খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এশিয়ার সেরা আইনজীবীর তালিকায় ব্যারিস্টার বাবা-মেয়ে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ অক্টোবর, ২০২৩, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
এশিয়ার সেরা আইনজীবীর তালিকায় ব্যারিস্টার বাবা-মেয়ে

এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সেরা আইনজীবীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন দেশের প্রখ্যাত দেওয়ানি এবং কোম্পানি আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার আখতার ইমাম ও তার মেয়ে বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। এই ব্যারিস্টার বাবা ও মেয়েকে ডিস্ট্রিংগুইশড প্র্যাকটিশনার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি এশিয়া ল’ নামে ডিরেক্টরিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, প্রতি বছর এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর সেরা আইনি সহায়তকারী প্রতিষ্ঠান ও আইনজীবীদের তালিকা প্রকাশ করে এশিয়া ল’ ডিরেক্টরি। তাদের নিজস্ব জরিপ ও তথ্যর ভিত্তিতে তালিকা প্রকাশ করা হয়। এছাড়া আইনজীবীদের যোগ্যতা, পেশায় অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার আলোকে বিভিন্ন সম্মানজনক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

এ বছর ডিস্ট্রিংগুইশড প্র্যাকটিশনার স্বীকৃতি পেয়েছেন ব্যারিস্টার আখতার ইমাম ও তার মেয়ে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। সেরা ল’ ফার্মের তালিকায় স্থান পেয়েছে তাদের আইনি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান আখতার ইমাম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। বাংলাদেশের ১০ জন বিশিষ্ট আইনজীবী ডিস্ট্রিংগুইশড প্র্যাকটিশনার স্বীকৃতি লাভ করেছেন। এ তালিকায় রয়েছেন প্রখ্যাত আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদের মত আইনজীবীরা।

সোমবার (২ অক্টোবর) এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, বাবা ও মেয়ে একসঙ্গে ডিস্ট্রিংগুইশড প্র্যাকটিশনার স্বীকৃতি পাওয়া অত্যন্ত সম্মানের। এতে আইন পেশার প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বেড়ে গেল বলে মনে করি।

ব্যারিস্টার আখতার ইমাম সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তার মেয়ে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম আপিল বিভাগের আইনজীবী। ছেলে ব্যারিস্টার রেশাদ ইমামও আপিল বিভাগের আইনজীবী। জনস্বার্থে বিভিন্ন আলোচিত মামলায় আইনি লড়াই করে দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন ও সুনাম কুড়িয়েছেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…