যৌতুকের মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
নগরের পাঁচলাইশ থানার শ্যামলী আবাসিক এলাকার আকাশদ্বীপ ভবন থেকে স্ত্রীর দায়েরকৃত যৌতুকের মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী সাইফুল ইসলাম চৌধুরীকে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার সময় পাঁচলাইশ থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতার সাইফুল হাটহাজারীর চারিয়া গ্রামের মৃত আমিনুল হকের ছেলে।
বাদী সূত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিওলজি থেকে মাষ্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করে ও জিইসি মোড়স্থ হোসেন লাইটিংএর স্বত্বাধিকারীর একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করে। ওই সংসারে তার দু’জন ছেলে আছে। সে বেসিক্যালী তার শ্বাশুরের টাকায় চলত। নিজে কোন ব্যবসা বা চাকুরী করত না। তবে চবি’র ছাত্র হিসেবে ঠাটবাট ছিল। তার প্রথম স্ত্রী ক্যান্সারে মারা যাবার পর মামলার বাদিনী সুজিনা ইয়াসমিনকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করে। এরপর সে বাদিনীকে নিয়ে তার বোনের বাড়ী আকাশ দ্বীপের ৬ষ্ঠ তলার ১ টি ফ্লাটে বিনা ভাড়ায় থাকত। এর মধ্যে তাদের একজন পুত্র সন্তান জন্ম নেয়।
কিছুদিন পর ব্যবসার মিথ্যা কথা বলে সে বাদিনীর কাছে কিছু টাকা চায়। বাদিনীর পৈতৃকসুত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বিক্রির টাকা তখন বাদিনীর একাউন্টে ছিল, এটা সে জানত। এভাবে সে বাদিনী ও বাদিনীর বোন মর্জিনা ইয়াসমিন থেকে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা যৌতুক হিসেবে গ্রহণ করে। বাদিনী প্রথমে না বুঝলেও পরে যখন বুঝতে পারে তখন কথা কাটাকাটি হয়। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২১/১০/২০২১ তারিখে বাদিনীকে শারীরিকভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করে ও বাদিনী ও তার ছেলেকে এক কাপড়ে ঘর থেকে বের করে তালা মেরে দেয়। ঘরে তখন বাদিনীর দেয়া প্রায় ১ লক্ষ টাকার ফার্ণিচার ও ব্যবহার্য কাপড় চোপড়, ফ্রিজ ও ক্রোকারিজ ছিল। এরপর থেকে সে তার ছেলে আরাফের কোন ও বাদিনীর কোন খোঁজ নেয় নি। বাদিনী বাধ্য হয়ে মামলা নং-সিআর ৬৩৬/২১ দায়ের করে। সেই মামলায় আসামী সাইফুল ইসলামের নামে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন।
থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন, আসামীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন