খুঁজুন
, ,

রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্ট ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের দৃঢ় বহিঃপ্রকাশ : প্রণয় ভার্মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 February, 2023, 4:18 pm
রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্ট ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের দৃঢ় বহিঃপ্রকাশ : প্রণয় ভার্মা

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, জ্বালানি সহযোগিতা ভারত-বাংলাদেশ উন্নয়ন অংশীদারিত্বের একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ উপাদান’ এবং মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার একটি দৃঢ় বহিঃপ্রকাশ।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রামপালে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট পরিদর্শন করার সময় এ কথা বলেন তিনি।

প্ল্যানটি প্রায় দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে ভারত সরকারের রেয়াতি অর্থায়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হচ্ছে। এর বেশিরভাগ অর্থ দিচ্ছে ভারতের এক্সিম ব্যাংক।

প্ল্যান্টটি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং অত্যাধুনিক সুবিধা দিয়ে সজ্জিত।

এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ধাপটি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীরা উদ্বোধন করেন এবং ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে। প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপ শিগগিরই শেষ হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।

রূপসা রেল সেতু পরিদর্শনে প্রণয় ভার্মা
গত ৩ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় হাইকমিশনার রূপসা রেল সেতু পরিদর্শন করেন, যা শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র উপ-অঞ্চলের জন্য বাণিজ্য ও যোগাযোগ জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারকে প্রদত্ত ভারত সরকারের রেয়াতি লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আগামী ৩-৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা বিভাগে দুই দিনের সফরে বাংলাদেশ-ভারত উন্নয়ন অংশীদারিত্বের আওতায় গড়ে ওঠা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ প্রকল্প পরিদর্শন করবেন।

রূপসা সেতুর মোট দৈর্ঘ্য পাঁচ কিলোমিটারের বেশি এবং সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৬৯ দশমিক ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

শুক্রবার রাতে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন বলেছে, সেতুটি রূপসা নদীর উপর নির্মিত হয়েছে এবং এর নির্মাণ একটি চ্যালেঞ্জিং ইঞ্জিনিয়ারিং কৃতিত্ব, কারণ পাইলিং কাজের জন্য বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজন হয়।

নেভিগেশন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সেতুটিতে অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স স্ট্যান্ডার্ড উচ্চ পানির স্তর থেকে ১৮ মিটারেরও বেশি।

ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার। ভারত ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে প্রায় আট বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এলওসি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বাংলাদেশ হাইকমিশন বলছে, সেতুটি ভারত-বাংলাদেশ উন্নয়ন অংশীদারিত্বের একটি দৃশ্যমান দৃষ্টান্ত।

রূপসা রেলসেতু ও খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন পণ্য পরিবহনকে ব্যাপকভাবে সহজতর করবে এবং মোংলা বন্দরের সাথে যোগাযোগ ও প্রবেশযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। এ অঞ্চলের কৃষিপণ্যসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য বাজারে প্রবেশাধিকার উন্নত করবে। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পর্যটন এবং বিশিষ্ট খেলাধুলায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

Feb2
Feb2

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:26 pm
প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুর্গত মানুষও যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ দিন ধরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রামে এসে প্রশাসনের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ধাপে ধাপে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরইমধ্যে চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগের দিন দীর্ঘ সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুর্যোগ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, যেখানে প্রয়োজন, সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও সহায়তা পৌঁছে দিতে কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

তিনি আরও জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে ত্রাণের পরিমাণ আরও বাড়ানো হচ্ছে। কোনো দুর্গত মানুষ যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্গঠন কার্যক্রমও আরও জোরদার করা হবে।

যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 3:21 pm
যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন এর পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তর পতেঙ্গা সি ইউনিট বিএনপি নেতা হাজী ইলিয়াছ হোসেন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিবৃষ্টির কারণে পানি বন্দি পরিবার এর মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

ইকবাল হোসেন পানিবন্দি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং মাইজপাড় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উত্তর মাইজপাড়া ৪১ নং এবং ৪০ নং ওর্য়াড় মাইজপাড়া এলাকার ২০০ পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

এ সময় নেতৃবৃন্দরাসহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।