খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অন্যতম মিত্রশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় রাশিয়া-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অন্যতম মিত্রশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় রাশিয়া-সুজন

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ।চট্টগ্রাম ডেস্ক : মহান মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়ার বীরত্বপূর্ণ অবদান বাংলাদেশের জনগন কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে বলে মত প্রকাশ করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অন্যতম মিত্রশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় রাশিয়া। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী যখন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় বিনা উস্কানিতে পাখির মতো মানুষ হত্যা করতে শুরু করে ঠিক তখনই বাংলাদেশের জনগনের পক্ষে জাতিসংঘে অবস্থান নেন রাশিয়া।

আজ ২৮ ডিসেম্বর শনিবার বেলা ১টায় রাশিয়ার অনারারি কনসাল স্থপতি আশিক ইমরানের সাথে প্রেসক্লাবস্থ দফতরে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সুজন এসব কথা করেন।

নাগরিক উদ্যোগের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা খোরশেদ আলম সুজন বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রধান সহায়তাকারী দেশ ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে বিজয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় রাশিয়া। আর বাংলাদেশের পক্ষে রাশিয়া ছিল বলেই পাকিস্তানের পক্ষে বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌ-বহর পাঠানোর সাহস পায়নি যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশের বিজয় অনিবার্য দেখে পাকিস্তানের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তুললে রাশিয়া সেই প্রস্তাবে ভেটো দেয়। তাছাড়া যুদ্ধের পর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণে রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা ব্যাপক অবদান রাখে। মূলত ১৯৭০-৮০ দশকে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির দূত হিসেবে আবির্ভূত হন রাশিয়া।

কেবল রক্তক্ষয়ী যুদ্ধেই নয় বাংলাদেশের পুনর্বাসন কাজেও রাশিয়া পাশে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশের পূর্ণগঠন তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নততর বাংলাদেশ বিনির্মাণে একের পর এক মেগা প্রকল্পসমূহের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া।

সুজন রাশিয়ার অনারারি কনসালের মাধ্যমে বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন, সামরিক সহযোগিতা, মহাকাশ বিজ্ঞাণ সহযোগিতা এবং ছাত্রবৃত্তি প্রদানে রাশিয়ার সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যা পরবর্তী সরকারগুলো রাশিয়ার অসামান্য অবদানের কথা ভূলে গিয়ে বাংলাদেশের সাথে স্থাপিত সুসম্পর্ক ধরে রাখতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হন।

বর্তমানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাশিয়ার সাথে স্থাপিত সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করে শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞচিত্তে রাশিয়ার সে অবদানের কথা স্বীকার করে। সুজন বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য রাশিয়ার ট্যুরিষ্ট ভিসা, বিজনেস ভিসা এবং স্টুডেন্ট ভিসা সমূহের প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর করে পূণরায় ভিসা সমূহ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য রাশিয়ার অনারারি কনসালের নিকট আহবান জানান।

রাশিয়ার অনারারি কনসাল স্থপতি আশিক ইমরান সুজনের সাথে আন্তরিক পরিবেশে শুভেচ্ছা বিনিময় করে তার সাথে স্বাক্ষাত করতে আসায় নাগরিক উদ্যোগের সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন রাশিয়ার সরকারও বাংলাদেশের সাথে সুসম্পর্ক রাখতে বদ্ধপরিকর। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়ার যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল ঠিক একইভাবে বর্তমানে বাংলাদেশের উন্নয়নে রাশিয়া সরকারের সহযোগিতা উন্নত থেকে উন্নততর হবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বৃহৎ বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহে রাশিয়া যাবতীয় সহায়তা প্রদান করা যাচ্ছে।

তিনি নাগরিক উদ্যোগের প্রেরিত প্রস্তাবনাসমূহ গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন এবং এ ব্যাপারে রাশিয়া সরকারের সাথে হৃদত্যাপূর্ণ আলোচনা করবেন বলে নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাজী মো. ইলিয়াছ, এস এম আবু তাহের, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মো. হোসেন, নিজাম উদ্দিন, মো. শাহজাহান, সোলায়মান সুমন, রকিবুল আলম সাজ্জী প্রমূখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…