খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শুধু সরকারি পদক্ষেপ নয়, বেসরকারি উদ্দ্যেগ ছাড়া শতভাগ উন্নয়ন অসম্ভব: সিটি মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০২৩, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
শুধু সরকারি পদক্ষেপ নয়, বেসরকারি উদ্দ্যেগ ছাড়া শতভাগ উন্নয়ন অসম্ভব: সিটি মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম বলেছেন, যেকোনো উন্নয়নে সরকারি পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য, সরকারী উদ্দ্যেগের পরিপুরক হিসেবে বেসরকারি উন্নয়ন পদক্ষেপ সেই উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। জনসংখ্যাবহুল এ দেশে আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও শিক্ষার হার বৃদ্ধি করে স্থায়ী উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণের মাধ্যমে জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্মান নিশ্চিতকরণে বর্তমান সরকার যখন নিরলসভাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, কৃষি ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, তখন আওয়ামী আদর্শের সূর্যসন্তানদের গড়া তাহের নাহার ফাউন্ডেশনের মতো বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোও বসে নেই।

বৃহস্পতিবার বিকেলে হাজী পাড়া এলাকায় তাহের নাহার ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম।

চট্টগ্রামে পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ডে সেচ্ছাসেবী সংস্থা তাহের নাহার ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যেগে প্রায় ২০০০ হাজার অসহায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন চসিকের মেয়র ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শিক কর্মী হিসেবে তাহের নাহার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এমরান দুইযুগের বেশি সময় ধরে সামাজিক উন্নয়নে ধরে এমন মানবিক কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক কর্মী হিসেবে আর্থমানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে মোহাম্মদ ইমরান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বোর্ড সদস্য এডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী, মহানগর ছাএলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি, সি- ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব রফিক উদ্দিন কালু।

তাহের নাহার ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী বলেন, তাহের নাহার ফাউন্ডেশনের এই জনহিতকর কাজ চলমান থাকবে। ইতেমধ্যে ৩০০০ অসহায় পরিবারের ডাটাবেজ তৈরী করা হয়েছে, যারা ফাউন্ডেশন থেকে স্থায়ীভাবে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য সহযোগীতা পাবে। ফাউন্ডেশন থেকে বাড়ি নির্মান,খাদ্য সহায়তা, চিকিৎসা, পড়াশোনা, বিবাহ সহযোগীতা,মেডিসিন,বিভিন্ন প্রকারের আর্থিক সহযোগিতা পাবেন তালিকাভুক্ত পরিবার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নুরুল আজিম রনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার আহবানে এই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এমরান ৩০০ শত অসহায় পরিবারকে গৃহনির্মান করে অনুকরণীয় মানবিকতার নজীর স্থাপন করেছেন। তার এই কাজ চলমান তরুনদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

ইফতার বিতরনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তাহের নাহার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো এমরান বলেন, ‘ আমি ইতিমধ্যে তিনশত পাকা সেমি পাকা গৃহ নির্মাণ করেছি। এই নির্মাণ কাজ চলমান থাকবে। আল্লাহ আমাকে যদি সুযোগ দেয় এই জনহিতকর কাজের মধ্যে আমি বেঁচে থাকতে চাই।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মঈন উদ্দিন মহিন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম,নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংগঠক সাইফুদ্দিন বাবুল,আবুল কালাম আজাদ,আশেকানে আউলিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদ জিএস আমিনুল করিম, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মোঃ এনাম,ওয়ার্ড আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ইমরান মাহমুদ রনি’ সহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন হাজিপাড়া যুব কিশোর পরিষদ।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আওয়ামী লীগের নেতা মোহাম্মদ ইমরান আশির দশক থেকে এই বেসরকারি সংস্থার গড়ে তুলে চাঁন্দগাও, পাঁচলাইশ, বোয়ালখালীসহ নগরের বিভিন্ন এলাকায় গরীব অসহায় মানুষের সামজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করছেন। আগামী ২৫ তারিখ সি এম পি কমিশনারের উপস্থিতি তে আরও ১০০০ পরিবারকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থার কর্মকর্তারা।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…