খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নৌকার বিজয় কেউ ধরে রাখতে পারবে না:মোছলেম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
নৌকার বিজয় কেউ ধরে রাখতে পারবে না:মোছলেম

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম- ৮ আসনে উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্লার ওয়াস্তে নৌকায় ভোট দিন, নৌকার বিজয় কেউ ধরে রাখতে পারবে না। চট্টগ্রামের দুঃখ খ্যাত কালুরঘাট সেতুর জন্য যদি পিয়নের কাছেও যেতে হয় আমি যাবো। ২০০৮ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে আমি কালুরঘাট নতুন সেতুর জন্য দাবি জানিয়েছিলাম। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেতু করবেন। আমাকে নির্বাচিত করলে ১বছরের মধ্যে এ সেতু দৃশ্যমাণ করবো।

আসন্ন নির্বাচন চট্টগ্রামের জন্য একটি অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। চট্টগ্রাম ৮ আসন একটি সমৃদ্ধ এলাকা ছিলো। বর্তমানে এ এলাকা অনেকাংশে পিছিয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম শহরের উপকণ্ঠের বোয়ালখালী উপজেলাও শিক্ষা, দীক্ষা, সংস্কৃতি ক্রীড়ায় এমনকি আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ছিলো এ অঞ্চল। কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজে পড়তে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষজন এ এলাকায় আসতো। কর্ণফুলী নদীতে নৌকা দিয়ে ২টাকায় শহরে চলে যাওয়া যেতো। আজ অন্যান্য উপজেলা সব ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও আমরা পিছিয়ে রয়েছি।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শাকপুরা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মিলন মেলায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, চকরিয়া-কক্সবাজারের মানুষ তো আর এ অঞ্চলের মানুষে দু:খ সুখের কথা জানে না। যিনি সবসময় সরকারের বিরোধীতা করেন, তিনি কি করে সরকার থেকে কাজ আনতে পারবেন ? জাতীয় রাজনীতির কথা চিন্তা না করে এ অঞ্চলের উন্নয়নের কথা ভেবে যে সরকার থেকে কাজ আনতে পারবে, তাকে আল্লাহর ওয়াস্তে নৌকায় ভোট দিন।

এ সময় তিনি বলেন, আমি এমপি ছিলাম না অথচ মানুষ আমকে গালি দিতো সেতুর জন্য। বলতো, বাদল আর মোছলেম উদ্দিনের ঝগড়ার কারণে সেতু হচ্ছে না। আমি বলতে চাই এ এলাকার কোনো উন্নয়ন কাজে আমি বাঁধা দিইনি বরং সহযোগিতা করেছি। এমপি না হয়েও বোয়ালখালী পৌরসভা প্রতিষ্টা করেছি, স্কুল কলেজের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ভবন এনেছি। আসন্ন উপনির্বাচনে সাংসদ নির্বাচিত হলে বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের ব্যবস্থা করবো, প্রয়াত সাংসদ বাদলের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করবো, এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার তোলার চেষ্ঠা করবো। অনেক স্কুল কলেজের অবস্থা জরাজীর্ণ রয়েছে, যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভালো নেই।

তিনি বলেন, সবাই তো আওয়ামী লীগ করে না। কেউ বিএনপি, কেউ জাতীয় পার্টি আবার রাজনীতি করে না এমন মানুষও অনেক আছেন। তবে সবারই দেশ প্রেম রয়েছে। মানুষ চাই কাজ, কিছু আয় উন্নতি হোক। ১৯৭৩ সালের পর এ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী এমপি হতে পারেননি। এবার বাদলের মৃত্যুতে শুণ্য হওয়া এ আসনে আমাকে মনোনয়ন দেওয়ায় নগর-গ্রামে যে উচ্ছ্বাস দেখতে পাচ্ছি, তাতে নৌকার বিজয় কেউ রুখতে পারবে না। এখন সুযোগ এসেছে নৌকায় ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়ন করার। আগামী ৪ বছর আপনাদের সেবক হয়ে থাকতে চাই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এসএম সেলিম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী, সহ সভাপতি রেজাউল করিম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মোকারম, আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল আলম জাহাঙ্গীর, ইউপি চেয়ারম্যান মো.বেলাল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা হারুণ মিয়া, মাহবুবুর রহমান, বন গোপাল দাশ, শরৎ বড়–য়া, চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর বোয়ালখালী জোনাল ম্যানেজার রফিকুল আজাদ, এলাকার পরিচালক মো.আশরাফ উদ্দিন কাজল, পৌরসভা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক জহুরুল ইসলাম জহুর, প্যানেল মেয়র এসএম মিজানুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এসএম বোরহান উদ্দিন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় নগরীর বাস ভবনে বোয়ালখালী সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদের নেতৃবৃন্দ, সকাল সাড়ে ৯টায় মোহরা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ, সকাল ১১টায় চান্দগাঁও ছাত্র-যুব নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগদেন তিনি। এছাড়া রাতে নগরীর একটি কনভেনশন হলে চট্টগ্রাম সমিতি বন্দরের মিলন মেলায় যোগদানের কথা রয়েছে।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।