খুঁজুন
শুক্রবার, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী নির্বাচনটা একটা চ্যালেঞ্জ : শেখ হাসিনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩, ৯:২২ অপরাহ্ণ
আগামী নির্বাচনটা একটা চ্যালেঞ্জ : শেখ হাসিনা

নানামুখী ষড়যন্ত্রের কারণে আগামী নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে জানিয়ে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (৫ জুন) গণভবনে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচনটা একটা চ্যালেঞ্জ, কারণ নানা ধরনের চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

যারা বাংলাদেশের বদনাম করে তারা কুলাঙ্গার মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জীবন যখন একটু উন্নত হয়, তখনই বাংলাদেশেরই কিছু কুলাঙ্গার আছে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সব জায়গায় বদনাম করে বেড়ায়, মিথ্যা বলে বেড়ায়। আর কিছু আছে বিদেশি অনুদানের টাকা পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা দেয়।

শেখ হাসিনা বলেন, যারা আমাদের স্বাধীনতায় বিশ্বাসই করেনি, যারা গণহত্যা চালিয়েছে, লুটপাট করেছে, নারী ধর্ষণ, নির্যাতন করেছে তারা আছে, তাদের আওলাদ আছে, তারা সারাক্ষণ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেই যাচ্ছে।

তিনি বলেন, যারা স্বাধীনতার সময় আমাদের সমর্থন করেনি, তাদের কাছেই তাদের সব আত্মীয়তা। এটা হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে দুর্ভাগ্য।

নির্বাচনে কারচুপি করা বিএনপির অভ্যাস মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ভোট চুরি করা, এটা তাদের রেকর্ড; গণতন্ত্র হরণ করা, এটা তাদের রেকর্ড। ওদের মুখে এখন আবার আমরা গণতন্ত্র শুনি।

শেখ হাসিনা বলেন, যারা মিলিটারি ডিকটেটরের হাতে তৈরি দল, তাদের কাছে গণতন্ত্রের সবক শুনতে হয়। তাদের কাছে ভোটের কথা শুনতে হয়। চুরি করায় যাদের অভ্যাস, তো চোরদের কাছে বাংলাদেশের জনগণ কি শুনবে, কি দেখবে।

তিনি বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনেও তো কম কারচুপি হয়নি। ১৯৯৬ সালে এই খালেদা জিয়াকেই বাংলাদেশের মানুষ ভোট চুরির অপরাধে বিতাড়িত করেছে। আবার ২০০৬ সালে নির্বাচনে ১ কোটি ২৩ কোটি ভুয়া ভোটার দিয়ে ভোট চুরি করতে গেছে, তখনো জনগণের আন্দোলনেই তাদের বিদায় নিতে হয়েছে।

আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়ে দলটির প্রধান বলেন, আমাদের সংগঠনটা যথেষ্ট শক্তিশালী। সংগঠনটা যেন আরও মজবুত থাকে। সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ত্যাগের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দিনের পর দিন কারাবরণ, অত্যাচার, নির্যাতন, তারপর মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধ করে যুদ্ধাহত হয়ে বাংলাদেশের পুনর্গঠন কাজ– এখানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা, স্বাধীনতার ইতিহাস মুছে ফেলা, জয় বাংলা মুছে ফেলা, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ইতিহাস মুছে ফেলা, অনেক অপকর্মই করা হয়েছে। আসলে সত্য এক সময় না এক সময় উদ্ভাসিত হবেই। সত্য কেউ মুছে ফেলতে পারে না। আজ সেটাই হয়ে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ ৭ই মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে। জয় বাংলা স্লোগান আবার ফিরে এসেছে।

বিগত বছরগুলোতে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে এটুকু করতে পেরেছি, এই ১৪ বছরে, ২০০৮ এ সরকারে আসার পর, এই একটানা ক্ষমতায় ফলে স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ আছে বলেই আজ বাংলাদেশের এই উন্নতিটা সম্ভব হয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, আমরা কিন্তু বাংলাদেশকে বদলে দিতে পেরেছি। আজ কিন্তু সেই ভিক্ষুকের জাতি বলে কেউ আর অবহেলা করতে পারবে না। এই জায়গাটা থেকে বাংলাদেশকে উত্তরণ ঘটিয়ে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের তৈরি হতে হবে, এগিয়ে যেতে হবে। এটাকে আমাদের স্থায়ী করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, যেকোনো দুর্যোগে-দুর্বিপাকে আওয়ামী লীগই কিন্তু মানুষের পাশে থাকে। এটাও প্রমাণিত, যেকোনো সময় আওয়ামী লীগ মানুষের কাছে থাকে।

তিনি বলেন, দেশের বাইরে গেলে সবাই বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ে আমাকে বলে, আপনার ম্যাজিকটা কি? আমি বলি ম্যাজিক কিছু নাই ওখানে। আমার শক্তিশালী সংগঠন আছে। আর আমাদের সংগঠনের শক্তিশালী নীতিমালা আছে। আমাদের একটা লক্ষ্য আছে, একটা পরিকল্পনা আছে। সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিয়ে, জনগণকে নিয়ে উন্নয়নের কাজ করি বলেই আমরা সাফল্য আনতে পেরেছি।

