খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রমিকদের লভ্যাংশ দিতেই হবে ড. ইউনূসকে, রায় বহাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩, ২:২৬ অপরাহ্ণ
শ্রমিকদের লভ্যাংশ দিতেই হবে ড. ইউনূসকে, রায় বহাল

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ কল্যাণ’ থেকে চাকরিচ্যুত ১০৬ শ্রমিককে শ্রম আইন অনুযায়ী লভ্যাংশ দিতে শ্রম অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত জারি করা রুল দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্ট বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১০ জুলাই) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে শ্রমিকদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী শরীফ। ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।

গত ২২ জুন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণ থেকে চাকরিচ্যুত ১০৬ শ্রমিককে শ্রম আইন অনুযায়ী কোম্পানির লভ্যাংশ দিতে শ্রম অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের রায় স্থগিত না করে আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত।

গত ৩০ মে গ্রামীণ কল্যাণ থেকে চাকরিচ্যুত ১০৬ শ্রমিককে শ্রম আইন অনুযায়ী কোম্পানির লভ্যাংশ দিতে শ্রম অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের রায় কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে শ্রম অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের ওই রায়ের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন আদালত।

বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন শ্রমিকরা।

ওই দিন (৩০ মে) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী শরীফ বলেছিলেন, গত ৩ এপ্রিল ১০৬ শ্রমিককে শ্রম আইন অনুযায়ী কোম্পানির লভ্যাংশ পরিশোধ করতে রায় দেন শ্রম অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল। পরে ওই রায় চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ড. ইউনূস।

শ্রমিকদের পক্ষের আইনজীবীরা জানান, ভুক্তভোগী শ্রমিকরা ২০০৬ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ কল্যাণে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় পর্যন্ত কোম্পানির লভ্যাংশ থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়। শ্রম আইনে বলা আছে, শ্রম আইন কার্যকর হওয়ার দিন থেকে কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের কল্যাণ ও অংশগ্রহণ তহবিলে দিতে হবে। এ লভ্যাংশ না পাওয়ায় প্রথমে তারা গ্রামীণ কল্যাণকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। কিন্তু লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পরও ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তারা মামলা করেন।

 

Feb2

ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেবকের মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। তিনি বলেন, ভূমির প্রকৃত মালিক সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় আপনাদের সর্বদা নিবেদিত থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে ঢাকার সাতরাস্তায় অবস্থিত ভূমি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ভূমি ভবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঘুরে দেখেন, যার মধ্যে রয়েছে ভূমি জাদুঘর, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং সেল, ভূমি সেবা কেন্দ্র এবং ভূমি সেবা কল সেন্টার। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দৈনন্দিন কাজের খোঁজখবর নেন।

ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, কাজের গতিশীলতা বজায় রাখতে হবে এবং সব ধরনের আবেদন বা কাজ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। জনসেবার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই দীর্ঘসূত্রতা কাম্য নয়।

শৃঙ্খলা ও দাপ্তরিক পরিবেশ রক্ষায় প্রতিমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়মিত ও যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। এ ছাড়া অফিসের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতিও সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. মো. মাহমুদ হাসান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন অনুবিভাগ) মো. এমদাদুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মো. আশ্রাফুল ইসলাম।

এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

কারিগরি ত্রুটির কারণে এলএনজি সরবরাহকারী একটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার এক জরুরি নোটিশে সংস্থাটি জানায়, এই ঘাটতির প্রভাব পড়েছে গজারিয়া, মেঘনা ঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলে। এসব এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় আবাসিক ও শিল্প গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (মিডিয়া ও জনসংযোগ) মো. আল আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আরএলএনজি সরবরাহের একটি এফএসআরইউ কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। তবে সমস্যা পুরোপুরি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক নাও থাকতে পারে।

এ অবস্থায় গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা, আর আবাসিক গ্রাহকরাও রান্নার কাজে বিঘ্নের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে, নকল-প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে, নকল-প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি ও সমমানের প্রথমদিনের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং নকল-অনিয়মের তেমন ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, আজকের এসএসসি পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে। আমি নিজে কয়েকটি কেন্দ্রে গেছি, সিসি ক্যামেরায় দেখেছি। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসেরও কোনো ঘটনা নেই। আগামীতে এ ধরনের সুযোগ দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার পর রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এসএসসি পরীক্ষা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মানিকগঞ্জে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি কয়েকটি কেন্দ্রে গিয়েছিলাম, ওই এলাকার জনগণ তারাও এ পরীক্ষায় সহযেগিতার জন্য অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে। এবারের পরীক্ষা সুন্দর হবে, এটা জাতি আগেই জেনেছে। কারণ আমরা সবাইকে সচেতন করেছি। অনৈতিকপন্থা পরিহার করতে অনুরোধ জানিয়ে এসেছি।

পরীক্ষাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশনার বিষয়ে তিনি বলেন, পরীক্ষার প্রতিটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সাতদিন সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছি। প্রয়োজনে সেগুলো আবারও যাচাই করে দেখা হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এহছানুল হক মিল বলেন, কেন্দ্রসচিবরা হলেন পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক। শিক্ষার্থীদের কোনো ভুল হলে সেটা কীভাবে সামাল দেবেন এটা তাদের জানার কথা এবং জানেনও। শিক্ষকদের এ ধরনের ট্রেনিং আছে।