খুঁজুন
রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত অপরিকল্পিত ভবনে ঢেকে আছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১:৪০ অপরাহ্ণ
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত অপরিকল্পিত ভবনে ঢেকে আছে

ইসলাম মাহমুদ, কক্সবাজারঃ প্রায় দুই দশক ধরে পর্যটনের নামে অপিরকল্পিত ভাবে বড় বড় ইমারতে ঢেকে দেয়া হয়েছে কক্সবাজারের পুরো সমুদ্র সৈকত। সৈকতের বালিয়াড়ির উপর তৈরী হয়েছে বিখ্যাত সব হোটেলের স্থাপনা। রয়েছে ছোটখাট হোটেল মোটেলও।

এছাড়াও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নামে স্থানীয় প্রভাবশালীরা গড়ে তুলেছে ঝুপড়ি দোকানও। সৈকতকে সংকটাপন্ন ঘোষণা করে ১৯৯৯ এ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে নির্দেশনা আসে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি প্রশাসনের হেয়ালিতে।

উল্টো নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে সৈকত জুড়ে দাম্ভিকতা আর প্রভাবের জোরে ১৫ কিলোমিটার বেশি এলাকায় ছড়িয়েছে ফাইভ স্টার, ত্রি স্টার মানের হোটেলের বিস্তার। তাছাড়াও রয়েছে অসংখ্যা অনুমোদনহীন হোটেল-মোটেল।

সমুদ্র সৈকতের তীরে অপরিকল্পিত হোটেল-মোটেল

জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায়, শহরের হলিডে মোড় থেকে কলাতলী পর্যন্ত গড়ে উঠা প্রায় সাড়ে চার শতাধিক হোটেল-মোটেলের মধ্যে জেলা প্রশাসনের বাণিজ্যিক শাখার ছাড়পত্র রয়েছে মাত্র ৬৯ টির। বাকি সবাই জেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গড়ে তুলেছে বড় বড় ইমারত। দফায় দফায় উচ্ছেদ করার পরও কোন এক অদৃশ্য শক্তির কাছে পরাজিত হয় প্রশাসন।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, প্রশাসনের অবহেলাই এর একমাত্র কারন। প্রশাসন অভিযান কার্যকর করলে তা এতোদিনে একটি ফলাফল আসতো।

কক্সবাজার আইনজীবি সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আয়াছুর রহমান বলেন, সরকার ১৯৯৯ সাল থেকে ইসিএ এলাকা ঘোষণা করার পরও কিছু কিছু স্থাপনা গড়ে উঠেছে সৈকতের বাড়িয়ালিতে। এটা সম্পুর্ণ প্রশাসনের ব্যর্থতা। এরা ব্যবস্থা নিতে অবহেলা করায় এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছে।

চার শতাধিকেরও বেশি নির্মিত স্থাপনার পরিবেশ ছাড়পত্র নেই খোদ পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাও স্বীকার করেছেন। কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুরুল আমিন বলেন, প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেলের একটিতেও নেয় পরিবেশ ছাড়পত্র। নোটিশ দিচ্ছি, অনেক সাড়া দিলেও বেশীর ভাগই থেকে যায় ধরা-ছোয়ার বাইরে। অনেকে মানেনি বিল্ডিং কোডও।

তবে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব-পর্যটন সেল) মো. আশরাফুল আফসার বলেন, যেহেতু উচ্চ আদালতের রায় এসেছে স্থাপনা নির্মান বন্ধে। তাই আদেশের কপি হাতে পৌঁছালেই ব্যবস্থা নেয়া শুরু হবে। পরিকল্পনা করে যেভাবে উচ্ছেদ করা যায় আমরা সেভাবে করবো।
প্রসঙ্গত যে, সোমবার হাইকোর্ট কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার ইসিএ এলাকার জায়গার লিজ বাতিলের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি ওইসব জায়গায় গড়ে উঠা স্থাপনাগুলোও গুড়িয় দিতে বলা হয়। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রায়টি প্রকাশ করা হয়।

রায়ে বলা হয়, ‘শুধু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নয় জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় সরকারকে নীতিমালা তৈরি করতে হবে। ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট লিভ টু আপিল খারিজ করে দেওয়া রায় বহাল রেখে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দিয়েছেন। রায়ে পাঁচ জনের করা রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেন আদালত।

১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিলের পর কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্ট থেকে কলা-তলী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। এরপরও, ওই এলাকায় লিজ দিয়ে গড়ে তোলা হয় একের পর এক স্থাপনা।

এই নিয়ে পাঁচটি রিভিউ আবেদন খারিজের রায়ে আদালত ১৯৯৯ সালের পর নেওয়া হোটেল সাইমন, সি গালসহ বড় বড় বেশ কিছু হোটেলের লিজ বাতিল করেন আপিল বিভাগ। রায়ে গুঁড়িয়ে দিতে বলা হয়েছে এসব স্থাপনা।

Feb2

১২ কেজি এলপিজির দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১৯৪০

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
১২ কেজি এলপিজির দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১৯৪০

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এতে গত মাসে নির্ধারিত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা হয়েছে।

আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে, গত ২ এপ্রিল ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়ানো হয়।

আজ বিইআরসি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি সংকটের কারণে এলপিজি আমদানির খরচ বেড়েছে।

এ অবস্থায় এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬১ টাকা ৬৬ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।

দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব

দেশে মজুত থাকা গ্যাস দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল-এর সভাপতিত্বে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মোট মজুত ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অবশিষ্ট গ্যাসের পরিমাণ ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, যদি নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হয় এবং বর্তমান হারে (দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সরবরাহ করা হয়, তবে এই অবশিষ্ট মজুত দিয়ে প্রায় ১২ বছর পর্যন্ত সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে।

গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়ে তিনি জানান, পেট্রোবাংলার কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের মহাপরিকল্পনার আওতায় মোট ৫০ ও ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এরইমধ্যে ২৬টি কূপ খনন এবং ওয়ার্কওভারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কূপগুলোর কাজও বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান আছে।

এছাড়া সাইসমিক সার্ভে সম্পর্কিত মন্ত্রী জানান, বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এ ৩৬০০ কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক ডাটা আহরণ শেষ হয়ে ডাটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে। পাশাপাশি বিজিএফসিএলর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা’র ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সাইসমিক ডাটা আহরণ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া বাপেক্স ও এসজিএফএল-এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও বিপুল পরিমাণ ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মিরসরাইয়ে প্রবাসীকে হামলা ও অপহরণ মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে প্রবাসীকে হামলা ও অপহরণ মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

মিরসরাই প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার হাদি ফকিরহাট এলাকায় প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিমকে হামলা ও অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আটক হয়েছে ।

গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মোঃ মেহেদী হাসান খোকন (৩০)। তিনি মিরসরাই ওয়াহেদপুর এলাকার মোঃ আবু তাহের পুত্র ।

রোববার বেলা ১২টার দিকে আগাম জামিনের জন্য চট্টগ্রাম জজ কোর্টে হাজির হলে আদালতের নির্দেশে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

ভুক্তভোগী প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, আসামিদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। তার বাড়ির দক্ষিণ পাশে নিজ জমিতে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস ধরে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলছিল।

তিনি জানান, গত ১৮ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রসহ আসামিরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিতে তুলে অপহরণ করে হাদি ফকিরহাট বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে হত্যার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এই ঘটনায় আহত শাহাদাত হোসেন সেলিম সুস্থ হয়ে আসামেদের বিরুদ্ধে মিরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।