খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলশি মার্টের ১৭ তম বর্ষপূর্তিতে ১০ দিন ব্যাপী বিক্রয় উৎসব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
খুলশি মার্টের ১৭ তম বর্ষপূর্তিতে ১০ দিন ব্যাপী বিক্রয় উৎসব

সাফল্যময় অগ্রযাত্রায় ১৭ তম বর্ষপূর্তি

সাফল্যময় অগ্রযাত্রায় ১৭ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রথম এবং বৃহদ আন্তর্জাতিক মানের সুপার স্টোর ‘খুলশি মার্ট ‘। এ উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে ১০ দিন ব্যাপী বিক্রয় উৎসব। এই উৎসবের আওতায় চট্টগ্রামের মধ্যে সবচেয়ে কম মুল্যে (কিলার প্রাইচে) নির্দিষ্ট পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা। এছাড়া প্রতিদিন ১০জন সৌভাগ্যবান ক্রেতা পাবেন সম্পুর্ণ বিনামুল্যে খুলশি মার্ট থেকে শপিং করার সুযোগ।

শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় খুলশি মার্ট মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৭ তম বর্ষপূর্তি ও ১০দিন ব্যাপী বিক্রয় উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক ও ফিতা কেটে বিক্রয় উৎসবের উদ্বোধন করেন খুলশি মার্টের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক গুলশানা আলী। এই সময় নগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে খুলশী মার্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী বলেন, ১৭ বছর আগে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে প্রথম প্রাশ্চাত্যের আদলে প্রতিষ্ঠিত হয় সুপার শপ খুলশি মার্ট। এর মাধ্যমে চট্টগ্রামের মানুষ একই ছাদের নিচে স্বাচ্ছন্দে কেনা-কাটা করার সুযোগ লাভ করে। খুলশি মার্টের এই ধারনা এখন চট্টগ্রাম শহরে সফলভাবে বিস্তৃত। সাফল্যময় অগ্রযাত্রায় খুলশি মার্ট আজ ১৭ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করছে।

ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী বলেন, গত বছর আমরা ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ‘রোড টু সাসটেইনিবিলিটি’ ক্যাম্পেইন শুরু করেছিলাম। সেই লক্ষ্য অর্জনে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে খুলশি মার্ট একটি গ্রীণ কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় খুলশি মার্ট প্রতিষ্ঠা করেছে একটি গ্রীণ ফরেস্ট। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরী ও আশেপাশের এলাকায় মিনি ফরেস্ট ও ইকো লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করার জন্যও কাজ করছে খুলশি মার্ট।

মার্ট প্রমোটরস লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক গুলশানা আলী বলেন, আমরা ব্যবসা করে শুধুমাত্র মুনাফা অর্জনকে প্রাধান্য দেই না। আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য সবুজ পৃথিবী গড়তে চাই। সেই লক্ষ্যে খুলশী মার্টকে একটি গ্রীন কোম্পানি হিসেবেই প্রতিষ্ঠা করতে চাই। খুলশি মার্ট বর্তমানে পলিথিনের ব্যবহার প্রায় ৮০ শতাংশ কমিয়ে এনেছে। এটি শতভাগ বন্ধ করতে কাজ করছি আমরা। কার্বন নিঃসরনের মাধ্যমে আমরা পরিবেশের যতটুকু ক্ষতি করছি তার ক্ষতিপূরন হিসেবে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকেই সবুজায়নে এগিয়ে আসতে হবে।

খুলশি মার্টের বিজনেস ডেভলপমেন্ট ম্যানেজার শাখের হোসাইন জানান, ১৭ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ১০ দিন ব্যাপী বিক্রয় উৎসবে খুলশী মার্ট থেকে শপিং করলেই প্রতিদিন ১০ জন ক্রেতা ফ্রি শপিং-এর সুযোগ পাবেন। মাত্র ১ হাজার টাকার শপিং করে একটি গেম শো-তে অংশ নিয়ে বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে ফ্রি শপিং-এর সুযোগ পাবেন ভাগ্যবান ক্রেতা। এছাড়া থাকবে বিভিন্ন ধরনে ভ্যালু প্যাক গিফট, বিভিন্ন পণ্যের উপর নির্দিষ্ট ছাড়ের পাশাপাশি সমগ্র চট্টগ্রামের মধ্যে সবচেয়ে কম মুল্যে (কিলার প্রাইচে) নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বিক্রি করবে খুলশি মার্ট।

খুলশি মার্টের ব্যবস্থাপক মো. জামাল উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম নগরবাসী এবং দেশি-বিদেশী ক্রেতাদের নিত্য চাহিদা মেটাতে ১৬ বছর পূর্বে অভিজাত খুলশি এলাকায় পথচলা শুরু করে খুলশি মার্ট। পণ্যের শতভাগ গুণগত মান এবং সেরা দামে সেরা পণ্যটি ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়ার যে লক্ষ্য নিয়ে খুলশি মার্ট যাত্রা শুরু করেছিলো, সেই লক্ষ্য সমান ভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এই কারনে চট্টগ্রাম নগরবাসী এবং বিদেশী ক্রেতাদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে খুলশি মার্ট। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত খুলশি মার্টের বিক্রয় উৎসব চলবে।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।