খুঁজুন
, ,

গরমে অধস্তন আদালতে কালো কোট ও গাউন পরতে হবে না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 13 May, 2023, 4:50 pm
গরমে অধস্তন আদালতে কালো কোট ও গাউন পরতে হবে না

দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে অধস্তন আদালতের বিচারক ও আইনজীবীদের কালো কোট ও গাউন পরিধান করার আবশ্যকতা নেই বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

আজ শনিবার (১৩ মে) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নির্দেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত, ট্রাইব্যুনালগুলোর বিচারক এবং আইনজীবীদের মামলা শুনানিকালে পরিধেয় পোশাক সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়— ‘দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত, ট্রাইব্যুনালগুলোর বিচারকএবং আইনজীবীরা মামলা শুনানিকালে পরিধেয় পোশাক সংক্রান্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিগত ২৮/১০/২০২১ তারিখের বিজ্ঞপ্তি নম্বর ৪০/২০২১, জে, এর কার্যকারিতা স্থগিত করে বিগত ৩০/০৩/২০২১ তারিখের বিজ্ঞপ্তি নম্বর ৭, জে, পুনর্বহাল করা হলো।’

‘এমতাবস্থায়, দেশের সব অধস্তন দেওয়ান ও ফৌজদারি আদালত, ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং আইনজীবী ক্ষেত্রমতো সাদা ফুল শার্ট বা সাদা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যাড / কালো টাই পরিধান করবেন। এক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার আবশ্যকতা নেই।’

এ নির্দেশনা আগামী ১৪ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ প্রদান না করা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল উচ্চ তাপমাত্রার প্রেক্ষাপটে আইনজীবী ও বিচারকদের জন্য গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ভিন্ন ভিন্ন ড্রেস কোড নির্ধারণের জন্য প্রধান বিচারপতি বরাবর আবেদন করা হয়। ই-মেইলযোগে সুপ্রিম কোর্টের দুই জন আইনজীবী ও একটি সংস্থার পক্ষ থেকে এ আবেদন করা হয়েছিল। ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির, ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে ব্যারিস্টার মো. কাউছার ও আইন বায়েজীদ হোসাইন এ আবেদন করেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার (১১ মে) ঢাকা আইনজীবী সমিতির একজন সদস্য আইনজীবী শফিউল আলম (সদস্য নম্বর- ২৫৬৯৪) মাত্র ৪৪ বছর বয়সে ২ জন নাবালক সন্তান রেখে হিট স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেছেন।

ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসহনীয় গরমে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সুবিবেচনায় বছরের মার্চ হতে অক্টোবর মাস পর্যন্ত সময়কালীন আইনজীবীদের কালো কোট পড়া ‘ঐচ্ছিক’ নির্ধারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ চেয়ে আজ বৃহস্পতিবার (১১ মে) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে একটি আবেদন জানানো হয়েছে। সারাদেশের ২০ জন আইনজীবী এ আবেদন জানিয়েছেন।

আবেদনকারীরা হলেন— সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান, মো. মহসিন কবির, তানজিলা রহমান জুঁই, সুবীর নন্দী দাস, জেসমিন আখতার, ফারজানা ইসলাম, নিশাত ফারজানা, চট্টগ্রামের জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য তানিয়া বেগম, মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সারমিন আক্তার, শরিয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য পূজা বিশ্বাস, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া, মো. আইনুল ইসলাম, মাহমুদা আহমেদ নিলা, সামিনা রহমান, আসমা উল হুসনা, নাশিদুস জামান, কেএম আশরাফ রাব্বী, তানজিলা আহমেদ লিসা এবং ইফাত হাসান (শাম্মী)।

পরে সারাদেশে তাপ প্রবাহের কারণে আদালতে শুনানির সময় আইনজীবী-বিচারকদের কালো কোট ও গাউনে পরিবর্তন আনার বিষয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের নিয়ে সভা ডাকেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, যার ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৩ মে) বেলা ১১টায় এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।