Feb2

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা

কার্যক্রমে নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে পুলিশকে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতার’ পাশাপাশি ‘নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা’ নিতে নির্দেশনা দিয়েছে সদর দপ্তর।

আগামী ২৩ জুন দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে একটি ‘জরুরি বার্তা’ পাঠানো হয়েছে।

দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি বরাবর পাঠানো ওই বার্তায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে দলটির ‘সম্ভাব্য কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন’ করার কথা বলা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, সেদিন দলটির তরফে দেশের বিভিন্ন জেলায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যানার নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করতে পারে।

এর ফলে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপির নেতাকর্মী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সাথে ‘সংঘর্ষ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে’।

পাশাপাশি তাদের কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর উপর ‘ক্ষুব্ধ হতে পারে’ বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে।

এ অবস্থায় এসব বিষয় গুরুত্বে নিয়ে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ’ করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে ওই বার্তায়।

এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন থেকে আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে সারা দেশে ওই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, তারা এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন।

তবে তার ভাষ্য, “স্পেসিফিক কোন থ্রেট, আশঙ্কা কোনো কিছু নাই। আমরা সতর্ক আছি।”

তিনি বলেন, “সারা বছরে বিভিন্ন প্রোগ্রাম লেগেই থাকে। আমাদের সামনে বড় প্রোগ্রাম যেটা ১০ মহররম আশুরার প্রোগ্রাম। সাথে ২৩ জুন একটা দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। তো আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি।”

নগরবাসীকে নিরাপত্তা দিতে ‘বিগত দিনের মতই’ পুলিশের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা বহাল থাকার কথা বলেন তিনি।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, “আমরা নতুন করে পরিকল্পনা… নতুন করে নিরাপত্তা চেকপোস্ট এবং অপারেশন, এটা আমাদের অব্যাহত আছে এবং থাকবে।”

আন্দোলনের মুখে চব্বিশের ৫ অগাস্ট দেশে ছেড়ে ভারতে চলে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা।

এর তিন দিন বাদে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে একে একে গ্রেপ্তার হতে থাকেন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও প্রভাবশালী সংসদ সদস্যরা। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে থাকা অন্যদলগুলোর কয়েকজন নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

আওয়ামী লীগের বাকি জ্যেষ্ঠ নেতাদের অধিকাংশই রয়েছেন আত্মগোপনে। ফলে নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তারা নেই।

আন্দোলন দমাতে শত শত মানুষকে হত্যার মত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ আওয়াম লীগ নেতাদের বিচার চলছে, আর সেই বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির সব ধরনের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তবে মাঝেমধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ কর্মীদের ঝটিকা মিছিলের খবর আসে। এসব মিছিল থেকে কখনো ধরপাকড়ও করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের

জাতিসংঘে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে আরও কার্যকর বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ইকোসক হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্টের উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের ওপর অর্থায়ন সংকটের নেতিবাচক প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সংঘাত প্রতিরোধে অধিক বিনিয়োগ এবং মানবিক, শান্তি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি ও অপব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরে এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের ওপর চলমান অর্থায়ন সংকটের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবর্তনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের ফাঁকে প্রতিমন্ত্রী ভিয়েতনামের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. নগুয়েন মিন ভুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক অঙ্গনে সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছিল মেক্সিকো। আর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের ধারা রইল অব্যাহত। সং হিউয়েন মিনের দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোল ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে নক আউট পর্বে জায়গা করে নিল বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকরা।

জাপোপানে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে মেক্সিকোর খেলাতে ছিল না তেমন গতি। অন্যদিকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকেন সং হিউয়েন মিনরা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলা গতি বাড়িয়ে দেয় স্বাগতিকরা। কিন্তু প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সুবিধা করতে পারেনি কোনো দল। গোল শূন্য ব্যবধানেই বিরতিতে যায় দুদল।

বিরতি থেকে ফিরে গোল আদায় করে নিতে বেশিক্ষণ সময় নেয়নি মেক্সিকো। যদিও গোলটা এসেছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সুং গিউয়ের ভুলে।

একটি ক্রস থেকে আসা বল ধরতে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে আসেন কিম। কিন্তু নিজ দলের খেলোয়াড়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগার কারণে বলটি আয়ত্ব করতে পারেননি তিনি। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগান লুইস রিমো। আলতো করে টোকা দিয়ে বল পাঠান জালে। তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মেক্সিকো।

এরপর ম্যাচে আর কোনো গোল হয়নি। ফলে লিড ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিক মেক্সিকো।

এ জয়ের মাধ্যমে দুই ম্যাচে দুই জয় নিয়ে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে মেক্সিকো। তাতেই গ্রুপে তাদের অবস্থান সবার ওপরে। এদিকে সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান দক্ষিণ কোরিয়ার। এছাড়া একটি করে পয়েন্ট সংগ্রহ করে যথাক্রমে তিন ও চার নম্বরে অবস্থান করছে চেচিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।