খুঁজুন
, ,

আওয়ামী লীগ উন্নয়নের পথে, ধ্বংসের রাজনীতিতে বিএনপি

ডিজিটাল উন্নয়নের রোল মডেল শেখ হাসিনা

২৯ প্রকল্পের  উদ্বোধন ও ৬টির ভিত্তিপ্রস্তর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 4 December, 2022, 8:17 pm
ডিজিটাল উন্নয়নের রোল মডেল শেখ হাসিনা

দেশ ও জনগনের উন্নয়নের পথে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর খালেদা জিয়া মানুষের ধ্বংসই দেখিয়েছেন। তবে সন্ত্রাস আর  জঙ্গীবাদের স্থান নেই এদেশে। ১ হাজার ৩৪ বিলিয়ন রিজার্ভ রয়েছে। খাদ্য উৎপাদন পাঁচগুণ বৃদ্ধি করা পেয়েছে। এখন ৫৩ লাখ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাচ্ছে। খাদ্য, বিদ্যুত আর জ¦ালানী নিয়ে আর কষ্ট করতে হবে না। এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না। সবাই উৎপাদনে এগিয়ে আসুন। সাড়ে ৫শ’ আধুনিক মসজিদ নিমার্ণ করা হয়েছে। 

কর্ণফুলী নদীর উপর আর কোন ব্রীজ নিমার্ণের কথা না ভেবে টানেল নিমার্ণের কথা বলেছিলেন মহিউদ্দিন ভাই। কিন্তু টানেল নিমার্ণ হয়েছে ঠিকই আনোয়ারায় আরেকটি শহরও হয়েছে কিন্তু মহিউদ্দিন ভাই দেখে যেতে পারেননি। আমার বাবা এদেশের মানুষের স্বাধীনতা চেয়েছেন। রবিবার চট্টগ্রামের প্রলোগ্রাউন্ড মাঠে আওয়ামীলীগের মহা সমাবেশে   প্রধানমন্ত্রী  ও আওয়ামী লীগের সভােনেত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। দেশের উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগের এই মহা সমাবেশ থেকে নৌকা মাকার্য় ভোট চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ ৪ ডিসেম্বর রবিবার চট্টগ্রাম মহানগর এবং উত্তর-দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয় চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে। ২০১২ সালের ২৮ মার্চে সর্বশেষ এই মাঠে নৌকার পক্ষে ভোট চাইতে  এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই একই মাঠে   আবারো দীর্ঘ ১০ বছর পর নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে উন্নয়নের কথাই বলে গেলেন। তিনি এই জনসমুদ্রে উদ্বোধেন করলেন চট্টগ্রামের উন্নয়নের ২৯ প্রকল্পের। একই সঙ্গে আরো ৬টি নতুন প্রকল্পের  ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিকেল সোয়া ৪টা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ ৫০ মিনিটের বক্তব্যে  বলেন, ‘অনারা কেন আছন, তোয়ারার লাই আর ফেট ফুরের’ আজ আপনাদের কাছে আসতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। জাতির পিতার দেশ আজ আন্তর্জাতিক মযার্দা পেয়েছে। ১৯৮৮ সালে ২৪ জানুয়ারী লাল দিঘীর ময়দানে আমাদের ৩০ জন নেকমীর্কে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। আমিও হত্যার শিকার হতে পারতাম। অনেক কষ্টে আমাকে রক্ষা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান কতজনকে হত্যা করেছে তা অজানা নয়। খালেদা জিয়াও কম  হত্যা করেনি লাশও গুম করেছে। ২০০১ সালের নিবার্চনের পর বৌদ্ধ, হিন্দু ও খ্রীষ্টান কেউই রক্ষা পায়নি বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের হাত থেকে। সারা বাংলাদেশে এই তান্ডব বিএনপি জামায়ায়াত  জোট সরকার চালিয়েছিল। সন্ত্রাস আর জঙ্গীবাদ ছাড়া আর কিছুই তারা এ পর্যন্ত দিতে পারে না। ৭৫’র ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে খুনের পর কারা ক্ষমতায় এসেছে? রাজাকার আর রাজাকারদের দোসর।  যে কারনে বাংলাদেশ আর সামনে এগুতে পারেনি। জাতির পিতার নেতৃত্বে মানুষ বিজয় অর্জন করেছে বিজয়ী জাতি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের ইতহাস আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমরা ধারণ করি।

