খুঁজুন
রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রভূত উন্নতি করেছে: মহাপরিচালক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জুন, ২০২৩, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রভূত উন্নতি করেছে: মহাপরিচালক

সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান বলেছেন, ভূমিকম্প ও দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে দুর্যোগ প্রতিরোধ সক্ষমতা অর্জন করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। বাংলাদেশের দুর্যোগ সহনশীল সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমন্বিত উদ্যোগে কাজ শুরু করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশকে দুর্যোগ সহনশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রভূত উন্নতি করেছে। তবে এখানে থেমে থাকলে হবে না। এটা চলমান প্রক্রিয়া। দুর্যোগ প্রতিরোধের বিষয়ে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। কখন কোথায় কিভাবে দুর্যোগ আসবে, তা অনেক ক্ষেত্রেই জানার উপায় নেই। ভূমিকম্প থেকে জানমাল রক্ষায় ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড মেনে পাকা বিল্ডিং ও মার্কেট নির্মাণ করতে হবে এবং পাকা স্থাপনার চর্তুদিকে চলাচলের জায়গা, অগ্নি দুর্ঘটনা রোধে ওয়াটার হাইড্রেন্ট ও ফায়ার ইস্টিংগুইসার রাখতে হবে।

আজ রোববার (১৮ জুন) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বিভাগীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সভার আয়োজন করেন।

মহাপরিচালক বলেন, সরকারের যে কয়টি মন্ত্রণালয়কে গুরুত্বের দিক থেকে ওপরের দিকে রাখা হয়, এর মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অন্যতম। দুর্যোগের সঙ্গে মানুষের প্রাণ ও সম্পদসহ অনেক কিছু জড়িত। তাই এ বিষয়ে মানুষের বেশি বেশি জানার প্রয়োজন আছে। প্রধানমন্ত্রী আগামী ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও ডেল্টাপ্ল্যান ২১০০ ঘোষণা করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ একসময় দুর্যোগের দুর্নামমুক্ত হবে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট কাজ করছেন ও শক্তিশালী ভূমিকা রাখছেন। দুর্যোগ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের মাঝে জানান দিতে পারলে তারা এ বিষয়ে আরও সচেতন হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ আমিনুর রহমান এনডিসি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ হাসান সরওয়ার, প্রকল্প পরিচালক (ইউআরপি-ডিডিএম পার্ট) ড. এটিএম মাহবুব-উল করিম (যুগ্ম সচিব) ও পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) প্রবীর কুমার রায়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোঃ আনোয়ার পাশা।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক কাজী নাজিমুল ইসলাম, সিএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, বাংলা সড়ক পরিবহন মালিক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল মান্নান, কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের প্রতিনিধি লেঃ তাকিউল আহসান, ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মোঃ আবদুল হালিম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা লাভলী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী কে.এম জুলফিকার তারেক, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শাহিনা সুলতানা প্রমূখ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান তিনি বলেন, বিশ্বের যে ক’টি দেশ জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকিতে রয়েছে, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ২০০ মিলিয়ন অর্থাৎ ২০ কোটি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।জনসংখ্যা বৃদ্ধি, পরিবেশ দূষণ, জলবায়ুর পরিবর্তন, দরিদ্রতা ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশের জনগণ আগের চেয়ে অধিক শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল। ইতোমধ্যে সরকার ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় অগ্রাধিকার দিয়ে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি বাস্তায়ন শুরু করেছে। পাশাপাশি দুর্যোগকালে ও দুর্যোগের পরে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যেমন, আহতদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা ও জরুরি চিকিৎসাসেবা দেয়া, নিরাপদ পানি সরবরাহ এবং জরুরি খাদ্য-বস্ত্রের ব্যবস্থা করাসহ সফলভাবে দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ আজ উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন খারাপের দিকে যাচ্ছে। গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ বাড়ছে, এটা বাড়বে। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন বাড়ছে। সময়ে বৃষ্টি না হয়ে অসময়ে হচ্ছে। খরা বাড়ছে। এসব কারণে ফসলের উৎপাদন কমছে। টেকসই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুর দর্শন ধারণ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর দর্শন হচ্ছে-দারিদ্র্য দূরীকরণ। টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নতি সবাইকে নিয়ে করতে হবে।

তারা বলেন, জেলেরা ওয়ার্নিং না বুঝার কারণে ঝুঁকির সময়ও নদীতে চলে যায়। দুর্যোগ প্রতিরোধে তাদেরকে সচেতন করতে হবে। দুর্যোগ প্রতিরোধে মানুষের সক্ষমতা, প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে সরকার খুবই আন্তরিক।

