খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পা ছুঁয়ে সালাম একরামের, বুকে টেনে নিলেন ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩, ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ
পা ছুঁয়ে সালাম একরামের, বুকে টেনে নিলেন ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পা ছুঁয়ে সালাম করেছেন নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের নৌকার মনোনয়ন পাওয়া বর্তমান সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। এসময় ওবায়দুল কাদের তাকে বুকে টেনে নেন। সেই ছবি ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন একরামুল করিম চৌধুরী নিজেই।

রাহি হুদা নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী তার মন্তব্য লিখেন, আজ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন একরামুল করিম চৌধুরী। এটি সম্পর্কের মধুর বন্ধন। তাদের এ বন্ধন অটুট থাকুক। জিতবে আবার নৌকা।

ঘটনার সময়ে উপস্থিত থাকা নোয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম শামছুদ্দিন জেহান বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেবের সঙ্গে দেখা করার সময় অন্যরকম ঘটনার অবতারণা ঘটে। একরামুল করিম চৌধুরী প্রথমে ওবায়দুল কাদের মহোদয়ের পা ছুঁয়ে সালাম করেন। তারপর একরাম চৌধুরীকে বুকে টেনে নেন ওবায়দুল কাদের। এরপর বিভিন্ন পরামর্শ দেন। শেষে আমিসহ একটি নৌকা উপহার দেই সেতুমন্ত্রী মহোদয়কে। তিনি খুশি হয়ে তা গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, কাদের ভাই আমাদের গর্ব। তিনি নোয়াখালীর রত্ন। আমি ওনাকে শ্রদ্ধা করি। অতীতে কি হয়েছে সেটা বাদ। আমি ওনার সঙ্গে দেখা করেছি। পা ছুঁয়ে সালাম করেছি। তিনি আমাকে বুকে টেনে নিয়েছেন। অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। আমি ওনার পরামর্শগুলো কাজে লাগাবো। নৌকার জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রতি আমার আস্থা ছিল। আমি নৌকা পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে বিশ্বাস করেছেন আমি তার মূল্য দিতে চাই। আমরা সবাই এক হয়ে নোয়াখালী-৪ এর মানুষ বঙ্গবন্ধুকন্যাকে নৌকা জয়যুক্ত করে দেশের উন্নয়নের অংশীদার হবো। সেই লক্ষ্যে কাদের ভাই আমাকে কাজ করতে বলেছেন। জিতে আসতেই হবে, এছাড়া উপায় নেই বলেও তিনি আমাকে বলেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে নোয়াখালীর অপরাজনীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডারবাজিসহ নানা অনিয়মের প্রসঙ্গ তোলেন ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা। ওই সব অভিযোগের তীর ছিল সংসদ সদস্য একরামুল করিমের দিকে।

কাদের মির্জার ধারাবাহিক বক্তব্য ও নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি ফেসবুক লাইভে আসেন একরামুল করিম চৌধুরী। তখন তিনি বলেন, ‘আমি কথা বললে তো আর মির্জা কাদেরের বিরুদ্ধে কথা বলব না। আমি কথা বলব ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে। একটা রাজাকার পরিবারের লোক এই পর্যায়ে এসেছে, তার ভাইকে শাসন করতে পারে না। এগুলো নিয়ে আমি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কথা বলব। আমার যদি জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি না আসে। তাহলে আমি এটা নিয়ে শুরু করব।’

এরপর জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে একরামুল করিম চৌধুরীকে বাদ দিয়ে গঠন করা হয় আহ্বায়ক কমিটি। এরপর গত ৫ ডিসেম্বর নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে অধ্যক্ষ এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরীকে সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন সম্মেলনের প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সহিদ উল্যাহ খান সোহেলকে নির্বাচিত করা হয় এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে একরামুল করিম চৌধুরীকে মনোনীত করা হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…