প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে ২৯ প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৪ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন : চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড জনসভার মাঠ থেকে ২৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি নতুন করে ৪টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন।

গতকাল রোববার দুপুর পৌনে ৩টায় চট্টগ্রাম নগরের সিআরবি হয়ে পলোগ্রাউন্ডে মাঠে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাঠে এসেই ২৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

এর আগে ভাটিয়ারির বাংলাদেশ মিলেটারি একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ শেষে হেলিকপ্টারে করে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে নামেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধন হওয়া প্রকল্পগুলো হল—জেলার ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলায় হালদা নদী ও ধুরং খালের তীর সংরক্ষণ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, সন্দ্বীপ উপজেলার ৭২ নং পোল্ডারের ভাঙন প্রবণ এলাকায় স্লোপ প্রতিরক্ষা কাজের মাধ্যমে পুনর্বাসন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প ও বাঁশখালী উপজেলার ৬৪/১এ, ৬৪/১বি এবং ৬৪/১সি পোল্ডারের সমন্বয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের স্থায়ী পুনর্বাসন প্রকল্প (২য় সংশোধিত)।

কারিগরী ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে সীতাকুন্ড টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, ফটিকছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এবং রাউজান টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ উদ্বোধন করা হয়।

কোতয়ালী থানাধীন দারুল উলুম আলীয়া মাদ্রাসার একটি ৬ তলা ভবন এবং সীতাকুন্ড টেকনিক্যাল স্কুলে একটি ৫ তলা ভবন ও একটি ৪ তলা প্রশাসনিক ভবন, ওয়ার্কশপ, একতলা সার্ভিস এরিয়া ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণসহ ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীনে কোতয়ালী থানাধীন গুল-এ জার বেগম সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে ১০ তলা একাডেমিক ভবন, কুসুমকুমারী সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, মিরসরাই উপজেলার করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবন, পাঁচলাইশ থানাধীন বন গবেষণাগার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ তলা ভবন, বোয়ালমারী উপজেলাধীন হাজী মোহাম্মদ জানে আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবন, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবন, সন্দ্বীপের সন্তোষপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভবন এবং ডবলমুরিং থানাধীন সরকারি সিটি কলেজে ১০ তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয়।

পলোগ্রাউন্ড বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ভবন সম্প্রসারণ, সরকারী মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের লালদিঘী মাঠের ৬ দফা মঞ্চ নির্মাণসহ সংস্কার কাজ এবং খুলশী থানাধীন সিএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ভবনের সম্প্রসারণ কাজ উদ্বোধন করা হয়।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীনে উদ্বোধন হওয়া প্রকল্পগুলো হলো : মীরসরাইয়ে হিংগুলি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র এবং লোহাগড়ায় চুনতি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিটাক চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নারী হোস্টেল নির্মাণকাজও উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে নাসিরাবাদ শিক্ষানবিসি প্রশিক্ষণ দপ্তর সংস্কার ও আধুনিকায়ন কাজ।

উদ্বোধনের তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রকল্প হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেওয়ানহাটে হর্টিকালচার সেন্টারে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও অফিস, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে  ‘দুইটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন (প্রতিটি ৫০০০ বিএইচপি/ ৭০ টন বোলার্ড পুল) টাগবোট সংগ্রহ’ শীর্ষক প্রকল্প ও ‘চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড এবং টার্মিনালের জন্য প্রয়োজনীয় ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহ শীর্ষক প্রকল্প।

এসব প্রকল্পের বাইরে আরও চারটি প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেগুলো হচ্ছে— নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চট্টগ্রামের মিরসরাই ও সন্দ্বীপ অংশে জেটিসহ আনুষাঙ্গিক স্থাপনাদি নির্মাণ, আনোয়ারায় বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির আধুনিকরণ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকায় আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন জাতিসংঘ সবুজ উদ্যান স্থাপন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে চট্টগ্রামস্থ বিপিসি ভবন নির্মাণ কাজের।

২৪ ঘণ্টা/জেআর

Feb2

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 3:25 pm
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্যই সরকার ও সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব দিয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 2:53 pm
উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)’র উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন (৯০) বার্ধক্যজনিত কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ২৭ জুন শনিবার ১২টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি দুই পুত্র ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

