খুঁজুন
সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুদানে সেনা-মিলিশিয়ার সংঘাতে নিহত প্রায় ২০০

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
সুদানে সেনা-মিলিশিয়ার সংঘাতে নিহত প্রায় ২০০

সুদানে সেনাবাহিনী এবং আধা-সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘাত এখনও চলছেই। দুপক্ষের লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ মানুষ নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ১৮০০ জন। তিনদিন ধরে চলা এই লড়াইয়ের কারণে সোমবার হাসপাতালগুলোতে ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। এতে করে মেডিক্যাল সরবরাহ ও খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে।

রাজধানী খার্তুমে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও সেনা সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই বাহিনীর মধ্যে শনিবার লড়াই শুরু হয়। সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে শীর্ষ দুই জেনারেল এবং সবশেষ এই সংঘর্ষের জন্য তাদের নেতৃত্বাধীন দুই বাহিনী পরস্পরকে দায়ী করছে।

সেনাবাহিনী ও আরএসএফ বাহিনীর মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষের কারণে রাজধানী খার্তুমসহ সারা দেশের মানুষের মধ্যে আবারও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

২০২১ সালের অক্টোবরে এক সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে সুদানের ক্ষমতা মূলত সামরিক জেনারেলদের হাতে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান। তার প্রতি অনুগত সামরিক ইউনিটগুলোর সঙ্গে লড়াই চলছে আরএসএফের, যার নেতৃত্বে রয়েছেন সুদানের উপ-নেতা মোহাম্মদ হামদান দাগালো। তিনি হেমেডটি নামেও পরিচিত।

দাগালো বলেছেন, তার সৈন্যরা সব সেনা ঘাঁটি দখল না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। অপরদিকে সুদানের সশস্ত্র বাহিনীগুলোও আধা-সামরিক বাহিনী আরএসএফ-কে ধ্বংস না করা পর্যন্ত কোনো ধরনের আপোস-আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে।

অল্প কিছুদিন আগেও এই দুই সামরিক নেতার মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরকে ২০১৯ সালে ক্ষমতা থেকে সরাতে তারা দুজন একসাথে কাজ করেছেন। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

কিন্তু এক পর্যায়ে আগামীতে দেশটি কিভাবে পরিচালিত হবে তা নিয়েই এই দুই নেতার মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। বিশেষ করে সুদানের ভবিষ্যৎ এবং দেশটির বেসামরিক শাসনে ফিরে যাওয়ার প্রস্তাবনা নিয়ে তারা ভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করেন।

এর আগে দেশটিতে বেসামরিক সরকার পুন-প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন গ্রুপ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই সংলাপও ব্যর্থ হয়।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই দুই জেনারেলের মধ্যে যে বিষয়টি বিরোধের একেবারে কেন্দ্রে রয়েছে তা হচ্ছে এক লাখ সদস্যের র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা এবং তারপর নতুন এই বাহিনীর নেতৃত্বে কে থাকবে সে বিষয়টি।

এর আগে বেশ কিছু সময় ধরেই উত্তেজনা চলছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরএসএফ বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। এই সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি সুদানি সেনাবাহিনী। তারা এটিকে তাদের জন্য হুমকি হিসেবে মনে করে।

উত্তেজনা নিরসনে আলাপ আলোচনাও শুরু হয়েছিল। আশা করা হচ্ছিল যে সংলাপের মধ্য দিয়ে এই উত্তেজনা প্রশমিত হবে এবং বিরোধের অবসান ঘটবে।

কিন্তু আলোচনায় কোনো সমাধান আসেনি। এর জের ধরেই শনিবার সকালে লড়াই শুরু হয়। তবে কোন পক্ষ প্রথম আক্রমণ করেছে তা স্পষ্ট নয়। দুপক্ষের মধ্যে বিমান হামলা, আর্টিলারি এবং ভারী অস্ত্র দিয়ে গোলাগুলি হচ্ছে। দেশটির বাসিন্দারা একদিকে খাবার এবং পেট্রোলের সংকটে রয়েছে। অন্যদিকে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো সমস্যাও।

Feb2

ক্যাপ ভার্দে ধাক্কা সামলে চেনা ছন্দে স্পেন, সৌদির জালে ৪ গোল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
ক্যাপ ভার্দে ধাক্কা সামলে চেনা ছন্দে স্পেন, সৌদির জালে ৪ গোল

প্রথম ম্যাচে পুঁচকে ক্যাপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশা ভুলে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজ রূপে ফিরল স্পেন। গ্রুপ ‘এইচ’তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে সৌদি আরবের রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে ৪-০ ব্যবধানে হারাল স্প্যানিশরা। তাতেই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে তারা।

প্রথম ম্যাচে নবাগত ক্যাপ ভার্দের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ২ পয়েন্ট হারিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল স্পেন। আজ যেন সেই ক্ষোভটাই সৌদি আরবের ওপর উগরে দিল তারা। ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা টিকিটাকা আর আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে ২০১০ সালের বিশ্ব বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। হামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে আজ শুরুর একাদশে ফিরেই স্পেনের আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেন তরুণ বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল।

