খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিজয়ের দিনকে উপহাস করেছে বিএনপি : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
বিজয়ের দিনকে উপহাস করেছে বিএনপি : ওবায়দুল কাদের

‘বিজয়ের দিনকে উপহাস করেছে বিএনপি’— অভিযোগ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘পৃথিবীতে একটা দেশ দেখান যেখানে সরকার পদত্যাগ করে নির্বাচন হয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকার থাকবে না, এটা কোথা থেকে আবিষ্কার করলেন? বিজয়ের দিনকে উপহাস করে পরাজয়ের দিন বলছেন। ৭১-এর পরাজয় তো আপনাদের আর জামায়াতের। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের দর্শকদের পরাজয় হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে যারা বিশ্বাস করে তাদের জন্য এটা বিজয়ের দিন।’

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মানুষের জন্য রাজনীতি করে না— মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তাদের গণতন্ত্রচর্চার ইতিহাস আমরা জানি। ১৫ ফেব্রুয়ারি মার্কা নির্বাচন, এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার তৈরি, জিয়ার ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট, ঢাকা-১০ ও মাগুরার প্রহসনমূলক নির্বাচন— এগুলো তো বিএনপির সৃষ্টি। বিএনপি আবার সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে কোন মুখে? তাদের শাসনামলে কোন নির্বাচন সুষ্ঠু করেছে? এ দেশে আওয়ামী লীগই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে।”

‘আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশনকে একটা স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছে। সেই স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হচ্ছে। এতে তাদের গাত্রদাহ হচ্ছে কেন?’

‘নির্বাচন কমিশনের সাথে আমাদের নির্বাচনী কার্যক্রম চলছে। আজ এটা (প্রার্থিতা) প্রত্যাহারের শেষ দিন। আরপিও বিধি অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নিচ্ছি। সবকিছু যথারীতি এগিয়ে চলছে। বিএনপির নেতৃত্বে কয়েকটি দল নির্বাচনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভাগাভাগি নির্বাচন বলছে। যে নির্বাচনে ২৮টি দলের দুই হাজার ২৬০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, সেই নির্বাচন কি করে ভাগাভাগি নির্বাচন হয়?’

আওয়ামী লীগ কতটি আসন থেকে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে— এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের সভাপতি চিঠির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবেন। আমরা যতটা নেব ততটাই হবে। সবকিছুর ফাইনাল বিকাল ৪টার মধ্যে হয়ে যাবে।’

জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের সাথে তাদের সমঝোতা চলছে। এখানে কোনো অশোভন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। শুধু আসন ভাগাভাগির বিষয় নয়। বিএনপি নির্বাচন প্রতিহতের ডাক দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যারা নির্বাচন করতে চায় সেসব সম্ভাবনাময় দলের মধ্যে একটা ঐক্য থাকা প্রয়োজন। এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। তবে, আমরা একটা সমঝোতা করতে পারি— এমন ধারণা জাতীয় পার্টিকে দিয়েছে।’

আসন সমঝোতা নিয়ে জাতীয় পার্টি সন্তুষ্ট কি না— জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের সাথে তাদের কথা হচ্ছে। তারা ক্ষুব্ধ হয়েছে বলে জানা নেই। তাদের আসন বাড়ানোর দাবি থাকতেই পারে। যেসব আসনে আমরা সমঝোতা করব, সেসব আসনে আমাদের নৌকার প্রার্থীকে প্রত্যাহার করা হবে।’

শরিকদের সাতটির বেশি আসন দেওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না— জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটা শরিকদের সাথে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত হবে।’

আসন সমঝোতার মাধ্যমে কীভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে— প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নৌকার প্রার্থী তুলে নিলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী সব আসনেই থাকছে। তারা কি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নয়? নৌকা না থাকলেও ২৮টি দল তো নির্বাচনে থাকছে।

আসন সমঝোতা না হলে জাতীয় পার্টির নির্বাচন থেকে সরে যাবে কি না— উত্তরে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার মনে হয় না জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাবে। তারা নির্বাচন করবে, এটা তাদের সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে কি না, আমার জানা নেই।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনকে নিয়ে বিএনপি সারা দেশে নাশকতা করছে। তারা বাধা দেবে কিন্তু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে না। এটা আমাদের অঙ্গীকার।

বিএনপির নেতাদের জেলে রেখে সরকার নির্বাচন করছে— এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা ৩৪ জন সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করেছে। একজন পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তাদের কি বিচার হবে না? সেটার কি মামলা হবে না।’

সোমবার বিএনপির ডাকা হরতাল প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তারা তো হরতাল-অবরোধ ডেকেই যাচ্ছে। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই। এগুলো নির্বাচন কমিশনকে জিজ্ঞাসা করেন। আওয়ামী লীগ তো নির্বাচনের আচরণবিধি মেনে চলছে। আমরা ১৬ তারিখ (ডিসেম্বর) বিজয় মিছিল না করে সেটা ১৮ তারিখে নিয়েছি। তারা তো প্রতিদিনই ট্রেনে-বাসে আগুন দিচ্ছে। এমনকি গাজীপুরে গ্যাস লাইন পর্যন্ত কেটে দিয়েছে।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…