খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মার্কিন ভিসানীতির পর উদ্বেলিত বিএনপি পুলিশের ওপর আগের মতো হামলার সাহস পাচ্ছেনা : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
মার্কিন ভিসানীতির পর উদ্বেলিত বিএনপি পুলিশের ওপর আগের মতো হামলার সাহস পাচ্ছেনা : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, মার্কিন ভিসানীতি ঘোষণার পর বিএনপি অনেক উদ্বেলিত হয়েছিল। এখন দেখি বিএনপি ভালো হয়ে গেছে, তাদের মধ্যে একটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। তারা পুলিশের ওপর আগের মতো হামলা পরিচালনা করার সাহস পাচ্ছেনা। বিএনপির আশা ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দল নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে কিছু বলবে। কিন্তু এনিয়ে তারা টু শব্দটি করে নাই। এজন্য তারা প্রচন্ড হতাশ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব গত সোমবার চট্টগ্রামে শ্রমিক সমাবেশ করেছে। তিনি সেখানে কথা ঘুরিয়ে দিয়ে বলেছেন আমরা বিদেশী শক্তির ওপর নির্ভর করিনা। অথচ বিএনপি দিনের বেলায় তারুণ্যের সমাবেশ, হাঁটা কর্মসূচি, বসা কর্মসূচি, মাঝেমধ্যে দৌড় কর্মসূচি দেয়, আবার রাতবিরাতে রুমিন ফারহানা, শ্যামা ওবায়েদ, নিপূন রায়সহ তাদের মহিলা নেত্রীদের সাথে নিয়ে বিভিন্ন এম্বেসিতে ধর্ণা দেয়, উনাদের পায়ে ধরেন। এখন তারা বুঝতে পেরেছে ধর্ণা দিয়ে কোন লাভ হয় নাই। মার্কিন প্রতিনিধি দল এসে ও তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিংবা নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে কিছু বলে নাই। তারা বুঝতে পেরেছে তাদের এই তত্ত্বাবধায়ক কিংবা নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি বিদেশীরাও প্রত্যাখ্যান করেছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘোষিত শান্তি ও উন্নয়ন শোভাযাত্রা পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ‘শান্তি ও উন্নয়ন শোভাযাত্রা’র আয়োজন করে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করার উদ্দেশ্যে সমাবেশের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মানসে সারাদেশে নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। কদিন আগে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জায়গায় তারুণ্যের সমাবেশ করেছে। পরশুদিন খুলনা শহরেও তারুণ্যের সমাবেশ করেছে। আমি দেখলাম সেখানে সব ষাটোর্ধ মানুষ, সবাই ৫০ ও ৬০ বছর বয়সের তরুন। মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব যদি তারুণ্যের ডেফিনেশনটা কি একটু বলতেন, তাহলে ভালো হতো।
তিনি বলেন, বিএনপি বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। আজকেও তারা বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি করা। আওয়ামী লীগ গণমানুষ থেকে গড়ে উঠা রাজপথের দল, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সমস্ত প্রতিকুলতার মধ্যে উজান ঠেলে এগিয়ে যাওয়ার দল। আমরা রাজপথে আছি, নির্বাচন পর্যন্ত রাজপথে থাকব, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে টানা পঞ্চমবারের মত প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসিয়ে তারপর আমরা ঘরে ফিরে যাব।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সাথে আমাদের দলেরও বৈঠক হয়েছে, তথ্যমন্ত্রী হিসেবে আমারসাথে ব্যক্তিগতভাবেও বৈঠক হয়েছে। তারা স্পষ্টত বলেছে যে, আমরা বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন কানুন মেনেই এখানে যাতে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হয় সেটিই আমরা চাই। তারা তত্ত্বাবধায়ক কিংবা নির্বাচনকালীন সরকার এসব কোন কিছুর কথা বলে নাই। আমাদের দেশ চলবে আমাদের সংবিধান ও আমাদের আইন অনুযায়ি। কারো প্রেসক্রিপশনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ চলবেনা, এটা বঙ্গবন্ধুর কন্যা। যার ধমনিতে শিরায় বঙ্গবন্ধুর রক্ত স্রোত প্রবাহমান।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যখন শুরু হয় তখন পৃথিবীর অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে দিয়ে এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিয়েও ফোন করিয়েছিল এই বিচার বন্ধ করার জন্য, বিচার বন্ধ হয় নাই, ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। শেখ হাসিনা সেগুলোর তোয়াক্কা করে নাই, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং রায় কার্যকর হয়েছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি চেষ্ঠা করবে গন্ডগোল লাগানোর জন্য, সেই সুযোগ আমরা তাদেরকে দিবনা। তবে কেউ রক্তচক্ষু দেখালে আওয়ামী লীগ জানে কি করতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন। বিএনপির মির্জা ফখরুল সাহেব কয়দিন পরপর চট্টগ্রামে আসছেন, এখানে এসে লাভ নাই। যদি বাড়াবাড়ি করেন আপনাদের আন্দোলন বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ঢাকা ১৭ আসনের উপ নির্বাচনে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের উপর কালিমা লেপনের উদ্দেশ্যে একজন প্রার্থী হিরো আলমের উপর হামলা করা হয়েছে। তাদের অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেটি নিয়েও অনেকের কত মাতামাতি। যারা করেছে তারা দুস্কৃতিকারি। তারা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এটি করেছে। এটির আমরা নিন্দা জানাই। তবে অনেকে ঘুরে ঘুরে নির্বাচন করেন নির্বাচিত হবার জন্য নয়, নির্বাচন করে প্রচার পাওয়া এবং ঘটনাকে প্রমোট করার জন্য। যাতে আরো বেশি প্রচার পাওয়া যায়। সেটিও মাথায় রাখতে হবে।

নির্বাচনের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কি পদত্যাগ করেন এমন প্রশ্ন রেখে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যেইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং কন্টিনেন্টাল ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেই সরকার ক্ষমতায় থাকে, সেটিই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করে। আমাদের দেশেও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার আগামী নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি ও উন্নয়ন শোভাযাত্রায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী।

শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, নোমান আল মাহমুদ এমপি, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সফর আলী, আলতাফ হোসেন বাচ্চু, চট্টগ্রাম -১০ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু প্রমুখ।

Feb2

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…

অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে অস্ত্র আইনের মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। গত রোববার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় ফয়সাল করিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। তখন পালানোর চেষ্টাকালে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন। এরপর ওসমান হাদি হত্যার ঘটনার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এর মধ্যে গত মাসে তিনি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।