ম্যাচের দশম মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে স্পেনকে প্রথম লিড এনে দেন ইয়ামাল। প্রথম গোলের ধাক্কা সৌদি আরব সামলে ওঠার আগেই শুরু হয় ওয়ারজাবাল ঝড়। ম্যাচের ২১ এবং ২৪ মিনিটে মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে পর পর দুটি চোখধাঁধানো গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন রিয়াল সোসিয়েদাদের এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের পকেটে পুরে নেয় স্পেন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে (৪৯ মিনিটে) স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়ার জোরালো শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি। এই আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০।

এরপর বেশ কিছুক্ষণ নিজেদের জাল অক্ষত রাখে সৌদি আরব। তবে যোগ করা সময়ে আর একটি গোল করেছিল স্পেন। কিন্তু ভিএআরের মাধ্যমে সেই গোলটি বাতি করেন রেফারি। ফলে ৪-০ ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশরা।

২ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের এক নম্বরে অবস্থান স্পেনের। গ্রুপের অন্য তিন দলের পয়েন্ট সমান ১।

রাউজানে যুবদল নেতা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রাঙামাটিতে গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
রাউজানে যুবদল নেতা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রাঙামাটিতে গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী ওরফে মাসুদ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. আইয়ুবকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭।

রবিবার (২১ জুন) ভোরে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দূরছড়ি এলাকায় তার ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন। তিনি জানান, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতা মাকসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার পর থেকেই তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৬টার দিকে বাঘাইছড়ির দূরছড়ি এলাকায় আইয়ুবের ভগ্নিপতি শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালায় র‍্যাব-৭-এর একটি দল। সেখান থেকে তাকে আটক করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়।

তিনি আরও জানান, যুবদল নেতা মাকসুদ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসেবে আইয়ুবের নাম আসে। তাকে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে একটি ওষুধের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী। এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসা পাঁচ অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মাজারে স্বচ্ছতার উদ্যোগের মধ্যেই ডিসি সারওয়ারকে প্রত্যাহার, নানা প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
মাজারে স্বচ্ছতার উদ্যোগের মধ্যেই ডিসি সারওয়ারকে প্রত্যাহার, নানা প্রশ্ন

সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে হঠাৎ প্রত্যাহার করাকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নেওয়া তার উদ্যোগের সঙ্গে এই প্রত্যাহারের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

যদিও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এটিকে সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত বদলি প্রক্রিয়ার অংশ বলে উল্লেখ করেছেন।

রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে এতে প্রত্যাহারের কারণ বা তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবারের মধ্যেই তাকে মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের ঘটনায় নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, সম্প্রতি সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেন তিনি।

গত ১২ জুন দুই মাজার পরিদর্শনে গিয়ে তিনি আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগের কথা জানান। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার মাজারের পুরোনো দানবাক্সগুলো সিলগালা করা হয় এবং নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। গতকাল শনিবার ডেগের ওপর সিসি ক্যামেরাও স্থাপন করা হয়।

জানা গেছে, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের কাজ চলাকালে মাজারের আয়-ব্যয়ের অসচ্ছতার বিষয়টি সামনে আসে। পরে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দুই মাজার কর্তৃপক্ষের কাছে হিসাব চাওয়া হলে তারা কোনো সন্তোষজনক হিসাব দেখাতে পারেনি।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মাজারের দান-খয়রাতের অর্থের একটি অংশ কয়েকটি প্রভাবশালী পরিবারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

মাজারের আয়ে স্বচ্ছতা আনার অংশ হিসেবেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান সারওয়ার আলম। তবে মাজার সংশ্লিষ্টদের দাবি, মাজারবিরোধী একটি চক্রের ইন্ধনে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও রেওয়াজ ভেঙে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হিসেবে এটি করা হয়েছে। এর মধ্যেই আজ সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করা হয়।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে জেলা প্রশাসকের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, মাজার–সংক্রান্ত পদক্ষেপের কারণেই কি তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, তাকে পরবর্তীতে পদায়নের জন্য সংযুক্ত করা হয়েছে। এরপর পদায়ন দেওয়া হবে।

মাজার ইস্যুকে কেন্দ্র করে এই প্রত্যাহার নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা তো স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সরকারি কর্মচারীদের বদলি একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা আসবে, যাবে; অনেকেই তো বদলি হচ্ছে, আরও হবে। এটা চলমান (প্রক্রিয়া)। এটা তো আর ব্যতিক্রম কিছু না। আর এসব পদে তো সবসময় এগুলো (বদলি/প্রত্যাহার) হচ্ছে। নতুন কিছু না এটা।

২৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম একসময় র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দুর্নীতি ও ভেজালবিরোধী অভিযানের কারণে আলোচনায় আসেন। ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট তিনি উপসচিব পদে পদোন্নতি পান।

পরে ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জাফলং ও সাদাপাথর এলাকায় পাথর লুট নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে প্রত্যাহার করেছিল সরকার। এরপর সেখানে নিয়োগ পান সারওয়ার আলম।