীর একাউন্টে ছিল, এটা সে জানত। এভাবে সে বাদিনী ও বাদিনীর বোন মর্জিনা ইয়াসমিন থেকে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা যৌতুক হিসেবে গ্রহণ করে। বাদিনী প্রথমে না বুঝলেও পরে যখন বুঝতে পারে তখন কথা কাটাকাটি হয়। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২১/১০/২০২১ তারিখে বাদিনীকে শারীরিকভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করে ও বাদিনী ও তার ছেলেকে এক কাপড়ে ঘর থেকে বের করে তালা মেরে দেয়। ঘরে তখন বাদিনীর দেয়া প্রায় ১ লক্ষ টাকার ফার্ণিচার ও ব্যবহার্য কাপড় চোপড়, ফ্রিজ ও ক্রোকারিজ ছিল। এরপর থেকে সে তার ছেলে আরাফের কোন ও বাদিনীর কোন খোঁজ নেয় নি। বাদিনী বাধ্য হয়ে মামলা নং-সিআর ৬৩৬/২১ দায়ের করে। সেই মামলায় আসামী সাইফুল ইসলামের নামে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন।

থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন, আসামীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…