সভায় জানানো হয়, তবে দুর্যোগ মোকাবিলায় বিগত কয়েক দশকে বাংলাদেশ বেশ সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশে ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের ‘গোর্কি’ নামের ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। ভেসে যায় লাখ লাখ গবাদি পশু ও আবাদি ফসল। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়টি প্রায় এক লাখ আটত্রিশ হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। এছাড়া এক কোটি মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ে, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১০ লাখ ঘর-বাড়ি। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’-এ সাড়ে তিন হাজার মানুষ মারা যায়। ঝড়ের প্রভাবে প্রায় ৯ লাখ ৬৮ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস এবং ২১ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়। ২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝয় ‘আইলা’ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ ও ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাংশে আঘাত হানে। আইলায় কমপক্ষে তিন লাখ পরিবার ঘর-বাড়ি হারান। প্রায় দু’শ মানুষ মারা যায়। এ ঝড়ে দক্ষিণাঞ্চলে লবণ পানি প্রবেশ করায় পানীয় জলের তীব্র সংকট তৈরি হয়, যে সংকট এখনও কাটেনি। এছাড়া, ২০১৩ সালের ১৪ মে ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের আঘাতে কমপক্ষে ৫০ জন, ২০১৬ সালের ২১ মে’র ঘূর্ণিঝয় ‘রোয়ানু’র আঘাতে ২৪ জন, ২০১৭ সালের ৩০ মে’র ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে ৬ জন, ২০১৯ সালের ৩ মে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র আঘাতে ৯ জন, ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর ‘বুলবুল’র আঘাতে ২৪ জন প্রাণ হারায় এবং সাম্প্রতিক ২৫ মে আঘাত হানা ‘ইয়াস’র আঘাতে প্রাণহানি খুবই নগণ্য। তবে সবগুলো ঝড়েই ফসল এবং কাঁচা বাড়ি-ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

Feb2

সুইডেনকে নিয়ে নেদারল্যান্ডসের ছেলেখেলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
সুইডেনকে নিয়ে নেদারল্যান্ডসের ছেলেখেলা

হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে সুইডেনের চেনা রক্ষণাত্মক দেওয়ালকে স্রেফ খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিল নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সুইডিশদের একবারে গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিলো রোনাল্ড কোম্যানের দল। প্রথমার্ধে ব্রায়ান ব্রবি এবং দ্বিতীয়ার্ধে কোডি গাকপোর জোড়া গোলে ৫-১ ব্যবধানে জিতেছে ডাচরা।

ম্যাচ শুরুর মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় লিভারপুল উইঙ্গার কোডি গাকপোর একটি চমৎকার মাপা পাস থেকে বক্সের ভেতর বল পান ব্রায়ান ব্রবি। সুইডিশ ডিফেন্স লাইনের ফাঁক গলে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল উৎসবের খাতা খোলেন আয়াক্সের এই তরুণ স্ট্রাইকার।

ডাচদের শুরুর ঝড় বজায় রেখে ১৭তম মিনিটে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রবি। এবার ডান প্রান্ত থেকে তাঁকে বলের জোগান দেন রাইট-ব্যাক ডেনজেল ডামফ্রিস।

প্রথমার্ধে ২-০ ব্যবধানে বিরতিতে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই সুইডেনের জালে তৃতীয়বারে বল পাঠান কোডি গাকপো।

ম্যাচের ৫৩ মিনিটের মাথায় সুইডেনের কফিনে চতুর্থ পেরেকটি ঠুকে দেন সেই গাকপোই। নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি ডাচদের ৪-০ গোলের বিশাল লিড এনে দেন এই ফরোয়ার্ড।

চার গোল হজম করার পর ম্যাচের ৫৯তম মিনিটের মাথায় সুইডেনের হয়ে একটি সান্ত্বনাসূচক গোল শোধ করেন বদলি ফুটবলার অ্যান্থনি ইলাঙ্গা। এরপর সুইসরা একের পর এক আক্রমণ চালালেও আর গোল করতে পারেনি। বারবার তারা নেদাল্যান্ডসের রক্ষণভাগে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে একটি গোল পায় নেদারল্যান্ডস। ফলে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অ্যারেঞ্জ আর্মিরা।

