খুঁজুন
, ,

নাগরিক সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের ব্যতিক্রমী আয়োজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 October, 2019, 8:20 pm
নাগরিক সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের ব্যতিক্রমী আয়োজন

সমস্যা

চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর ও পতেঙ্গা এলাকার জনদুর্ভোগ, যানজট, দূর্ঘটনা, জলাবদ্ধতা এবং বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ১২ই অক্টোবর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সীম্যান্স হোস্টেলস্থ লিলি কমিউনিটি সেন্টারে সেবা সংস্থা এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের জনসাধারনের সমন্বয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ব্যতিক্রমী এ মতবিনিময় সভাটির সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী জহুর আহমদ কোম্পানীর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চসিক মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন।

এতে বিভিন্ন সেবা সংস্থার মধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম. জহিরুল আলম দোভাষ ডলফিন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্র্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী মাহমুদুল হোসেন খান, চট্টগ্রাম ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগ, নিউমুরিং এর নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ মফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভায় ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ ওয়ার্ডের বিভিন্ন সমস্যা এবং জনদুর্ভোগ সভায় উত্থাপন করেন।

স্বাগত বক্তব্যে ৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান বলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ময়লার ভাগাড়টি অত্র ওয়ার্ডে অবস্থিত। প্রতিদিন হাজার হাজার ময়লা বাহী ট্রাক, ড্রাম ট্রাক ঐ এলাকায় চলাচল করে ফলতঃ প্রধানতম সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ময়লার ভাগাড়ের ফলে জনগনের স্বাস্থ্য সেবাও হুমকির মুখে। এ সব বিষয় বিবেচনা করে ঐ এলাকার হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করার জন্য সিটি মেয়রের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

ইপিজেড থানা মহিলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক শারমিন সুলতানা ফারুক বন্দর এলাকায় দুই দুইটি রপ্তানী পক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে কর্মরত রয়েছে দুই লক্ষাধিক কর্মজীবি নারী। এদের চিকিৎসা এবং প্রসূতি মা’দের চিকিৎসার সুবিধার্থে ঐ এলাকায় একটি ডে-কেয়ার, মাতৃসদন হাসপাতাল সহ একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল নির্মাণের জন্য নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে আবেদন জানান।

৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. হাসান মুরাদ অভিযোগ করেন শুক্রবারসহ বিভিন্ন সরকারী ছুটির দিন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায় না। এছাড়া গ্যাসের চাপও খুব কম। বেশীর ভাগ সময়ই রাত ১০টার পর গ্যাস পাওয়া যায় তাও অপ্রতুল। তিনি মহেশখালের মুখে সিডিএ কর্র্তৃক নির্মাণাধীন স্লুইসগেটটি নির্মাণে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করার জন্য সিডিএ চেয়ারম্যানের প্রতি অনুরোধ জানান।

৩৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী শফিউল আলম সিমেন্ট ক্রসিং সংলগ্ন রেললাইনটি দখলমুক্ত করে একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণ করার আহবান জানান। এছাড়া নিউমুরিং ৫নং খাল এবং মাটিয়া খালটি পুণঃরুদ্ধার করে জলাবদ্ধতা নিরসণের উদ্যোগ গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। এছাড়া এম.এ.আজিজ সড়কটি বিভিন্ন কন্টেইনার ইয়ার্ড কেন্দ্রিক যানজটের কারণে এলাকাবাসী ঘন্টার পর ঘন্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

৪০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চৌধুরী আজাদ আউটার রিং রোডের কাজটি দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার আহবান জানান। এছাড়া ৭নং এবং ৯নং খালটি অবৈধ দখলমুক্ত করে জলাবদ্ধতা নিরসণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানান।

৪১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ চৌধুরী দ্রুততার সাথে বৃহত্তর হালিশহর-পতেঙ্গা এলাকায় ওয়াসার সঞ্চালন লাইন স্থাপনের অনুরোধ জানান।

এছাড়া ভুতুড়ে বিল, গড় বিল এবং যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতে দীর্ঘসূত্রিতা রোধ করার আহবান জানান। কন্টেইনার ইয়ার্ডের লরি, কাভার্ড ভ্যান, ট্রাক রাস্তায় ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকে যার ফলে বিমান বন্দর সড়কটি প্রায়শই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক হাজী হারুনুর রশীদ বিভিন্ন সেবা সংস্থা গুলোর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে এলাকাবাসী জলজটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বলে মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন। এছাড়া গণপরিবহনে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য রোধ করার জোর দাবী জানান।

বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াছ চট্টগ্রাম বন্দর ঘোষিত বন্দর এলাকায় বঙ্গবন্ধুর নামে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে সরকারের নিকট জোর দাবী জানান।

পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক এ এম এন ইসলাম গুপ্ত খালটি সংস্কার করার জন্য অনুরোধ জানান। এছাড়া মুসলিমাবাদ থেকে সী-বীচ পর্যন্ত সড়কটি সংস্কার এবং আলোকিত করার জন্য সিটি মেয়রের নিকট আহবান জানান।

সেবা সংস্থার মধ্যে চট্টগ্রাম ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম প্রথমেই ব্যতিক্রমধর্মী একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করায় উদ্যোক্তাদের অভিনন্দন জানান। এ রকম আয়োজন সেবা সংস্থার সাথে জনগনের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন সরকারের গৃহীত প্রকল্পের ফলে ওয়াসা ক্রমান্বয়ে জনগনের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ইতিমধ্যে ৮০০ কিলোমিটার নতুন পাইপ লাইন স্থাপন করা হয়েছে। শহরের প্রায় ৮৬ ভাগ জনগনকে পানি সরবরাহের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

এছাড়া জাইকার অর্থায়নে বারিকবিল্ডিং থেকে কাস্টম হয়ে পতেঙ্গা পর্যন্ত ওয়াসার নতুন পাইপ লাইন স্থাপনের কাজ চলছে। এ সকল উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে অত্র অঞ্চলে ওয়াসার পানি সমস্যার সমাধান হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ নিউমুরিং এর নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ মফিজুর রহমান মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বরাদ্ধকৃত নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণের ফলে বর্তমানে বিদ্যুতের সমস্যা নেই বললেই চলে।

তবে মেরামতজনিত কারণে কিছু কিছু এলাকার গ্রাহক বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছেনা যেটা সাময়িক। এছাড়া আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল লাইন স্থাপনের কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

গ্রাহকের ভুতুড়ে বিল এবং গড় বিল শুণ্যের কোটায় নিয়ে আসার জন্য কাজ করছে বিদ্যুৎ বিভাগ। জনগন যাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পেতে পারে সেজন্য সদা সচেষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ। তিনি মতবিনিময় সভার মাধ্যমে গ্রাহকের কাছাকাছি আসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন নাগরিক সমস্যা নিয়ে নেতৃবৃন্দের উপস্থাপিত বক্তব্য ধৈর্য্য সহকারে শুনেন এবং প্রতিটি প্রস্তাবের প্রতি সহমত পোষন করেন।

তিনি বলেন চট্টগ্রাম শহরে উন্নয়নের মহোৎসব চলছে। বিভিন্ন সেবা সংস্থা একযোগে নগরীতে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। জলাবদ্ধতার কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে একথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। তবে একথাও ঠিক এসব জলাবদ্ধতার জন্য আমরাও অনেকাংশে দায়ী।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে একসময় অনেকগুলো পুকুর ও দিঘী ছিলো। কিন্তু কালের ব্যবধানে চট্টগ্রাম শহর থেকে সেইসব পুকুর ও দিঘী হারিয়ে গিয়েছে। খালগুলো দখল হয়ে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এছাড়াও নগরবাসীর অসচেতনতাও দায়ী জলাবদ্ধতার জন্য। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় ডোর টু ডোর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালু করেছে। তারপরও নগরবাসী প্রতিনিয়ত নালা নর্দমায় ময়লা আবর্জনা ফেলে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। নাগরিক সমাজের মনমানসিকতাও উন্নত করার অনুরোধ জানা তিনি।

তিনি আরো বলেন এ শহর আপনার আমার সকলের। এ শহরকে যদি আমরা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে এ সুনাম সমগ্র চট্টগ্রামবাসীর। তিনি নাগরিকবৃন্দকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কর্মকান্ডের অংশীদার হওয়ার আহবান জানান।

প্রিধান অতিথি বলেন বিমানবন্দর সড়কের অফডক কন্টেইনার ইয়ার্ডগুলোর কারণে বিমানবন্দর সড়কটি দিন দিন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। অফডক কন্টেইনার ইয়ার্ডগুলো সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে ইতিমধ্যে নৌপরিহন মন্ত্রী এবং চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে।

অফডক কন্টেইনার ইয়ার্ডগুলো সরিয়ে নিলে বিমানবন্দর সড়কটি যানজটমুক্ত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি জনদুর্ভোগ লাঘবে দলের নেতা-কর্মীদের সাধারণ জনগনের পাশে থাকার আহবান জানান।

এছাড়া বে-টার্মিনালটি নির্মিত হলে চট্টগ্রাম শহরে আর কোন যানজট হবেনা বলে আশ্বস্ত করেন। তিনি নগরবাসীকে উন্নয়নের প্রসব বেদনা সহ্য করার জন্য অনুরোধ জানান।

বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জহিরুল আলম দোভাষ ডলফিন ব্যতিক্রমী মনোমুগ্ধকর আয়োজনের মাধ্যমে জনগনের বিভিন্ন সমস্যা এবং দুর্ভোগ সরাসরি উপস্থাপনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়েছেন যার কারণে চট্টগ্রামবাসী রেকর্ডসংখ্যক উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্ধ পেয়েছেন। শুধুমাত্র সিডিএ’র মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পাদিত হচ্ছে চট্টগ্রামে। ইতিমধ্যে আউটার রিং রোডের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজও শুরু হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই উন্নয়ন কর্মকান্ডসমূহ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে জনগনের সাময়িক ভোগান্তি হচ্ছে।

তিনি জনদুর্ভোগ লাঘবে আউটার রিং রোডের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বারিক বিল্ডিং থেকে সিমেন্ট ক্রসিং পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজও সাময়িক বন্ধ রেখেছেন বলে নেতৃবৃন্দকে জানান।

এছাড়া আউটার রিং রোডের কাজও দ্রততার সাথে সম্পন্ন করার আশ্বাস দেন তিনি। তিনি জনগনকে যে কোন সমস্যায় তার সাথে সরাসরি স্বাক্ষাত করার অনুরোধ জানান।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগনের সংগঠন। জনগনের অধিকার আদায় করতে গিয়েই এ সংগঠনের জন্ম। তাই জনগনের অসুবিধায় আমরা কখনোই চুপ থাকতে পারিনা।

ব্যতিক্রমী এ মতবিনিময় সভার মাধ্যমে আমরা সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এ কথা জানাতে এসেছি যে আপনাদের সুখে দুখে সবসময়ই আমরা আছি এবং থাকবো।

তিনি বলেন শুধু একটি সভার মাধ্যমে আমরা আমাদের কার্যক্রম সমাপ্ত করবোনা। আমরা শুরু করেছি মাত্র। এলাকা ভিত্তিক সমস্যাগুলো আমরা লিপিবদ্ধ করেছি। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সেবা সংস্থার সাথে আমরা মতবিনিময় করে সমস্যাগুলো সমাধানের পর্যায়ে নিয়ে আসবো।

তিনি বন্দর পতেঙ্গা এলাকার মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকাকে নিয়ে অবহেলায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন বাংলাদেশের সিংহভাগ আয় এ এলাকা থেকেই হয় তারপরও এই এলাকার লক্ষ লক্ষ জনগন কাংখিত সেবা থেকে বঞ্চিত।

দীর্ঘস্থায়ী যানজট, জলজট এই এলাকার মানুষের নিত্যসঙ্গী। তাই এ এলাকার মানুষের নাগরিক সমস্যা সমাধানে আমাদের অব্যাহত কর্মযাত্রা চলমান থাকবে। তিনি সেবা সংস্থার প্রতিনিধিগণকে জনগনের দুঃখ দুর্দশা শুনতে আসায় অভিবাদন জানান।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য নূরুল আলম, কামরুল হাসান ভূলু, কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, কাউন্সিলর আফরোজা কালাম, ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ আবু তাহের, ৩৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুলতান মোঃ নাছির উদ্দিন, ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ হাসান, ৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হোসেন মুরাদ, ৪১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম প্রমূখ।

Feb2
Feb2

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।

যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 10:31 pm
যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

১৭৯ জন উপসচিবকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বিএনপি সরকার গঠন করার পর প্রশাসনে এটিই প্রথম বড় পদোন্নতি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে নতুন যুগ্ম-সচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বা অনলাইনে ই-মেইলে (sa1@mopa.gov.bd) পাঠাতে পারবেন।

পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনরকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে, তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে আরও ৭ জনকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে একদিনে মোট ১৭৯ জন এ পদে পদোন্নতি দেওয়া হলো।

বর্তমানে প্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা হলো এক হাজার ৬১ জন। এ পদোন্নতির মূল বিবেচ্য ছিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচ। এছাড়া ইতোপূর্বে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও পদোন্নতির তালিকায় রয়েছেন।

‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’-এ বলা হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।

সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যই সবুজায়ন জরুরি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 3:04 pm
সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যই সবুজায়ন জরুরি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সব সৃষ্টি থেকে উপকার ভোগ করতে হলে, মানুষ হিসেবে আমাদের অবশ্যই কিছু দায়িত্ব এবং কর্তব্য রয়েছে। যথানিয়মে সব সৃষ্টির যত্ন এবং পরিচর্যা করা মানব সমাজের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে এটি প্রমাণিত সত্য, বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেমের সঙ্গে মানব সমাজের সম্পর্ক গভীর এবং অবিচ্ছেদ্য। বাস্তুতন্ত্রের নিরাপদ লালন এবং বিকাশের সঙ্গে মানব সমাজের নিরাপদ বেড়ে ওঠা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুতরাং, আজকের এই পরিবেশ মেলা কিংবা বৃক্ষমেলার আয়োজন, এটি কিন্তু বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য একটি নিরাপদ বিনিয়োগ বলেই আমি মনে করি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বেশি কিছু বলার নেই। বৃক্ষরোপণ কিংবা সবুজায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি অবগত। আপনার-আমার-আমাদের আগামী প্রজন্মের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যই সবুজায়ন জরুরি। একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে, আসুন আমরা একটি করে গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে প্রতিটি প্রাণের জন্মকে উদযাপন করি, স্মরণীয় করে রাখি। একজন নবজাতকের পাশাপাশি একটি গাছও বেড়ে উঠুক। এভাবেই এগিয়ে যাক সবুজায়নের জন্য সামাজিক আন্দোলন।

তারেক রহমান বলেন, সবুজায়নের সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারিভাবেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একইসঙ্গে ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ চালু এবং এনভায়রনমেন্ট স্টার্ট-আপ ফান্ডসহ বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও সবুজ বাংলাদেশ গঠন অসম্ভব নয়।

বর্তমান সরকার পাঁচ বছরে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে ইচ্ছেমতো গাছ রোপণ করলেই উদ্দেশ্য সাধিত হবে না। বরং কোন পরিবেশে, কোন প্রকারের মাটিতে, কি ধরনের আবহাওয়ায়, কোন প্রজাতির গাছ রোপণ করা দরকার, এগুলো-পরীক্ষা নিরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যেমন ইউক্যালিপটাস কিংবা আকাশমণি প্রজাতির গাছ দ্রুত বেড়ে ওঠে, কিন্তু এ ধরনের গাছ আমাদের পরিবেশের জন্য কতটা উপযোগী সেটি অবশ্যই গবেষণার দাবি রাখে।

তিনি বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রজাতির গাছ যেমন ওষুধি, অর্কিড, বাঁশজাতীয়, বনজ, ফলদ, অর্থকরী এবং বিপন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণ অবশ্যই জরুরি, তবে রোপিত গাছ নিরাপদে বেড়ে উঠছে কিনা কিংবা বেড়ে উঠতে পারছে কিনা, সেটি নিশ্চিত করা তার চেয়েও বেশি জরুরি। আর যুগ যুগ ধরে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের অংশ হয়ে যাওয়া, বিদ্যমান গাছগুলোকে কেটে না ফেলে, জীব বৈচিত্র্য রক্ষা করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। আমি আশা করি, বনবিভাগ সেটি নিশ্চিত করবে। সরকার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ম্যানগ্রোভ ধ্বংস এবং বন্যপ্রাণী নিধনের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত-এটি এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কার বিষয় নয়। বরং এটিই এখন আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ কিংবা দাবদাহ, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, আমাদের কৃষি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি সর্বোপরি জন জীবনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। এই বাস্তবতায় বর্তমান সরকার পরিবেশকে কোনো আলাদা খাত হিসেবে নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য এমন একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন, জলবায়ু-সহনশীল টেকসই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণ পাশাপাশি এগিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি বর্তমান সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন ও পুনঃখননের যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে, সেটি শুধুমাত্র কৃষকদের জন্য বছর জুড়ে কৃষি সেচ সুবিধাই নিশ্চিত করবে না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে পরিবেশের উন্নয়ন শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ কিংবা খাল খননের ওপরই নির্ভর করে না। রাজধানীসহ বিশেষ করে সারাদেশের সব নগর বন্দর এবং শহরতলির বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও আমূল পরিবর্তন আনার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছে। একইসঙ্গে জৈব সার উৎপাদন, পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এবং রিডিউস-রিইউজ-রিসাইকেল এই থ্রিআরএস নীতিকে সরকার জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে আনতে হলে এটি শুধুমাত্র নগর প্রশাসন কিংবা পুলিশ দিয়ে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এজন্য প্রয়োজন ছোট বড় প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ। প্রতিটি নাগরিকের প্রতি উদাত্ত আহ্বান, অনুগ্রহ করে যেখানে সেখানে বর্জ্য কিংবা উচ্ছিষ্ট ফেলবেন না।

ঘরে কিংবা বাইরে সবসময় সব বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলুন। নিজে সুস্থ থাকুন-নিজের পরিবারের জন্যও পরিবেশ সুন্দর রাখুন বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।