খুঁজুন
, ,

নীলফামারীতে আনন্দঘন পরিবেশে বই উৎসব অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 January, 2020, 11:44 pm
নীলফামারীতে আনন্দঘন পরিবেশে বই উৎসব অনুষ্ঠিত

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ “শেখ হাসিনার প্রতিজ্ঞা মানসম্মত শিক্ষা” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় নীলফামারীতে বই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন বই পেয়ে শিশুদের কোলাহলে মুখরিত নীলফামারী।

জেলা শহরের ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেনীর শিক্ষাথী তাজরি আকতার শিমু জানান, নতুন বইয়ের গন্ধ শুকতে বেশ ভালই লাগছে। ওই শিক্ষার্থী আরো জানান, বই পাওয়ার আনন্দে রাতে ভালমত ঘুম হয়নি। সকাল হতে না হতেই স্কুলে আসার জন্য প্রস্তত হই। মা বলেন, তুই এতো সকালে কই যাবি। আমি বললাম তুমি জাননা আজ আমাদের স্কুলে স্যাররা নতুন বই দিবেন।

একই মাঠে অবস্থিত নীলফামারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনীর শিক্ষার্থী অথৈই ও অন্তর জানান, এক সাথে সব বই পেয়ে ভাল লাগছে। ক্লাসের পড়া নিয়মিত স্যারদের দিতে পারবো। ফলাফলও ভালই হবে।

বছরের শুরুতেই সরকারে দেয়া বিনামূল্যে নতুন পাঠ্যপুস্তক শিশুরা হাতে পেয়ে আনন্দে মেতে উঠে ছিল জেলার ছয় উজেলায় প্রাথমিকে ২ হাজার ৮৮২ বিদ্যালয় মোট ৪ লাখ ৭২ হাজার ৬৮৮ জন শিক্ষার্থী।

২০২০ সালের ১লা জানুয়ারী বুধবার সকাল হতে নতুন বছরের প্রথম দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ্যপুস্তকের বই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে একযোগে শিক্ষার্থীদের হাতে ক্লাশের পাঠ্য পুস্তক বিতরন করা হয়।

এ সময়, সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে জেলা শহরের সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, সকাল ১০ টায় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সকাল সাড়ে ১১ টায় নীলফামারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ও ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে আনুষ্ঠানিককভাবে বই বিতরনের উদ্ধোধন করেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরি।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, জেলায় মাধ্যমিক, ইবতেদায়ী ও দাখিল মাদ্রাসা এবং এসএসসি ভোকেশনালসহ ৪৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ ৬০ হাজার ২৫৩ জন শিক্ষার্থীদের শতভাগ পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ পাওয়া গেছে এবং তা বছরের প্রথম দিন হতে বিতরন করা হচ্ছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তাজুল ইসলাম মন্ডল জানায়, জেলায় ২ হাজার ৮৮২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চাহিদা অনুযায়ী ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৩৯৯ কপি পাঠ্য পুস্তক বরাদ্দ পেয়ে বছরের শুরুতেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে।
অপর দিকে, জেলার ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরীগঞ্জ, সৈয়দপুরসহ সদরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ্য পুস্তক বিতরনের মাধ্যমে বই উৎসব পালন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক আজহারুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম মন্ডল, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা, এলিনা আকতার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, ভাইস চেয়ারম্যান শান্তনা চক্রবর্তী প্রমুখ।

Feb2
Feb2

১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:54 pm
১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

চলমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সব জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

চট্টগ্রাম বোর্ডের জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।

শনিবার (১০ জুলাই) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে বন্যায় সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় এমপি ও দলীয় সকল সংগঠনের নেতাকর্মীদের ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এরই মধ্যে ত্রাণ বাবদ ২ কোটি টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়াও উদ্ধার কার্যক্রমে নিয়োজিত রাখা হয়েছে বিজিবি, সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ডসহ সরকারি বিভিন্ন বাহিনীকে। প্রস্তুত করা হয়েছে ১ হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র। আশ্রয়কেন্দ্রে ওষুধ, স্যানিটেশনসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার নানা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান ড. মাহদী আমিন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকার দায়বদ্ধতা ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এর আগে, শুক্রবার বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার শনিবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:13 pm
দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগের শুরু থেকেই চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী এবং বন্যাদুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে৷ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার রশিদের পুকুর এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের দুর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। কোথায় কী লাগবে, কী প্রয়োজন—সবকিছু তিনি জানেন। গতকালও তিনি আমাকে বলেছেন, আপনি সেখানে যান, কী কী লাগবে দেখে আসেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমি আজ আপনাদের মাঝে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে আপনাদের খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, যিনি দেশের মানুষের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টাই চিন্তা করেন। সরকার যে কোনো দুর্যোগে আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা দিতে প্রস্তুত।

এম ইকবাল হোসেইন বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।