প্রথম ম্যাচে জাপানের সাথে ২-২ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারানো নেদারল্যান্ডস এই বড় জয়ের মাধ্যমে কেবল ৩ পয়েন্টই পায়নি না, বরং গোল ব্যবধানে নিজেদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থানে যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করে ফেলল। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে হারানো সুইডেন আজ ডাচদের এই গতির ফুটবল আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ের সামনে পুরো ৯০ মিনিট কেবল চেয়ে চেয়ে দেখেছে।

হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

মরক্কোর বিপক্ষে কষ্টার্জিত ড্রয়ের পর তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছিল ব্রাজিল। আজ ফিলাডেলফিয়াতে হাইতির বিপক্ষে সেই সমালোচকদের মুখ যেন বন্ধ করে দিলো সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট এবং অফসাইডে গোল বাতিলের কারণে ব্যবধান বাড়েনি। হাইতিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেল তারা।

দুই ম্যাচ শেষে মরক্কোর সমান ৪ পয়েন্ট পেলেও গোলব্যবধানে (+৩) এগিয়ে থেকে সবার উপরে ব্রাজিল। স্কটল্যাান্ডকে আগের ম্যাচে ১-০ গোলে হারানোর পর মরক্কো (+১) শীর্ষে উঠলেও ব্রাজিলের জয়ে নেমে গেছে দুই নম্বরে। হাইতিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা স্কটিশরা ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে, শেষ ম্যাচে তারা খেলবে আনচেলত্তির দলের বিপক্ষে।

রেফারির ম্যাচের শেষ বাঁশি। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের ব্রাজিল সমর্থকদের উল্লাস। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয়। এতে স্বস্তি মিললেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হিসাব নিকাশে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার সুযোগ নেই।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও কয়েকটি গোলের প্রত্যাশা ছিল ব্রাজিল সমর্থকদের। এই অর্ধে ব্রাজিলের একটি গোল বাতিল হলেও হাইতি যথেষ্ট দাপট দেখিয়েছে। ব্রাজিলের গোলরক্ষক কমপক্ষে ২-৩ টি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন। একটি গোললাইন সেভও হয়েছে।

হাইতি ব্রাজিলের তুলনায় সব সূচকে পিছিয়ে। এরপরও হাইতির খেলা আজ প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের ডিফেন্স একাধিকবার ভাঙন ধরাতে পেরেছে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলটি। যা ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তির জন্য অত্যন্ত ভাবনার। টানা দুই ম্যাচ হেরে হাইতি টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পথে এরপরও ব্রাজিলের বিপক্ষে খানিকটা লড়াকু পারফরম্যান্স হাইতির বড় প্রাপ্তি।

ব্রাজিল হাইতির জালে পাঁচ বার বল পাঠালেও বৈধ গোলের সংখ্যা তিনটি। দুই অর্ধে একটি করে গোল বাতিল হয় ব্রাজিলের। আরেকটি আক্রমণ পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ২৩ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে গোলের সুচনা করেন কুনহা। গুইমারেসের পাস থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। ফিরতি বলে কুনহা গোল করেন। ১৩ মিনিট পর পাল্টা আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কুনহার উদ্দেশ্যে বাড়ান নিখুঁত এক পাস। গোল করতে ভুল হয়নি।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে গোলদাতা ভিনিসিয়ুস নিজেই। পাকেতা হাইতি রক্ষণভাগের মাথার ওপর দিয়ে তার উদ্দেশ্যে বল বাড়ান। দ্রুতগতিতে বক্সে প্রবেশ করে প্লেসিংয়ে গোল করেন।

বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ড্র করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল মরক্কো। তবে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১–০ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। মাত্র ৭১ সেকেন্ডেই করা ইসমায়েল সাইবারির গোলই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আফ্রিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যায় মরক্কো। ম্যাচের ৭১ সেকেন্ডের মাথায় ডান দিক থেকে বাড়ানো বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান ইসমায়েল সাইবারি। যা এই টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করেছিল চেক প্রজাতন্ত্রের সাদিলেক। ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সাইবারি এটি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে গোলের দেখা পেয়েছিলেন এই স্ট্রাইকার।

গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। বিশেষ করে শেষ দিকে আক্রমণের চাপ বাড়ায় দলটি। এক পর্যায়ে দুটি পেনাল্টির আবেদনও জানায় স্কটিশরা, কিন্তু কোনোটিই আমলে নেননি রেফারি।

শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরার মতো গোল আর পায়নি স্কটল্যান্ড। ফলে মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘সি’তে স্কটল্যান্ডকে টপকে ওপরে উঠে গেলো মরক্কো।