২৭ জুন বাদে এশা জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে মরহুমের প্রথম নামাযে জানাযা, আগামীকাল ২৮ জুন রোববার সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাযা ও একই দিন মিরসরাই কাঠাছড়ায় বাদ যোহর ৩য় নামাযের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তাঁর কল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু সম্মানে ভূষিত হন। তিনি ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানীর প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত “দি অর্ডার অব মেরিট”, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস কর্তৃক “দি লাইফ লং সার্ভিসেস এওয়ার্ড”, ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব অফথালমোলজী কর্তৃক “কংগ্রেস অব অফথালমোলজী এওয়ার্ড”, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অব অফথালমোলজী কর্তৃক “দি ডিষ্টিংগুইসড্ সার্ভিসেস এওয়ার্ড” এবং স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এওয়ার্ড, “চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজী স্বর্ণপদক”, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত “অনরারি ডক্টরেট”, “দা ডেইলি স্টার এওয়ার্ড”, এছাড়া তিনি পেনিলপ বিলসন চেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।

মিরসরাইয়ের সমাজ সেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসার একমাত্র পুত্র অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছাতে চক্ষু রোগ নিবারণ ও নিরাময়ের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি গঠন পূর্বক দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখেরও বেশী রোগীর অপারেশন, ১৯৭৫ সালে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি শক্তির সমস্যা নিরূপন, অদ্যাবধি প্রায় ৮ লক্ষ স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর চোখ পরীক্ষা করা হয়। ১৯৮৩ সালে পাহাড়তলীতে ১৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেন। বর্তমানে এই হাসপাতাল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র রূপে পরিচিতি লাভ করেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনষ্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজী প্রতিষ্ঠায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এ ইনস্টিটিউট হতে এই পর্যন্ত ২৬৬ জন ডাক্তার স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু আছে।

তিনি এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অফথালমোলজীতে ২০ বছরেরও অধিক সময় জাতীয় কাউন্সিলর এবং আঞ্চলিক সচিব হিসেবে, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অফ ব্লাইন্ডনেস-এ চেয়ারম্যান হিসেবে ৮ বছর নেতৃত্ব দেন,

এছাড়া তিনি বিশ্বমানের একটি “ইম্পেরিয়াল হসপিটাল” নামক ৩৫০ বেডের জেনারেল হাসপাতাল এবং “নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার” গড়ে তুলেছেন।

ইরানের অপেক্ষা বাড়াল ভিএআর, নকআউটে মিসর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 1:03 pm
ইরানের অপেক্ষা বাড়াল ভিএআর, নকআউটে মিসর

মোহাম্মদ সালাহর মিসর জয়ের দেখা না পেলেও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে। শনিবার সিয়াটলে ‘জি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইরানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে শেষ ৩২-এ উঠেছে আফ্রিকার দলটি।

একই সময়ে নিউজিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বেলজিয়াম।

ম্যাচের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত মিসরের। মাত্র পঞ্চম মিনিটে মাহমুদ সাবেরের গোলে এগিয়ে যায় তারা। বিশ্বকাপে এটি ছিল মিসরের ইতিহাসে দ্রুততম গোল।

তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ইরান পেনাল্টি পেলেও মেহেদি তারেমির দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। কিন্তু ফিরতি বলে ১৪ মিনিটে রামিন রেজাইয়ান গোল করে সমতা ফেরান।
বিরতির পর ম্যাচে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইরান।

৫৭ মিনিটে কোচ হোসাম হাসান অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহকে তুলে বিশ্রাম দিলেও মিসরের রক্ষণ ছিল দৃঢ়। শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ চালায় ইরান। তারেমির হেড পোস্টে লাগে, সাঈদ এজাতোলাহির শেষ মুহূর্তের শটও পোস্টে প্রতিহত হয়।

যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে খলিলজাদেহ বল জালে পাঠিয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছিল ইরান। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইড ধরা পড়ায় গোলটি বাতিল হয়।

শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। এই ড্রয়ে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘জি’-এর রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় মিসর। শেষ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে বেলজিয়াম নিউজিল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়। তিন পয়েন্ট নিয়ে ইরানকে এখন অপেক্ষা করতে হবে সেরা তৃতীয় স্থান পাওয়া দলগুলোর হিসাবের দিকে।