খুঁজুন
রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুনে সড়কে ৫৬২ দুর্ঘটনায় নিহত ৫০৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
জুনে সড়কে ৫৬২ দুর্ঘটনায় নিহত ৫০৪

সড়ক দুর্ঘটনা

গত জুন মাসে সারাদেশের সড়কে ৫৬২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৫০৪ জন মানুষ মারা গেছেন। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন ৭৮৫ জন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার স্বাক্ষরিত সড়ক দুর্ঘটনা সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। বিআরটিএর বিভাগীয় অফিসের মাধ্যমে সারাদেশের সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে।

এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৩৮টি দুর্ঘটনায় ১০৩ জন নিহত এবং ২০৬ জন আহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৮টি দুর্ঘটনায় ৯২ জন নিহত এবং ১২৫ জন আহত হয়েছেন; রাজশাহী বিভাগে ১০১টি দুর্ঘটনায় ৯৮ জন নিহত এবং ১১৫ জন আহত হয়েছেন; খুলনা বিভাগে ৫৯টি দুর্ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এবং ৯০ জন আহত হয়েছেন; বরিশাল বিভাগে ২৪টি দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৭৯ জন আহত হয়েছেন; সিলেট বিভাগে ৩৬টি দুর্ঘটনায় ৪২ জন নিহত এবং ৭৬ জন আহত হয়েছেন; রংপুর বিভাগে ৫৭টি দুর্ঘটনায় ৫৮ জন নিহত এবং ৪৪ জন আহত হয়েছেন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৯টি দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছেন।

জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত মোটরযানের মধ্যে মোটরকার ৩১টি, বাস ১০২টি, পিকআপ ৫৪টি, অটোরিকশা ৫০টি, ট্রাক ১৯২টি, মোটরসাইকেল ১৯৬টি, ব্যাটারিচালিত রিকশা ৫৭টি, ইজিবাইক ২৩টি, ট্রাক্টর ৬টি, অ্যাম্বুলেন্স ৩টি, ভ্যান ২১টি, মাইক্রোবাস ১৬টি ও অন্যান্য যান ৯৯টিসহ সর্বমোট ৮৫০টি।

এর মধ্যে মোটরকার দুর্ঘটনায় ৬ জন, বাস দুর্ঘটনায় ৩২ জন, পিকআপ দুর্ঘটনায় ৪১ জন, অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৪০ জন, ট্রাক দুর্ঘটনায় ৬০ জন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৫ জন, ব্যাটারিচালিত রিকশা দুর্ঘটনায় ৫৬ জন, ইজিবাইক দুর্ঘটনায় ২৩ জন, ট্রাক্টর দুর্ঘটনায় ৪ জন, অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় ৯ জন, ভ্যান দুর্ঘটনায় ৬ জন, মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ৭ জন ও অন্যান্য যান দুর্ঘটনায় ৫৫ জনসহ সর্বমোট ৫০৪ জন নিহত হয়।

Feb2

বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অস্থির গোটা বিশ্বের জ্বালানির বাজার। বাংলাদেশেও গত দেড় মাস ধরে জ্বালানি তেল নিয়ে চলছে সংকট। এতদিন জেট ফুয়েল ছাড়া অন্য জ্বালানির দাম না বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে শনিবার (১৮ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বেড়েছে।

জ্বালানি তেলের নতুন দাম মধ্যরাত (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

সর্বশেষ গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল। সেই দাম মার্চ মাসেও বহাল থাকে। এপ্রিল মাসেও আগের দাম বহাল রাখা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে‌ হামলা চালানোর পর অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্য। এ উত্তেজনার বড় প্রভাব পড়ে হরমুজ প্রণালিতে। এই প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল এখান দিয়ে পরিবাহিত হয়।

বাংলাদেশেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে গত কিছুদিন ধরেই যানবাহনের ভিড়। মানুষের অভিযোগ চাহিদা মত তারা জ্বালানি তেল পাচ্ছেন না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ করা হচ্ছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতির সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ জ্বালানি তেল মজুত করছে। জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে অভিযান চালিয়ে এরই মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব, সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবে না।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমা-বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত)’ আলোকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা।

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার পৃথক হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম (২৫), জামালগঞ্জ উপজেলার নাজমুল হোসেন (২৬), ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২৪) ও রহমত উল্লাহ (১৩) এবং দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া (৩৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কৃষকরা হাওরে ধান কাটছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। একই সঙ্গে শুরু হয় বজ্রপাত।

তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাত ঘটলে আবুল কালাম নামে এক কৃষক গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।

একই সময়ে জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নাজমুল হোসেন নামে এক কৃষক নিহত হন। তিনি চানপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী।

ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নামে দুই কৃষক নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটা (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক লিটন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার।

 

প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পূর্ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। গতকাল ১৭ এপ্রিল এই দুই মাস পূর্ণ হয়েছে। সরকারের এই ৬০ দিনের পথচলাকে ‘অবিস্মরণীয় অর্জন’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখযোগ্য ৬০টি উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এসব সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।

লিখিত বক্তব্যে মাহাদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার পাইলট প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এরইমধ্যে ৩৭,৫৬৭টি পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে একে নারীর অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের একটি ‘আন্তর্জাতিক রোল মডেল’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

প্রান্তিক কৃষকদের সুরক্ষা দিতে সরকারের বড় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

বেকারত্ব নিরসন ও প্রশাসনের গতিশীলতা বাড়াতে সরকারি শূন্য পদ পূরণের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। মাহাদী আমিন জানান, দেশের সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্য পদ রয়েছে। এসব শূন্য পদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।