খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারত সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছে : ভারতীয় হাইকমিশনার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ অক্টোবর, ২০২৩, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
ভারত সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছে : ভারতীয় হাইকমিশনার

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, মহাত্মা গান্ধীর বাণী ছিল শান্তির। তিনি সাধারণ জীবনযাপন করে সেই বাণী সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছেন। আজ বাংলাদেশে মহাত্মা গান্ধীকে স্মরণ হয়। এটা কেবল অহিংস ও শান্তির বাণীর কারণে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সুদৃঢ় হচ্ছে। ভারত সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছে।

সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মহাত্মা গান্ধীর ১৫৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে তিন দিনের আন্তর্জাতিক যুব শান্তি ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে যাওয়ায় আমরা গর্বিত। বর্তমানে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গান্ধীজির নীতি এখনো প্রাসঙ্গিক। মহাত্মা গান্ধীর আগমনে নোয়াখালীতে মানুষের সঙ্গে মানুষের সংযোগ ঘটেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ভাষা ও সংস্কৃতিসহ নানা দিকে মিল রয়েছে। গান্ধীজির জীবন ও শিক্ষা এবং নোয়াখালীতে আগমন মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের সেরা উদাহরণ। এর মাধ্যমেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কও উন্নয়ন হয়েছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র করার দাবি জানিয়ে নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম বলেন, মহাত্মা গান্ধীর আগমনে নোয়াখালীবাসী গর্বিত। কিন্তু এই গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টে অনেক পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন। যেন এটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে। এক্ষেত্রে ভারত সরকার এগিয়ে এলে এই আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র নির্মাণ স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের দিক থেকে নোয়াখালী বিখ্যাত জেলা। মহাত্মা গান্ধীর আগমনে এই অঞ্চলে সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা ছড়িয়ে পড়েছে। যার সুফল এখনো বিরাজমান। বর্তমান সরকারপ্রধান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মুক্তিযোদ্ধার চেতনায় বাংলাদেশ গড়ছেন।

জানা যায়, মহাত্মা গান্ধীর ১৫৫তম জন্মজয়ন্তীতে অংশ নিতে চার হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে ভারতের ৬২ সাইক্লিস্ট ও ভারত, নেপাল, ভুটান, ইন্দোনেশিয়া, নিউজিল্যান্ড, সুইডেন, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের ১৫৫ জনপ্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই মূলত এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়ে আজ সোমবার (২ অক্টোবর) পর্যন্ত এ ক্যাম্পে প্রতিদিন শান্তি সমাবেশ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল। আজ সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম শেষে আন্তর্জাতিক যুব পিস ক্যাম্পের সমাপনী ঘোষণা করা হয়।

সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় ও গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল আনম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক সহিদ উল্যাহ খান সোহেল, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) বিজয়া সেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবিব প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ভারতের স্নেহালয়া সংঘের আহ্বায়ক ড. গিরিশ কুলকার্নি, গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের পরিচালক ও সিইও রাহা নব কুমার, সহকারী পুলিশ সুপার (চাটখিল সার্কেল) নিত্যানন্দ দাসসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…