খুঁজুন
, ,

মরক্কোর ইতিহাস, পর্তুগালের বিদায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 December, 2022, 11:20 pm
মরক্কোর ইতিহাস, পর্তুগালের বিদায়

অবিশ্বাস্য-অকল্পনীয়, তবে পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত নয়। কাতার বিশ্বকাপে চলছেই মরক্কো মিরাকল। গ্রুপপর্বে বেলজিয়াম বধ, এরপর রাউন্ড অব সিক্সটিনে স্পেন বিদায় নিয়েছিল মরোক্কান রূপকথায়। এরপর আফ্রিকার মুসলিম দেশটির প্রতি প্রত্যাশার পারদ এক ধাপে শতগুণ বেড়ে যায়। সমর্থকদের সেই প্রত্যাশার প্রতিদান কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিয়েছে মরক্কো।

এবার তাদের শিকার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। শনিবার রাতে আল থুমামা স্টেডিয়ামে ১-০ গোলে পর্তুগিজদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আফ্রিকার দেশটি। মরক্কোর হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন ইউসুফ এন-নেসিরি। আফ্রিকা ও আরব বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সেমিতে উঠলো মরক্কো।

এদিনও প্রথম একাদশে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে বেঞ্চে রাখেন কোচ ফের্নান্দো সান্তোস। প্রথম থেকেই আক্রমণে নামে পর্তুগাল। দুই প্রান্ত ব্যবহার করে বক্সে ক্রস করার চেষ্টা করে তারা। ৪ মিনিটের মাথায় ব্রুনো ফের্নান্দেজের ফ্রিকিক থেকে দুরন্ত হেড করেন জোয়াও ফেলিক্স। তার হেড বাঁচিয়ে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো।

মাঝে মাঝে দুরন্ত আক্রমণ চালাচ্ছিল মরক্কোও। প্রান্ত ধরে কয়েকটি আক্রমণ করেছেন হাকিমি, জিয়েচরা। কিন্তু খুব একটা সমস্যায় পড়েননি পর্তুগালের গোলরক্ষক কোস্তা।

৩০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ে জোরালো শট মারেন ফেলিক্স। বল সরাসরি গোলের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলের একটু উপর দিয়ে বল চলে যায়।

৪০ মিনিটে গোলের সুযোগ পায় পর্তুগাল। বাঁ দিক থেকে ক্রসে শট মারেন ফেলিক্স। কিন্তু তার শট বার উঁচিয়ে চলে যায়।

৪২ মিনিটে এগিয়ে যায় মরক্কো। নিজেদের মধ্যে বেশ কয়েকটি পাস খেলে বাঁ প্রান্ত ধরে আক্রমণে ওঠে মরক্কো। বক্সে বল ভাসিয়ে দেন বৌফাল। আগুয়ান গোলরক্ষক কোস্তা বলের নাগাল পাওয়ার আগে হেডে গোল করেন ইউসুফ এন-নেসিরি।

গোল খাওয়ার পরে শোধ করার চেষ্টা করে পর্তুগাল। সুযোগও পায় তারা। বক্সের বাইরে থেকে ব্রুনো ফের্নান্দেজের শট বারে লেগে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধে ০-১ গোলে পিছিয়ে সাজঘরে যায় পর্তুগাল।

বিরতির পর ম্যাচের ৫০ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ ছিল মরক্কোর। ৪৯ মিনিটের মাথায় হাকিম জিয়েচের ফ্রিকিক আর একটু হলে জালে জড়িয়ে যেত। কোনও রকমে সেই বল বার করেন কস্তা।

৫২ মিনিটে বদলি হিসেবে নামেন রোনালদো। এরপর একের পর আক্রমণ চালায় পর্তুগাল। বেশ কয়েক বার মরক্কোর বক্সে পৌঁছেও যান রোনালদোরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সব আক্রমণ প্রতিহত হয়ে যায়। গোল না পেয়ে অস্থির হয়ে ওঠেন পর্তুগালের ফুটবলাররা।

ম্যাচের ৮২ মিনিটে আবারও দারুণ সুযোগ পায় পর্তুগাল। রোনালদোর পাসে দারুণ শট নিয়েছিলেন ব্রুনো ফের্নান্দেজ। ঝাঁপিয়ে পড়ে সেটি ঠেকিয়ে দেন মরোক্কান গোলকিপার ইয়াসিন বুনো।

একের পর এক আক্রমণ করেও শেষ পর্য কোনও গোল পাননি রোনালদো, ফের্নান্দেজরা। ০-১ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের। প্রথম আরব দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে ওঠে মরক্কো।

চলতি কাতার বিশ্বকাপে এখনও হারের স্বাদ পায়নি আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের কোলঘেঁষা উত্তর আফ্রিকার দেশটি। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে তারা ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে। দ্বিতীয় ম্যাচে ২-০ গোলে হারিয়ে দেয় ফিফার বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বেলজিয়ামকে। আর গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে কানাডাকে ২-১ গোলে হারায় কোচ ওয়ালিদ রেগরাগুইর দল।

রাউন্ড অফ সিক্সটিনে স্পেনকে হারিয়ে কেয়ার্টারে যায় তারা। কোয়ার্টারে পর্তুগালকে বিদায় করে এবার তারা পা রাখলো সেমিতে। কতদূর যাবে এই মরক্কো মিরাকল- উত্তর মিলবে সেমিফাইনালে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।